কল্যানেশ্বরী যাবার রোডে P.H.E দপ্তরে পাঁচিল ভেঙে অবৈধ ভাবে জল চুরি

0
18

নিজস্ব প্রতিনিধি,আসানসোলঃ  আসানসোলের কুলটিথানার অন্তর্গত ডুবুরডিহী ও কল্যানেশ্বরী যাবার রোডে P.H.Eদপ্তরে পাঁচিল ভেঙে অবৈধ ভাবে জল চুরি হচ্ছে। খবর সুত্রে যানা গেছে যে P.H.Eজল দপ্তরের পাঁচিল ভেঙে মোটর দিয়ে পাইপের মাধ্যমে ট্যাঙ্কারের করে অবৈধ ভাবে জল চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। বে সরকারি বেশ কীছু কল কারখানাতে বলে যানান ট্যাঙ্কারের চালক । যিনি এই অবৈধ ব্যাবসা চালাচ্ছেন তার নাম বুড়া দা বলে পরিচিত । ট্যাঙ্কারের চালককে জিজ্ঞাসা করতে গেলে তিনি যানান । আমরা কি জল নিচ্ছি ।বুড়াদার কথাতে জল তোলা হচ্ছে ।ওনারি ট্যাঙ্কার। তবে ট্যাঙ্কারের চালক যানান যে প্রতিদিন 4/5ট্যাঙ্কার জল নিয়ে কারখানা তে দেওয়া হয় । প্রশ্ন রাস্তার উপর ট্যাঙ্কার দাড় করিয়ে মোটর দিয়ে পাইপ লাগিয়ে ট্যাঙ্কারে অবৈধ ভাবে জল তোলা হচ্ছে ।আইন কে বুড়োআঙুল দেখীয়ে । এই দিকে 4/5ট্যাঙ্কার হিসাবে প্রতিদিন আনুমানিক 1লাখ লিটার জল অবৈধ ভাবে তোলা হচ্ছে । সাথে P.H.Eদপ্তরের ভেতর থেকে ব্যবহৃত এতো পরিমাণ জল নালার মধ্যে আসে বলে মনে হয় না । তা হলে কি পানীয় জল সরবরাহের পাইপলাইন ফুটো করা হয়েছে । সেটাও একটা প্রশ্ন ।যেখানে পানীয় জলের জন্য এলাকাতে অশুবীধাতে মানুষ । সেখানে অবৈধ ভাবে এতো জল তুলে বিক্রি করা হচ্ছে ।অপর দিকেp.h.eদপ্তরের কর্মী যানান এই ভাবে তো জল নেওয়া যায়না এটা অবৈধ এই বিষয়ে উচ্চপদস্থ অফিসারদের যানানো হবে । এখন দেখার প্রশাসন বা P.H.E দপ্তর অবৈধ জল ব্যাবসা নিয়ে কী পদক্ষেপ নেন ।
এলাকার কাউন্সিলার সুমিত্রা বাউরি বলেন যেখানে আমার এলাকার মানুষ পানীয় জল পাচ্ছে না।সে জায়গায় নাকি এত জল p.h.e থেকে চুরি করে কল কারখানায় বিক্রি করা হচ্ছে এই খবর আমি পেয়েছি আমি এই নিয়ে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারী ও প্রশাসন সহ উচ্চ আধিকারিকদের সাথে কথা বলবো।এই ভাবে চুরিকে আমি সমর্থন করি না।আমি এটা জানতাম না আজ আমার নলেজ এলো এই বিষয় টা।আর খুব শীঘ্র এই জল চুরি বন্দ হবে।

LEAVE A REPLY