মাসুদ আজহারের মৃত্যু নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ

0
90

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার মারা গিয়েছে বলে রবিবার বিকেলের পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমে খবর হতেই হইচই পড়ে যায়। পুলওয়ামা হামলার কুচক্রী তথা ভারতের এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথা – মাসুদ আজহারের মৃত্যু নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর। শুক্রবারই মাসুদের গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে জয়েশ সুপ্রিমোর পাকিস্তানের আশ্রয়ে থাকার কথা স্বীকার করে নেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী। কিডনি বিকল হয়ে রাওয়ালপিন্ডির সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তার ঠিক দু’দিন পর ছড়িয়ে পড়ল আজহারের মৃত্যুর খবর।
এদিন সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে যায়, মৃত্যু হয়েছে ভারতের মাটিতে একের পর এক জঙ্গি হামলার মূল চক্রী মাসুদের। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, শনিবারই নাকি মৃত্যু হয়েছে আজহারের। তবে, পাকিস্তানের তরফে রাত পর্যন্ত তার মৃত্যুর খবর সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। আবার আর একটি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত্যাঘাতে গুরুতর জখম হয় মাসুদ আজহার। তারপর থেকেই হাসপাতালে ভর্তি সে। মারা গিয়েছে শনিবার।

তবে কয়েক ঘণ্টা কাটতেই জইশ জঙ্গি সংগঠন জানিয়ে দিল, মাসুদ আজহার মারা যায়নি। দিব্যি বেঁচে রয়েছে। এদিন স্থানীয় কিছু পাক সংবাদমাধ্যম দাবি করে বালাকোটে ভারতের এয়ার স্ট্রাইকে গুরুতর আহত হয় মাসুদ আজহার। পরে আহত অবস্থায় সে মারা গিয়েছে। জল্পনা আরও বাড়ে কারণ কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি নিজে স্বীকার করেন যে আজহার পাকিস্তানে রয়েছে। তবে খুব অসুস্থ। বাড়ি থেকে বেরোনোর ক্ষমতা নেই। একেবারে শয্যাশায়ী। তার চিকিতসা চলছে। তারপরই এদিন মাসুদ মারা গিয়েছে, সেই খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য দাবিও শোনা গিয়েছে। সেখানে বলা হয়, লিভারের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে আজহার মারা গিয়েছে। #MasoodAzharDead এই হ্যাশট্যাগ দুপুরের পর থেকেই ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও পাক জঙ্গি সংগঠন সেই খবর অস্বীকার করেছে।

 

LEAVE A REPLY