জেলা পরিষদের বাংলো নাকি সাপের বাড়ি!

0
112

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ এক সময় ঝাঁ-চকচকে ছিল বাংলোর মেইন গেট ও তার চারদিক। বাংলোর সামনে ছিল যত্নে সাজানো বাগান। বাগানের অন্যদিকে একতলার তিনটি ঘর নিয়ে একটি বাংলো। বাংলোর পাশে জেলা পরিষদের অফিস ঘর। বাংলোর পিছনেও ছিল সবুজ বাগান। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ওই বাংলোয় একবার থেকে গিয়েছেন বলে জানা যায়। সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকও এক সময় হত সেখানে। এসব এখন অতিত! আজ শুধুমাত্র সংস্কারের অভাবে, অবহেলায় পড়ে আছে কান্দি শহরের জেলা পরিষদের বাংলো – পরিণত হয়েছে ‘পোড়ো’ বাড়িতে! অন্যদিকে কান্দির গ্রামগুলিতে বিগত কয়েক বছরে বেশ কিছু রাস্তা কংক্রিটের করা হয়েছে। কিছু মাটির রাস্তা পিচ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন অফিস। কোথাও জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে বাজার ভবন।

কিন্তু আজ ওই বাংলোর অবস্থা খুবই করুণ। ঠিক কী অবস্থা ওই বাংলোর? ওই বাংলো চত্বরে যেতে হয় একটি নড়বড়ে গেট ঠেলে, যার অনেকটা ভেঙে গিয়েছে। শুকিয়ে গিয়েছে বাগানের ফুলগাছ গুলিও। তার মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে জরাজীর্ণ বাংলোটি। বৃষ্টি হলেও ঘরের ভিতরে জল পড়ে। রঙ হয়না বহুদিন হয়ে গেল! আগে যেটা অফিসঘর ছিল, সেটি এখন ভেঙে যাওয়া আসবাবপত্র রাখার গুদামঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনটি ঘরের মধ্যে দু’টি করে বিছানা ছিল। তার মধ্যে একটি ঘর ছিল ভিআইপিদের জন্য। ওই ঘর দু’টি ভালো করে সাজানো থাকলেও ওই ঘর দু’টির একদিনের ভাড়া ৫০ টাকা। কিন্তু ওই বাংলোয় থাকার উপায় নেই। কারণ,  কখন যে মাথার ওপর চাঙড় খসে পড়বে ঠিক নেই। সন্ধ্যার পর বসে গাঁজা, মদ খাওয়ার আসর। স্থানীয় এক বাসিন্দা শান্তনু পাণ্ডে বলেন, বাংলো এখন ভূতবাংলোয় পরিণত হয়েছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায় সংস্কার না হওয়া বাংলোগুলিকে ব্যবসায়ীদের চুক্তির ভিত্তিতে দিয়ে কিছু করার ভাবনাচিন্তা চলছে।

LEAVE A REPLY