বইমুখী প্রজন্ম গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ সাধারণ মানুষকে বইমুখী করতে বিশেষ উদ্যোগ৷ বিনা চাঁদায় সদস্য নেওয়া হচ্ছে হাওড়া জেলার সরকার পোষিত গ্রন্থাগারগুলি। হাওড়া জেলা গ্রন্থাগারে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় জেলার সকল সরকার পোষিত গ্রন্থাগারের কর্মী ও আধিকারিকদের মাসিক সভা।

সেই সভায় পূর্বঘোষিত নির্দেশ অনুযায়ী পুরোনো সব সদস্যকে নতুন ভাবে বিনা চাঁদায় সদস্যপদ প্রদানের পাশাপাশি বিনামূল্যে নতুন সদস্য গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাওড়া জেলার শতাধিক সরকার পোষিত গ্রন্থাগারে প্রায় আট লক্ষ আঠাশ হাজার সদস্য নেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ স্থানীয় গ্রন্থাগারের সদস্য নিশীথ সরকার জানান মানুষকে বইমুখী করতে রাজ্যে এই প্রথম এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলাদের স্বনির্ভর করার উদ্যোগ রক্ষক ফাউন্ডেশনের

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: সারা বিশ্ব জুড়ে ৮ মার্চ দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে। পৃথিবীর কোনও অংশে এটি উদযাপনের দিন, কোথাও বা প্রতিবাদের।১৯০৮ সালে নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হল। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এর পর ১৯১০-এ ডেনমার্কের কোপেনহাগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি যোগ দিয়েছিলেন দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে। এখানেই প্রথম ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দিলেন ক্লারা জেটকিন। ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জ মার্চ মাসের এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


সারা বিশ্বজুড়ে যেমন এই দিনটি পালন হয় তেমন কলকাতাতেও নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই দিনটি পালন করা হয় । রক্ষক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলিপুরে একগুচ্ছ কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালিত হল দিনটি। গ্লোবাল মেনটোরিং ওয়াক শীর্ষক এক কর্মসূচির মাধ্যমে মহিলা দের স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছেন। এই কর্মসূচির মূল উদ্যোক্তা হলেন চৈতালি দাস। রাজ্যের সংশোধনাগার থেকে শুরু করে লিঙ্গ সাম্য, প্রান্তিক মানুষজন, গ্রামের মেয়েরা ও পিছিয়ে পড়া শিশু সকলের জন্যই সমাজসেবা মূলক কাজ করেন চৈতালি। এছাড়া বয়স্কদের নিয়েও কাজ করেন তিনি। নিজ উদ্যোগেই তৈরি করেছেন এই ফাউন্ডেশন। এখনও পর্যন্ত ২০ হাজার জীবন রক্ষা করেছেন চৈতালি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা চৈতালি বলেন সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে কাজ করে চলেছে রক্ষক ফাউন্ডেশন। শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার আমেরিকান সেন্টারের অ্যাসিস্টেন্ট পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অফিসার জেয় বি ট্রেলর, ন্যাশনাল জুট বোর্ডের মেম্বার সেক্রেটারি অরবিন্দ কুমার সহ বহু বিশিষ্ট জনেরা। স্থানীয় বেশ কিছু স্কুল -কলেজের ছাত্রীরা বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বর্ণময় পদযাত্রায় অংশ নেন।

প্রেমিকার সামনেই আত্মহত্যা

খোঁজ খবর ওয়েবডেস্ক ঃ  ভিডিও কল চালু রেখে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলেন ইংরেজি অনার্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। রবিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দত্তপুকুর থানা বামনগাছি বৈশালী এলাকা। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম রঞ্জন দেবনাথ (২১)। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সম্পর্কের টানাপোড়েন নাকি অন্য কোনও কারণে ওই ছাত্র চরম পরিণতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে লিখিত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রঞ্জনের বাবা গৌর দেবনাথ ও মা সুপ্রিয়া দেবনাথ আলাদা থাকেন। তাঁর বাবা থাকেন বিরাটিতে। মা থাকেন গড়িয়ায়। রঞ্জন বৈশালীতে ঠাকুমা ঠাকুরদার কাছে থাকতেন। তাঁর ঠাকুরদা তারাপদ দেবনাথ ভ্যানচালক। টালির ছাউনির বাড়ি। কোনওরকমে দিন গুজরান হত। ভ্যান চালক ঠাকুরদা রঞ্জনকে মানুষ করছিলেন। এমনিতে এলাকায় নিরীহ ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন রঞ্জন। আপাত শান্ত ছেলেটির হঠাৎ করে কী হল, তা এলাকাবাসীরা কেউ বুঝে উঠতে পারছেন না। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। মৃতের মোবাইলটি তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখছে পুলিস।

মাসুদ আজহারের মৃত্যু নিয়ে বিবৃতি প্রকাশ

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার মারা গিয়েছে বলে রবিবার বিকেলের পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমে খবর হতেই হইচই পড়ে যায়। পুলওয়ামা হামলার কুচক্রী তথা ভারতের এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথা – মাসুদ আজহারের মৃত্যু নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর। শুক্রবারই মাসুদের গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে জয়েশ সুপ্রিমোর পাকিস্তানের আশ্রয়ে থাকার কথা স্বীকার করে নেন সেদেশের বিদেশমন্ত্রী। কিডনি বিকল হয়ে রাওয়ালপিন্ডির সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তার ঠিক দু’দিন পর ছড়িয়ে পড়ল আজহারের মৃত্যুর খবর।
এদিন সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে যায়, মৃত্যু হয়েছে ভারতের মাটিতে একের পর এক জঙ্গি হামলার মূল চক্রী মাসুদের। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, শনিবারই নাকি মৃত্যু হয়েছে আজহারের। তবে, পাকিস্তানের তরফে রাত পর্যন্ত তার মৃত্যুর খবর সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। আবার আর একটি সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত্যাঘাতে গুরুতর জখম হয় মাসুদ আজহার। তারপর থেকেই হাসপাতালে ভর্তি সে। মারা গিয়েছে শনিবার।

তবে কয়েক ঘণ্টা কাটতেই জইশ জঙ্গি সংগঠন জানিয়ে দিল, মাসুদ আজহার মারা যায়নি। দিব্যি বেঁচে রয়েছে। এদিন স্থানীয় কিছু পাক সংবাদমাধ্যম দাবি করে বালাকোটে ভারতের এয়ার স্ট্রাইকে গুরুতর আহত হয় মাসুদ আজহার। পরে আহত অবস্থায় সে মারা গিয়েছে। জল্পনা আরও বাড়ে কারণ কয়েকদিন আগে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি নিজে স্বীকার করেন যে আজহার পাকিস্তানে রয়েছে। তবে খুব অসুস্থ। বাড়ি থেকে বেরোনোর ক্ষমতা নেই। একেবারে শয্যাশায়ী। তার চিকিতসা চলছে। তারপরই এদিন মাসুদ মারা গিয়েছে, সেই খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য দাবিও শোনা গিয়েছে। সেখানে বলা হয়, লিভারের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে আজহার মারা গিয়েছে। #MasoodAzharDead এই হ্যাশট্যাগ দুপুরের পর থেকেই ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও পাক জঙ্গি সংগঠন সেই খবর অস্বীকার করেছে।

 

জেলাকে নির্মল রাখার শপথ জেলাশাসকের

ইন্দ্রানী সেন, বাঁকুড়া :  জাতির জনকের প্রয়াণ দিবসে সর্বধর্ম সমন্বয়ে জেলাকে নির্মল রাখার শপথ নিলেন জেলাশাসক। বুধবার রবীন্দ্র স্মৃতিধন্য হিলহাউসে অনুষ্ঠিত সর্বধর্ম প্রার্থনা সভার আয়োজন করে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস গান্ধীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচণা করেন। পরে উপস্থিত সব ধর্মের মানুষ বিশেষ প্রার্থনা সভায় যোগ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রত্যেককে গান্ধী বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন।

জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস বলেন, ইতিমধ্যে আমরা আমাদের জেলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে পাঁচ লক্ষ শৌচাগার তৈরী করে ফেলেছি। শৌচাগার তৈরির পাশাপাশি নিজের এলাকাকে ও নির্মল রাখার কথা বলেন। সাথে সাথেই উপস্থিত সভাতে গান্ধীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সর্বধর্ম সন্বনয়ের কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক ছাড়াও বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মু, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরুনাভ মিত্র, সাধন মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।

ঘরেই তৈরি করুন ‘হট ফাজ পুডিং’

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক : শীতকালে সব খাবারই গরম খেতে ইচ্ছে করে। এমনকি ভারী খাবারের পরের মিষ্টিটাও গরম হলে ভালো লাগে। তেমনই গরম গরম একটি মিষ্টি খাবার হলো হট ফাজ পুডিং। মাখন ও চকলেটের স্বাদে এই খাবারটি শরীর একদম ভেতর থেকে গরম করে তুলবে। আর তা তৈরি করাটাও খুবই সহজ!

উপকরণ

১ কাপ ময়দা
দেড় চা চামচ বেকিং পাউডার
২ টেবিল চামচ কোকো পাউডার বা ড্রিঙ্কিং চকলেট পাউডার
এক চিমটি লবণ
পৌনে ১ কাপ মিহি চিনি
৫ টেবিল চামচ দুধ
২ টেবিল চামচ গলানো মাখন
পৌনে ১ কাপ আখরোট কুচি (ওয়ালনাট)
১ চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স
২ টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার
১ টেবিল চামচ কোকো পাউডার, ওপরে দেওয়ার জন্য
প্রণালি

১) ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওভেন প্রিহিট হতে দিন। ময়দা, বেকিং পাউডার, ড্রিঙ্কিং চকলেট ও লবণ চেলে নিন একটি বড় পাত্রে।

২) এতে মিহি চিনি, দুধ, মাখন, আখরোট ও ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে একটি চামচের সাহায্যে মিশিয়ে নিন।

৩) ১৭৫ মিমি. মাপের একটি বেকিং টিনে মাখন মেখে নিন ও এতে ময়দার মিশ্রণটি ঢেলে দিন। এর ওপরে ব্রাউন সুগার ও ড্রিঙ্কিং চকলেট ছিটিয়ে দিন সমানভাবে।

৪) মিশ্রণের ওপরে সোয়া ১ কাপ ফুটন্ত জল দিন ও প্রিহিট করা ওভেনে বেক করুন ৩০ মিনিট।

কয়েক মিনিট ঠান্ডা করে নিন। উষ্ণ অবস্থায় পরিবেশন করুন।

জানেন কি, শীতকালে ফ্যাশন ইন কোন ব্যাগ গুলি !

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  শীত হোক বা গ্রীষ্ম ফ্যাশনের অন্যতম অঙ্গ হল ব্যাগ । শুধু প্রয়োজনে নয়, ফ্যাশন করতেও ব্যাগ ছাড়া চলবে না । এখন বাজারে নানা ধরনের ব্যাগ রয়েছে। এক একটা পোশাকের সঙ্গে মাননসই এক এক রকমের ব্যাগ। তবে শীতকালের জন্য কিন্তু ব্যাগের বিশেষত্ব রয়েছে।
হাত ব্যাগ – সাধারণত এই ধরনের ব্যাগ কোনও অনুষ্ঠানে নিয়ে যেতে পারেন আপনি। বিভিন্ন ডিজাইনের হাতব্যাগ হয়। কোনওটা কারুকাজ করা, কোনওটা আবার কারুকার্য ছাড়া নিতান্তই সাধারণ ব্যাগ। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ব্যাগ ছোটখাট জিনিস রাখতে ব্যবহার করা হয়। শীতকালে গলার স্কার্ফ বা হালকা চাদর নেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন এই ব্যাগ।


মক ক্রোক- একটু বেশি জিনিস নিয়ে যেতে চাইলে এই ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। শীতকালে দূরে কোথাও গেলে সোয়েটার বা চাদর এই ব্যাগ একেবারে আদর্শ। তবে বেশি জিনিস নিতে চাইলে কিন্তু এই ব্যাগে স্থান সংকুলান হবে না।


ওভারসাইড হবস -বেশি জিনিস নিতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন ওভারসাইজ হবস বা এক্সএক্সএল টোটেস। এই ব্যাগের মধ্যে অনায়াসে অনেক জিনিস ঢুকতে পারে। সারাদিন ঘোরার পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই এই ব্যাগ সঙ্গে নিন। কারণ এখানে জলের বোতল থেকে শুরু করে সব কিছু ঢুকে যায়।


মাইক্রো ব্যাগ- এই ব্যাগের আকার অত্যন্ত ছোট। মোবাইল নেওয়ার জন্যই এই ব্যাগ ভাল। শীতকালে জিনিস নেওয়ার জন্য এই ধরনের ব্যাগ একেবারেই উপযুক্ত নয়। তবে যদি স্টাইলের জন্য ব্যাগ নিতে চান, তাহলে এর জুড়ি মেলা ভার।


পুঁটলি ব্যাগ – ছোট থেকে বড়, নানা আকারের পাওয়া যায় এই ব্যাগ। এই ধরনের ছোট ব্যাগে টুকরো জিনিস নিয়ে যাওয়ার জন্য ভাল। কিন্তু যদি বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যান, তাহলে বড় পুঁটলি ব্যাগ বাছুন। পানীয় থেকে টুকিটাকি, সবই বেমালুম ঢুকে যাবে এই ব্যাগে।


বিডের ব্যাগ- এই ধরনের ব্যাগে বিডের কাজ করা থাকে। সাধারণত জুয়েলারি নিয়ে যাওয়ার জন্যই এই ব্যাগের উৎপত্তি। কিন্তু পরে অন্য জিনিস নিয়ে যাওয়ার জন্যও এই ব্যাগ ব্যবহার শুরু হয়।

গঙ্গা দূষন রুখতে সচেতনতা শিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি,নদিয়াঃ  গত কাল মকর সংক্রান্তিতে সকাল থেকে রাজ্যের নদী ও গঙ্গার ঘাট গুলিতে ভিড় জমে ওঠে পুর্ন লাভের আশায়। নদীয়ার পলাশী তেজনগর গঙ্গার ঘাটে পলাশী সংস্কার ভারতীর উদ্যোগে গঙ্গা পূজার আয়োজন করা হয়। গঙ্গা নদীকে দূষণ মুক্ত ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বানে তাদের এই অভিনব প্রয়াস। গঙ্গাক বাচানোর লক্ষ্যে কলকারখানার বর্জ পদার্থ এবং জত্রতত্র নোংড়া আবর্জনা ফেলে গঙার পরিচ্ছন্নতা দিনকে দিন হারিয়ে যাচ্ছে। যদিও রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে নানা উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। এখনও সাধারন মানুষজনকে আরো বেশী করে সচেতন হতে হবে বলে জানান সংস্কার ভারতীর এক কর্মকর্তা রবীন্দ্র নাথ বিশ্বাস।গঙ্গাকে স্বচ্ছ ও সুন্দর রাখতে এই বার্তায় আজ নদিয়ার পলাশী তেজনগর ঘাটে সকল মানুষজনকে সচেতন করলেন তারা।এছাড়া গঙ্গা সংলগ্ন স্থানে কৃষিজ চাষবাসের জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে যদি আমরা সকলে গঙ্গাকে দূষন মুক্ত রাখতে পারি। এ বিষয়ে সংস্কার ভারতীর সম্পাদিকা গীতশ্রী চক্রবর্তী বলেন,গঙ্গা পুজোর মাধ্যমে গঙ্গার নির্মলতা রক্ষা ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্যে এই কার্যক্রম।সভ‍্যতা নদীমাতৃক কিন্তু নদীই যখন অবহেলিত,বিপন্ন তখন সভ‍্যতার অস্তিত্ব ও প্রশ্নের মুখে ।উদ্যোক্তাদের আজ গঙ্গা পুজোর আয়োজনে ওই এলাকার মহিলা ছাড়াও জ্ঞানীগুনিজনেরা উপস্থিত ছিলেন।তাদের দাবী গঙাকে বাচাতে পারলে লাভ হবে আমাদের সকলের।

বদলে গেল প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার নাম !

নিজস্ব প্রতিনিধি,পুরুলিয়া ঃ   রাতারাতি বদলে গেল প্রকল্পের নাম। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা হয়ে গেল বাংলার গ্রামীণ সড়ক যোজনা। নির্মীয়মাণ রাস্তার পাশের বোর্ডের উপর সেঁটে দেওয়া হল স্টিকার। ঘটনাটি পুরুলিয়ার ২ নম্বর ব্লকের পিঁড়রা পঞ্চায়েত এলাকার।

পুরুলিয়ার পিঁড়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঁগাবাঁধ থেকে শীতলপুর গ্রাম পর্যন্ত মোট ৬.৯৮৭ কিলোমিটার রাস্তার কাজ পিডাব্লুডি-এর তত্ত্বাবধানে শুরু হয়। কাজের শুরুতেই রাস্তার মূল গেটে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা নামের দু’টি সাইনবোর্ড লাগানো হয়। গ্রামবাসীরা বুঝতে পারেন কেন্দ্রীয় সরকারের অনুদানে এই কাজ শুরু হয়েছে। কয়েকদিন কাজ চলার পর রাতারাতি বদলে যায় বোর্ডের নাম। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণের নামের উপর বাংলার গ্রামীণ স্টিকার লাগানো হয়। যদিও এই পরিবর্তন নজরে আসেনি কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক থেকে শুরু করে এলাকার মানুষের। সংবাদমাধ্যমের তরফে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বুঝতে পারেন। কিন্ত, কেন এই পরিবর্তন তার জবাব পাওয়া যায়নি।
পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকের ভাঁগাবাঁধ গ্রামের বাসিন্দা অখিলেশ মাহাত বলেন, “এই রাস্তার অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। অসুবিধার মধ্যে দিয়ে যাওয়া আসা করতে হত। এই রাস্তা মেরামত করা হলে এলাকাবাসীরা খুবই উপকৃত হবেন। এজন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ।” এরপর নাম বদল প্রসঙ্গে অখিলেশ বলেন, “আমরা তো বরাবরই অন্ধকারে রয়েছি। জেনেই বা কী করতে পারব। রাতারাতি চুপিচুপি সব বদলে যাচ্ছে।”

অন্যদিকে, রাস্তা তৈরির কাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা মুন্না মাহাত ও সুভাষ চন্দ্র মাহাত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনায় এই কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, সাইনবোর্ডে নাম পালটানোর ব্যাপারে কিছু জানি না।”

এরপর পুরুলিয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দোপাধ্যায়ের কাছে যাওয়া হয়। তাঁকে এই নাম বদলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “এই কাজের জন্য আমাদের সরকার ৫০ শতাংশ টাকা দিচ্ছে এবং দিল্লি থেকে ৫০ শতাংশ টাকা দেওয়া হচ্ছে। তাহলে, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা নাম রাখব কেন? তাছাড়া দিল্লির সরকার পশ্চিমবঙ্গ থেকে কর আদায় করে সেই ৫০ শতাংশ টাকা আমাদেরই ফিরিয়ে দিচ্ছে। তাই, আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী কারও নামই প্রকল্পে থাকবে না। বাংলার মানুষের প্রকল্প তাই বাংলার গ্রামীণ সড়ক যোজনা নাম হবে। সেটাই করা হচ্ছে।”পুরোনো বোর্ডের উপর স্টিকার সাঁটানোর বিষয়ে তিনি বলেন, “কী ভেবেছেন আপনারা? শুধু স্টিকার সাঁটানোটাই দেখছেন। দরকার হলে পুরো নামটাই বোর্ড থেকে আমরা মুছে দেব।”

 

জয়নগর কান্ডে গ্রেপ্তার আরও এক-মোট বারো

নিজস্ব প্রতিনিধি, জয়নগর ঃ জয়নগর ঘটনায় গ্রেপ্তার হল আরও এক জন । শুট আউট এর ঘটনায় গ্রেপ্তার হল মোট বারো  জন ।যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার নাম আরমান গাজী ।এলাকায়  ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় আরমানকে ।তাতে পুলিশের সন্দেহ হয়। জয়নগর থানার রামকৃষ্ণপুর থেকে আরমান গাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।কয়েকদিন জেল হেফাজতেই রাখা হবে আরমানকে ।