মহিপাল দীঘিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের উদয়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে রয়েছে এই প্রাচীন মহিপাল দীঘি যাকে ঘিরে রয়েছে প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। এছাড়াও জেলা ও ভিন জেলা থেকে মহিপাল দীঘির পাশে পিকনিক স্পট আইরা ফরেস্টে পর্যটকেরা ভিড় জমান সারা বছর। ব্লক প্রশাসন নতুন রূপে সাজাতে চলেছে মহিপাল দীঘিকে যেখানে থাকবে একটি পার্ক ,কফি সপ ,মহিপাল দীঘিতে বোটিং করার ব্যবস্থা এছাড়াও মহিপাল দীঘির পাড় বাধিয়ে রাস্তা করা হবে সেখানে ইলেক্ট্রিক টোটো চলবে পর্যটকেরা মহিপাল দীঘির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পারবেন টোটো করে। সোলার লাইট ও পর্যটকদের বসবার ব্যবস্থা করা হবে।এতে করে যেমন জেলার পর্যটন শিল্পের উন্নতি হবে তেমন মহিপাল দীঘিকে কেন্দ্র করে বাড়বে কর্মসংস্থান মনে করছেন ব্লক প্রশাসন।
কুশমণ্ডি ব্লকের বিডিও অমূল্য চন্দ্র সরকার বলেন ২০১৪ সালে রাজ্য পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে আমরা দুটো এসি রুম ও তিনটি নন এসি কটেজ তৈরী করেছি। রয়েছে খাবারের জন্য ডাইনিং হল, পর্যটকদের জন্য ২০১৪ সালে উদ্বোধন করা হয় এই পর্যটন কেন্দ্রটি। বর্তমানে কুশমণ্ডি এগ্রিকালচার সমবায় দপ্তরকে রক্ষনাবেক্ষনের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন করে বি এ জিপি ও এম জি এন আর জি এ প্রকল্প পাঠানো হয়েছে দুটি নতুন কটেজ ও বেশ কিছু নতুন করে কাজ করা হবে পর্যটকদের সুবিধের জন্য। মধ্যেই প্রতিবছর পর্যটকেরা ভিড় জমাচ্ছে মহিপাল দীঘিতে। সেই কথা মাথায় রেখে নবরূপে সাজানো হচ্ছে মহিপাল দীঘিকে।
এলাকাবাসী সুধীর বিশ্বাস বলেন বহিরাগত পর্যটক মহিপাল দীঘি ভ্রমণে আসছে তাতে করে গ্রামের মানুষদের রোজগার বেড়েছে আরো ভালো পরিষেবা ব্লক প্রশাসন দিতে পারলে ভবিষতে কর্মসংস্থানের একটি দিক খুলে যাবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মহিপাল দীঘিতে বছরের সব সময় বহিরাগত পর্যটকদের আনাগোনা থাকে এতে করে স্থানীয় দোকানদারেরা কিছুটা হলেও লাভবান হচ্ছে। প্রশাসন আরো উদ্যোগ নিয়ে মহিপাল দীঘিকে একটি জাতীয় পর্যায়ের রুপ দেবে এই আশা অবশ্যই করা যায় ।

চাকরি দেওয়া যাবে না! জানান মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ সোমবার কান্দি মহকুমা সবলা ও ক্রেতা সুরক্ষা মেলার উদ্বোধনে এসে স্বনিযুক্তি বিভাগ ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে বললেন , চাকরি দেওয়া যাবে না, নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। পাশাপাশি কান্দিতে রেল লাইন না আসার জন্য আক্ষেপ করেন। এদিন দুপুর ২টা নাগাদ ওই মেলার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। সেখানে হাজির ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) সৌম্য ভট্টাচার্য, কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার, মহকুমা শাসক অভীককুমার দাস প্রমুখ।
এদিন মন্ত্রী বলেন,নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে , বেকার ছেলেমেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বনির্ভর হোক এটাই চাই। এজন্য রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর প্রকল্প, মুক্তিধারা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর ছেলেমেয়ে স্বনির্ভর হয়েছে। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের রাজ্যে প্রায় এককোটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। আগামী বছর তার লক্ষমাত্রা দু’কোটি রাখা হয়েছে। কাজেই এ বছর আমাদের আরও বেশি করে মহিলাদের নিয়ে গোষ্ঠী করতে হবে।
এদিন মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য চলাকালীন কোথায় কত গোষ্ঠী রয়েছে, তাঁদের ব্যাঙ্ক লিঙ্ক হয়েছে কিনা তার খোঁজ নেন। কান্দি মহকুমা শাসককে খুব তাড়াতাড়ি এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির একটি রিপোর্ট তাঁর কাছে পাঠানোর জন্য বলেন।
এদিকে কান্দিতে এখনও পর্যন্ত রেললাইন না আসায় মন্ত্রী দুঃখপ্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমার জন্ম কান্দিতে। সেই কান্দিতে রেল তো এল না। তাই এলাকার বাসিন্দাদের হয়ে দুঃখ প্রকাশ করছি। কান্দি জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এখানে সার্ভে করার কথা বলেছিলেন। সেটা যদি এখানকার সংসদ সদস্য এগিয়ে নিয়ে যেতেন, তাহলে হয়ত কান্দিতে রেল চলে আসত। তাহলে এই এলাকা সমৃদ্ধ হতো। এদিন মন্ত্রী সরাসরি বলেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে আমরা ক্ষমতায় আসব। আর তখন কান্দিতে আমরা রেললাইন নিয়ে আসব। এটা আমার প্রতিশ্রুতি রইল।

ফ্রোজেন বেনানা জুস

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ অনেক সময় বাচ্চারা কলা খেতে পছন্দ করে না।সেই জন্য মায়েদের অনেক কায়দা অবলম্বন করতে হয়।কলার সাথে যদি আরও কিছু মিসিয়ে সুস্বাদু কিছু তৈরি করা যায় তাহলেই মুস্কিল আসান।ফ্রোজেন বেনানা জুস হল সেরকম একটি খাবার ।

উপকরন ঃ দু ২কাপ , ডিমের কুসুম ৪টি, চিনি২/৩ কাপ , কলা ৫টি,
প্রনালী ঃ সসপ্যানে দুধ ও অর্ধেক চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে । ফুটে উঠলে উনুন থেকে নামিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে । ডিমের কুসুমের সাথে বাকি চিনি খুব ভালভাবে মিশিয়ে ফেটাতে হবে যেন কুসুমের রং হালকা হয়। সসপ্যান দুধ দিয়ে ফুটিয়ে সসপ্যান থেকে দুধ নামিয়ে দুধের মধ্যে কুসুমের মিশ্রণ আস্তে আস্তে ঢালতে হবে এবং দুধ নাড়তে হবে । সসপ্যান আবার মৃদু আঁচে উনুনে বসিয়ে নাড়তে হবে । দুধ ঘন হবে কিন্তু ফুটাবে না। উনুন থেকে নামিয়ে ১-২ মিনিট নাড়তে হবে ।এবার বাটিতে দুধ ঢালতে হবে । বড় গামলায় বরফ মিশানো ঠান্ডা জল ক্রিমের পাত্র বা দুধ চিনির পাত্রে রাখতে হবে । বাটির দুধ, চিনির মিশ্রণ ঘন ঘন নাড়তে হবে । ক্রিম বাঁ থকথকে দুধ বরফ জল থেকে তোলার পরে কলা খুব মিহি করে চটকে রাখতে হবে, ব্লেন্ডারে দেওয়া যাবে না। চটকানো কলা দেড় কাপ নিতে হবে ।কলার সাথে অল্প অল্প করে ক্রিম দিয়ে মসৃণ করে ফেটিয়ে মোলডে ঢালতে হবে । এবার রেফ্রিজারেটরে বরফের চেম্বারে রাখতে হবে । পরিবেশনের আগে ফ্রিজ থেকে নামাতে হবে ।

ছাই দিয়ে সংসার !

সত্যজিৎ মণ্ডলঃ বাংলা প্রবাদে “ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো” কথাটি বহুল প্রচলিত। যেখানে  কুলোর গুরুত্ব পাওয়া গেলেও ছাই এর গুরুত্ব পাওয়া যায়না। কিন্তু বাস্তব সমাজে ছাই এর গুরুত্ব আছে, তার প্রমান দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বেশ কিছু পরিবার। যারা ছাই সংগ্রহ করে, রৌদ্রে শুকিয়ে, চালন দিয়ে চেলে মসৃণ ও মিহি করে প্যাকেট বানিয়ে কলকাতায় পাঠাচ্ছে। বিনিময়ে পাচ্ছে টাকা। যা দিয়ে সংসারতো চলছেই অনেকেই আবার মাসিক চার পাঁচ হাজার টাকা মুনাফাও করছে।

 

ভাঙড়ের ছেলেগোয়ালিয়া গ্রামের আমজাদ আলী, হক সাহেবরা বিশ চল্লিশ বছর ধরে এই কাজ করে আসছে। নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি অনেকে আবার দু চার জন গৃহবধূকে কাজে নিয়োগ করিয়েছে। ফলে নিজেদের পরিবারের পাশাপাশি অন্যরাও কিছুটা হলেও উপকার পাচ্ছে এই কাজের থেকে। সময় করে পিকাপ ভ্যান নিয়ে এলাকায় বেড়িয়ে যায় আমজাদ আলী। ভাঙড়ের মাঝেরআইট, সাতুলি, কচুয়া, লাঙলবেকী, নাটাপুকুর, পোলেরহাট, মঙ্গলপুর, জয়নগর সহ এলাকার নানান গ্রাম থেকে ছাই সংগ্রহ করে বাড়িতে আনেন। তারপর রৌদ্রে শুকিয়ে ম্যাশিনের সাহায্যে মিহি করে বস্তা ভরে গাড়িভাড়া করে কলকাতায় পাঠায়। বস্তা পিছু একশো দুশো টাকা লাভ থাকে বলে জানান আমজাদ আলী। তিনি আরো বলেন আমি এলাকায় চল্লিশ বছর ধরে এই কাজ করে আসছি। আমার দেখা দেখি এলাকায় অন্যেরাও এই কাজে আসে। কোম্পানি আমাকে ম্যাশিন দিয়েছে। সেই ম্যাশিনেই আমি প্রত্যেকদিন ছাই মিহি করি। এই কাজ করেই আমার সংসার চলছে।

 

এইকাজে নিযুক্ত হকসাহেব বলেন, আমি বিশ বছর ধরে এই কাজে নিযুক্ত। সংসার চলে যায়, মাসের শেষে কিছু থাকেও। আমার এখানে আর দু তিন জন কাজ করে। হকসাহেবের কাছে কাজ করে রসিদা বিবি, রুপা বিবিরা বলেন এখান থেকে দৈনিক একশো দেড়শো টাকা রোজকার করি যা সংসারের কাজে আসে। সংসারের কাজ করেই তবেই আমরা এই কাজ করি।

 

কলকাতার আব্দুল জব্বার এণ্ড সন্স কোম্পানিতে এই মাল সরবারাহ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। যারা মূলত গুল প্রস্তুত কারক।

মুকেশ আম্বানির মেয়ের বিয়ে! ‘অন্ন সেবা’

আর মাত্র হাতে গোনা কদিন বাকী মুকেশ আম্বানির মেয়ের বিয়ের। হাইভোল্টেজ বিয়ের দিকে নজর সারা বিশ্বের। মুকেশ তনয়া ইশার বিয়ের আগে সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ পাওয়ার আশায় ‘অন্ন সেবা ‘ শুরু করলেন আম্বানী পরিবার। ৫১০০ জনকে দিনে তিন বেলা খাওয়ানো সংকল্পের শুরু হল শুক্রবার থেকে। নারায়ণ সার্ভিস ইনস্টিটিউট, উদয়পুরে চারদিন ধরে চলবে এই ‘অন্ন সেবা ‘ পরিষেবা।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ক্ষীর

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃখোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ ঘরোয়া পদ্ধিতিতে ক্ষীর অনেক রকম ভাবেই বানান যায় । আজকে আমরা দেখব ,ছানা দিয়ে কি করে ক্ষীর তৈরি করা যায় । অনেকেই এই রান্নাটি করতে জানেন। উপকরন খুব বেশি লাগে না । দুধ পরিমান মত ,ছানা কাটার পাউডার ,ঘী ,চিনি , কাজুবাদাম, কিসমিস ,পেস্তা বাদাম, কনডেন্স মিল্ক ।
প্রনালী ঃ প্রথমে কিছুটা পরিমান দুধ জাল দিয়ে, ছানা কাটার পাউডার তাতে দিয়ে ছানা কাটিয়ে নিতে হবে । এবার সেই ছানার জল ঝড়িয়ে নিতে হবে । এবার অন্য একটি প্যানে বাকি দুধতা জাল দিতে হবে । অন্যদিকে কাজুবাদাম, কিশমিশ ,পেস্তা অল্প অল্প করে ভেজে ঘন হওয়া দুধের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে ।
এবার দুধ বেশ কিছুটা ঘন হয়ে লাল হয়ে গেলে চিনি মিশিয়ে দিতে হবে । আগে থেকে তৈরি করা ছানা এবার দুধের মধ্যে মেশাতে হবে। আরো কিছুটা ঘন হয়ে গেলে কনডেন্স মিল্ক মিশিয়ে গ্যাস বন্ধ করতে হবে । ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পরিবেশনের জন্য তৈরি ঘরোয়া পদ্ধিতিতে ছানার ক্ষীর ।

ছেলেদের চুলের অকালপক্কতার যত্ন

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ সুন্দর ঝলমলে চুল আমরা সবাই চাই । কিন্তু সব সময় তা পাই কি ? মেয়েরা যদিও কিছুটা যত্ন করেন, কিন্তু ছেলেরা তা করেন না । ফলত তাদের সারা বছরই কিছু না কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ।
অনেক সময় শিশু বয়েসেই অকাল পক্কতার সমস্যা ও দেখা যায় । চুলের গোড়ায় থাকা মেলানসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হলেই এই সমস্যা হয় । এছাড়া অনেক সময় চুল কালো করার কেমিক্যাল বেশি পরিমানে ব্যবহার করলেও এই সমস্যা হতে পাড়ে ।খাবার দাবার যদি ঠিক করে খাওয়া না যায়, তাহলেও কিছু ক্ষেত্রে চুল পাকার সমস্যা দেখা যায় । ভালো মেহেন্দি পাতা , হরিতকী ফুটিয়ে চুলের গোড়ায় লাগালে এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে । এছাড়া জবা ফুল বাটা , গন্ধরাজ বাটা তেলের সাথে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগালে চুল ঝলমলে, মজবুত হয় । আমলকিও চুলের রঙ কালো করে। এমনকি মানসিক অবসাদ থেকেও কিছু ক্ষেত্রে চুল পেকে যেতে পাড়ে । কাজেই যদি সময় করে কিছুদিন প্রানায়ম করা যায়, তাহলে মানসিক অবসাদ থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যায় ।

ভোট প্রচারে ম্যাজিসিয়ান

খোঁজখবর,ওয়েবডেস্কঃ  মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার ভোট প্রচার তুঙ্গে। যুযুধান দুই পক্ষ কংগ্রেস ও বিজেপি কেউ কাউকে বিনাযুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের প্রচারেও ঢুকে পড়ছে নিত্যনতুন কৌশল। রবিবার মধ্যপ্রদেশের বিজেপি মুখপাত্র রজনীশ আগরওয়াল জানিয়েছেন, “দলের ভোট প্রচারকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ম্যাজিসিয়ান ভাড়া করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে”। কেমন জাদু দেখাবেন ওই ভোট-জাদুকররা?

রজনীশ জানিয়েছেন, বিগত ১৫ বছর রাজ্য শাসন করেছে তাঁর দল। তার আগে মধ্যপ্রদেশে ছিল কংগ্রেস সরকার। ফলে বিগত দেড় দশকে বিজেপি সরকার রাজ্যের উন্নয়নে কেমন ভূমিকা পালন করেছ অথবা যখন কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় ছিল, তখনই বা মানুষ কতটা অনুন্নয়নের শিকার হয়েছেন, সে সবই মঞ্চে তুলে ধরবেন ওই ম্যাজিসিয়ানরা। জাদুবিদ্যা একটা প্রাচীন শিল্প। ফলে ওই শিল্পের প্রয়োগ করেই রাজ্যের মানুষের কাছে উন্নয়ন আর অনুন্নয়নের ছবি তুলে ধরা হবে।

 

লবণের অপকারিতা

খোঁজখবর,ওয়েবডেস্কঃআমাদের দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কাঁচা লবণ কম খেতে উপদেশ দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই ভুল ভেবে রান্নায় লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন কিংবা লবণ ভেজে তারপর খান। কিন্তু লবণ ভাজলে পানি শুকিয়ে গেলেও এর সোডিয়াম ক্লোরাইডের পরিমাণ ঠিকই থাকে। তাই যতটা সম্ভব রান্নায় কম লবণ ব্যবহার করাই অধিকতর উত্তম।

উচ্চ রক্তচাপ: লবণের অতিরিক্ত সোডিয়াম ক্লোরাইড শরীরের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলিউরের মতো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়। পিপাসা বেড়ে যাওয়া: বেশি লবণ খেলে পিপাসা বেড়ে যায়। কারণ এটি দেহের কোষে পানির ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে যা কিডনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।. পা ফোলাভাব: চিকিত্সকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ খাওয়ায় কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমে। এতে হাত ও পা ফোলা ফোলা ভাব হয়। এটি কিডনি রোগী এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ। অস্টিওপোরোসিস: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণে শরীরের পানির পিপাসা তৈরি হয়। এতে করে অতিরিক্ত পানি গ্রহণ করতে হয় এবং প্রসবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম শরীর থেকে প্রসবের মাধ্যমে বেড়িয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়। কিডনিতে পাথর হওয়া: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনিতে পাথরের সৃষ্টি করে। তাই পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে একলাখ টাকার জালনোট ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ২

মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে একলাখ টাকার জালনোট ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ২