জমি হারাদের অভিনব ধর্ণা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল ঃ জমি হারাদের অভিনব ধর্ণা। বিসিসিএলের বেগুনিয়া খনি প্রজেক্টে জমিহারা পরিবার গুলি বাড়ির গবাদি পশু নিয়ে ধর্ণায় বসেছেন। জানা গেছে যখন খনি প্রকল্প হয়েছিল তখন চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে জমি অধিগ্রহন করেছিল ইসিএল। ধানজমিতে কয়লা উত্তোলন শুরু করলেও প্রায় 22 টি পরিবার এখনও চাকরি পায়নি। আর তাই পরিবারের সদস্যরা বেগুনিয়া খনির বাইরে বিক্ষোভ অবস্থান শুরু করেছে। শুধু পরিবারের লোকেরাই নয় বাড়ির গবাদি পশু এনে তারা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। দাবি চাকরি ও ক্ষতিপুরণ দিতে হবে। যদিও বিসিসিএলের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। ক্যামেরা দেখেই আধিকারিকরা সরে যায় এলাকা থেকে। জানা গেছে ২০১২ সালে এই প্রকল্প শুরু হয় । বড়িরা দামাগড়িয়া দিঘারি সহ প্রায় ৮ টি মৌজার জমি অধিগ্রহন করে বিসিএল। ১৬০ টি পরিবারের ৫০০ একর জমি নিয়েছে বিসিসিএল। কিন্তু আজও এই ২২ টি পরিবার বঞ্চিত। জমিদারারা জানান, কেন্দ্র সরকার যেখানে গোমাতাকে পুজো করতে বলছে, সেখানে চাষী, গবাদি পশু কেউ খেতে পাচ্ছে না।

সিদ্ধান্ত বদল সিউড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসক দের

নিজস্ব প্রতিনিধি, বীরভূম ঃ গতরাতে সিউড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাদের গোপন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেন এনআরএস কান্ডের জন্য গণ ইস্তাফার পথ বেছে নেবেন তাঁরা। যদিও তারপরেও চিকিৎসকেরা হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবায় ঘাটতি রাখেন নি। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরও রাতভর সমান ভাবে চলে চিকিৎসা প্রদান।

তবে আজ সকালে চিকিৎসকেরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, গণ ইস্তাফার পর সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে থাকলেও চিকিৎসায় কোন রকম খামতি রাখছেন না তাঁরা। বরং অন্যান্য দিনের মতোই সিউড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সচল রেখেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল রাতে সিউড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসকদের সংগঠনের একটি গোপন বৈঠকের তারা সিদ্ধান্ত নেন একসাথে ৬৭ জন চিকিৎসক এনআরএস কাণ্ড নিয়ে গণ ইস্তাফার পথে হাঁটছেন।

সংবাদমাধ্যমে এমন ঘটনার প্রচারের পর রীতিমতো হইচই সৃষ্টি হয় শহর জুড়ে। যদিও এ বিষয়ে সিউড়ি সদর হাসপাতালে সুপার শোভন দে আমাদের ফোনে জানান, “এখনো পর্যন্ত তার কাছে কোনো রকম ইস্তফা পত্র জমা পড়েনি অথবা কোন খবর নেই।”

সকাল গড়াতেই সিউড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার হাল তদারকি করতে হাসপাতালে পৌঁছান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা থেকে প্রশাসনিক কর্তারা। সাত সকালেই হাসপাতালে পৌঁছানোর বিজেপির গত লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী দুধ কুমার মন্ডল, পরে পরেই পৌঁছান বীরভূম জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী, বিধায়ক অশোক চ্যাটার্জী এবং তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্বরা।

গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী দুধ কুমার মন্ডল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের কাছে অনুরোধ রাখেন প্রতিবাদ বজায় রেখেও সাধারণ মানুষদের চিকিৎসা ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য।

অন্যদিকে জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী দুধ কুমার মন্ডলের হাসপাতালে পৌঁছানোর বিষয়ে তোগ দেগে বলেন, “উনি এখানে রাজনীতি করতে এসেছিলেন। সিউড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থায় কোন রকম ব্যাঘাত ঘটেনি আগামী দিনেও ঘটবে না। চিকিৎসকদের ইস্তফার বিষয় গুজব।”

চিকিৎসকদের তরফ থেকে ডাক্তার অতনু শংকর দাস জানান, “আমাদের দাবি খুব পরিষ্কার, আমরা আমাদের সুরক্ষার দিক সুনিশ্চিত করতে চাই। আমরা যেমন গণ ইস্তাফার কথা ভাবছি, তার পাশাপাশি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবাকেও বজায় রেখেছি। কাল আমরা যখন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন অফিস বন্ধ ছিল, তাই সিদ্ধান্ত নিলে পদক্ষেপ গ্রহণ হয়নি। সরকার যদি আমাদের সুরক্ষা দিক সুনিশ্চিত করেন তাহলে গণ ইস্তাফার কোন প্রসঙ্গই আসবে না। আজ আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা সচল রাখার সাথে সাথে কালো ব্যাজ পড়ে সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদ জানাবো।”

কল্যানেশ্বরী যাবার রোডে P.H.E দপ্তরে পাঁচিল ভেঙে অবৈধ ভাবে জল চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি,আসানসোলঃ  আসানসোলের কুলটিথানার অন্তর্গত ডুবুরডিহী ও কল্যানেশ্বরী যাবার রোডে P.H.Eদপ্তরে পাঁচিল ভেঙে অবৈধ ভাবে জল চুরি হচ্ছে। খবর সুত্রে যানা গেছে যে P.H.Eজল দপ্তরের পাঁচিল ভেঙে মোটর দিয়ে পাইপের মাধ্যমে ট্যাঙ্কারের করে অবৈধ ভাবে জল চুরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। বে সরকারি বেশ কীছু কল কারখানাতে বলে যানান ট্যাঙ্কারের চালক । যিনি এই অবৈধ ব্যাবসা চালাচ্ছেন তার নাম বুড়া দা বলে পরিচিত । ট্যাঙ্কারের চালককে জিজ্ঞাসা করতে গেলে তিনি যানান । আমরা কি জল নিচ্ছি ।বুড়াদার কথাতে জল তোলা হচ্ছে ।ওনারি ট্যাঙ্কার। তবে ট্যাঙ্কারের চালক যানান যে প্রতিদিন 4/5ট্যাঙ্কার জল নিয়ে কারখানা তে দেওয়া হয় । প্রশ্ন রাস্তার উপর ট্যাঙ্কার দাড় করিয়ে মোটর দিয়ে পাইপ লাগিয়ে ট্যাঙ্কারে অবৈধ ভাবে জল তোলা হচ্ছে ।আইন কে বুড়োআঙুল দেখীয়ে । এই দিকে 4/5ট্যাঙ্কার হিসাবে প্রতিদিন আনুমানিক 1লাখ লিটার জল অবৈধ ভাবে তোলা হচ্ছে । সাথে P.H.Eদপ্তরের ভেতর থেকে ব্যবহৃত এতো পরিমাণ জল নালার মধ্যে আসে বলে মনে হয় না । তা হলে কি পানীয় জল সরবরাহের পাইপলাইন ফুটো করা হয়েছে । সেটাও একটা প্রশ্ন ।যেখানে পানীয় জলের জন্য এলাকাতে অশুবীধাতে মানুষ । সেখানে অবৈধ ভাবে এতো জল তুলে বিক্রি করা হচ্ছে ।অপর দিকেp.h.eদপ্তরের কর্মী যানান এই ভাবে তো জল নেওয়া যায়না এটা অবৈধ এই বিষয়ে উচ্চপদস্থ অফিসারদের যানানো হবে । এখন দেখার প্রশাসন বা P.H.E দপ্তর অবৈধ জল ব্যাবসা নিয়ে কী পদক্ষেপ নেন ।
এলাকার কাউন্সিলার সুমিত্রা বাউরি বলেন যেখানে আমার এলাকার মানুষ পানীয় জল পাচ্ছে না।সে জায়গায় নাকি এত জল p.h.e থেকে চুরি করে কল কারখানায় বিক্রি করা হচ্ছে এই খবর আমি পেয়েছি আমি এই নিয়ে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারী ও প্রশাসন সহ উচ্চ আধিকারিকদের সাথে কথা বলবো।এই ভাবে চুরিকে আমি সমর্থন করি না।আমি এটা জানতাম না আজ আমার নলেজ এলো এই বিষয় টা।আর খুব শীঘ্র এই জল চুরি বন্দ হবে।

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ,মুর্শিদাবাদ ঃ :মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। ঘটনায় মৃত দুই এবং আহত তিন
স্থানীয় সূত্রে খবর,শনিবার সকাল নয়টা সাত নাগাদ একটি ইঞ্জিন রেজিনগরের ওমরপপুর এলাকা দিয়ে পার হয় এবং তার পরবর্তীতে শিয়ালদাগামী লালগোলা- শিয়ালদা মেমো ট্রেন সেইখান দিয়ে যাওয়ার সময়ই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী,প্রথমে ইঞ্জিন যাওয়ার সময় রেলগেট বন্ধ ছিল।কিন্তু তার পরবর্তীতে লালগোলা-শিয়ালদা মেমো ট্রেন যাওয়ার সময় গেট ম্যান রেলগেট বন্ধ করে নি বলে অভিযোগ।ফলে ওমরপুরের ওই রেলগেট পার হয়ে একটি ট্রাক্টর ও একটি মোটর বাইক যাচ্ছিল।আর সেই সময়ই শিয়ালদাগামী ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে ট্রাক্টর ও মোটর বাইকের। ঘটনায় দুই জন মারা যায় এবং বাকিদের বহরমপুরস্তিত মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার পাঠানো হয়।
এদিকে রেল দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেজিনগরের ওমরপুর এলাকায় ছুটে যান স্থানীয় বিধায়ক রবিউল চৌধুরী।
তিনি এই দুর্ঘটনার জন্য সরাসরি রেলের গেটম্যানের গাফলতির কথা তুলে ধরেন।

বকুলতলা অল ইন্ডিয়া সম্প্রীতি চ‍্যারিট‍বল ফাউন্ডেশন এর উদ‍্যোগে দু:স্থদের মাঝে

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ 24 পরগনা ঃ বৎসরের ন‍্যায় এই বৎসর ও বকুলতলা অল ইন্ডিয়া সম্প্রীতি চ‍্যারিটবল ফাউন্ডেশন দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করল। সংগঠনটি বিগত কয়েকবৎসর যাবৎ এই কাজ করে আসছে। আজ প্রায় দুই হাজার লোকের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছে এই সংগঠন।

যদিও সংগঠন এর সভাপতি আব্দুর ছাত্তার মীর এর দাবি তারা শুধু যে রমজান মাসেই মুসলিম দের সাহায্য করার জন‍্য এই কর্মসূচি তা নয়। তারা পূজার সময় হিন্দুদের এবং বড়োদিন এ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দুস্থদের মধ‍্যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। দেশের মধ‍্যে শান্তি সম্প্রতি বজায় রাখতে এই সংগঠন নিরলস প্রচার চালাচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাকর্মী মনসুর গোলদার, বিশিষ্ট সমাজসেবী চন্দন মাইতি প্রমুখ ব‍্যক্তিগণ। ইফতার সামগ্রী পেয়ে খুশির হাওয়া নেমে এসেছে জাহেদা, জাসমিনাদের মাঝে। ভবিষ্যতে এই সংগঠন যেন এভাবেই সকলের পাশে থাকে এই আশা ব‍্যক্ত করেন সকলে।

কন্যাশ্রী টাকা না দেওয়ায় বিয়ের এক বছরের মধ্যে স্ত্রীকে খুন করল স্বামী

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ২৪ পরগনা ঃ  কন্যাশ্রী টাকা নেওয়ার জন্যে স্ত্রী কে বারেবারে চাপ দিত এবং শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার করত স্বামী । আর সেই টাকা না দেওয়ায় স্ত্রী কে শ্বাসরোধ করে খুন করে স্বামী । মৃতার নাম রাফিজা বিবি(১৮) । ঘটনাটি ঘটেছে , দঃ ২৪ পরগনা জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারী শরীফ এলাকায় । পরিবার সূত্রে খবর ভালোবাসা করে ঘুটিয়ারী শরীফ শ্রীনগর জমাদার পাড়ার বাসিন্দা ফজলুর জমাদার কে বিয়ে করে রাফিজা । আর সেই বিয়ে বেশি দিন স্থায়ী হল না । অর্থের কাছে হার মানলো রাফিজার ভালোবাসা । দুজনার সংসারে অশান্তি ছিল নিত্য দিনের সঙ্গী । রাফিজা কে বাপের থেকে টাকা আনার জন্যে বারবার অত্যাচার করত স্বামী ফজলুর । আর সেই টাকা না আনলে রাফিজা কে মারধর করত । নিজের টাকা দিয়ে তাদের সংসারের অশান্তি মেটাতো রাফিজার দাদু । সেই টাকায় মন পোষেনি ফজলুরের । তাঁর নজর যায় রাফিজার কন্যাশ্রী পাওয়া টাকার উপর । আর সেই টাকা নেওয়ার জন্যে বারেবারে অত্যাচার করত ফজলুর । সেই টাকা দিতে অস্বীকার করায় রাফিজার উপর শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার করত ফজলুর এবং স্ত্রীকে মারার ফন্দি আঁটে সে । আর সে কারনে ফাঁকা জায়গায় ঘরভাড়া নেয় ফজলুর । এরপর রাতের অন্ধকারে রাফিজাকে মেরে শ্বাসরোধ করে খুন করে স্বামী ফজলুর । তারপর সেই খুনের অপরাধ ঢাকতে স্ত্রীর নামে জীবনতলা থানায় একটি নিখোঁজ লিখিত অভিযোগ দায়ের করে স্বামী ফজলুর । আর তার কথায় অসঙ্গতি মেলায় তাকে গ্রেফতার করে জীবনতলা থানার পুলিশ । এরপর খুনের কথা স্বীকার করে সে । মৃতদেহ টি উদ্ধার করে নিয়ে আশে ঘুটিয়ারী শরীফ ফাঁড়ির পুলিশ । ক্যানিং বিডিও ও জীবনতলা থানার পুলিশের উপস্থিতে মৃত দেহটি শনাক্ত করে পরিবার । এরপর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্যে নিয়ে যায় জীবনতলা থানার পুলিশ ।

প্রয়াত ললিত ভাই এর ছেলে বিশাল ভাই

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুরঃ- গুজরাটের কংগ্রেস এম এল এ ললিত ভাই এর ছেলে বিশাল ভাইয়ের মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদে। শনিবার খুব সকালে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের তকিপুর এলাকায় বাসে করে যাওয়ার সময়ে পেছন থেকে একটি ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা মারে ফলে ঘটনা স্থলে মারা যায় বিশাল। আহত হয়েছে বেশ কয়েক জন। ঘটনার খবর পেয়ে বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী বিশাল ভাইকে দেখতে যান মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সূত্রের খবর শুক্রবার বিমান না পেয়ে বাসে চেপে কোলকাতা থেকে বহরমপুর হয়ে শিলিগুড়ি যাচ্ছিল মৃত বিশাল ভাই। মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের লোক খবর পেয়ে বহরমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বহরমপুর বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব মর্গে পৌছান।

এবার নয়াদিল্লি-এলাহাবাদ রুটে দুরন্ত-র পরিবর্তে হামসফর এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

খোঁজখবর,ওয়েবডেস্কঃ- নয়াদিল্লি-এলাহাবাদ রুটে এবার দুরন্ত এক্সপ্রেসের পরিবর্তে হামসফর এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত ভারতীয় রেলের। আগে এই রুটে সপ্তাহে তিন দিন এই ট্রেন চলতো। কিন্তু হামসফর এক্সপ্রেস চলবে সপ্তাহে চার দিন। সূত্রের খবর, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই নতুন হামসফর এক্সপ্রেস চালু হবে। আরও জানা গেছে, হামসফর এক্সপ্রেস মঙ্গল, বৃহস্পতি, শুক্র ও রবিবার এলাহাবাদ থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে ছাড়বে। অপরদিকে দিল্লি থেকে এলাহাবাদ যাওয়ার গাড়ি বৃহস্পতি, শনি, রবি ও মঙ্গলবার ছাড়বে। জানা গিয়েছে, এলাহাবাদ-নয়াদিল্লি এবং নয়াদিল্লি-এলাহাবাদ হামসফর এক্সপ্রেস আগের সময় অনুযায়ি চলাচল করবে।

জেলা পরিষদের বাংলো নাকি সাপের বাড়ি!

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ এক সময় ঝাঁ-চকচকে ছিল বাংলোর মেইন গেট ও তার চারদিক। বাংলোর সামনে ছিল যত্নে সাজানো বাগান। বাগানের অন্যদিকে একতলার তিনটি ঘর নিয়ে একটি বাংলো। বাংলোর পাশে জেলা পরিষদের অফিস ঘর। বাংলোর পিছনেও ছিল সবুজ বাগান। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ওই বাংলোয় একবার থেকে গিয়েছেন বলে জানা যায়। সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকও এক সময় হত সেখানে। এসব এখন অতিত! আজ শুধুমাত্র সংস্কারের অভাবে, অবহেলায় পড়ে আছে কান্দি শহরের জেলা পরিষদের বাংলো – পরিণত হয়েছে ‘পোড়ো’ বাড়িতে! অন্যদিকে কান্দির গ্রামগুলিতে বিগত কয়েক বছরে বেশ কিছু রাস্তা কংক্রিটের করা হয়েছে। কিছু মাটির রাস্তা পিচ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন অফিস। কোথাও জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে বাজার ভবন।

কিন্তু আজ ওই বাংলোর অবস্থা খুবই করুণ। ঠিক কী অবস্থা ওই বাংলোর? ওই বাংলো চত্বরে যেতে হয় একটি নড়বড়ে গেট ঠেলে, যার অনেকটা ভেঙে গিয়েছে। শুকিয়ে গিয়েছে বাগানের ফুলগাছ গুলিও। তার মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে জরাজীর্ণ বাংলোটি। বৃষ্টি হলেও ঘরের ভিতরে জল পড়ে। রঙ হয়না বহুদিন হয়ে গেল! আগে যেটা অফিসঘর ছিল, সেটি এখন ভেঙে যাওয়া আসবাবপত্র রাখার গুদামঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনটি ঘরের মধ্যে দু’টি করে বিছানা ছিল। তার মধ্যে একটি ঘর ছিল ভিআইপিদের জন্য। ওই ঘর দু’টি ভালো করে সাজানো থাকলেও ওই ঘর দু’টির একদিনের ভাড়া ৫০ টাকা। কিন্তু ওই বাংলোয় থাকার উপায় নেই। কারণ,  কখন যে মাথার ওপর চাঙড় খসে পড়বে ঠিক নেই। সন্ধ্যার পর বসে গাঁজা, মদ খাওয়ার আসর। স্থানীয় এক বাসিন্দা শান্তনু পাণ্ডে বলেন, বাংলো এখন ভূতবাংলোয় পরিণত হয়েছে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায় সংস্কার না হওয়া বাংলোগুলিকে ব্যবসায়ীদের চুক্তির ভিত্তিতে দিয়ে কিছু করার ভাবনাচিন্তা চলছে।

লোকসভা নির্বাচনের সাত সতেরো

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট দেশভাগের মধ্য দিয়ে যখন স্বাধীন ভারতবর্ষের জন্ম হয় তখন দেশে চলছিল ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে গড়া গণ পরিষদ এবং রাজ্যে রাজ্যে আইনসভা ৷ ধীরে ধীরে স্বাধীনদেশে নির্বাচন করার ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা শুরু হল৷ ১৯৫০ সালে দেশের সংবিধান প্রবর্তনের পর ১৯৫১ সালে জন প্রতিনিধিত্ব আইন সেই কাজে সাহস যোগাল৷ এই জন প্রতিনিধিত্ব আইনের খসড়া করেছিলেন এক বঙ্গসন্তান – তিনি হলেন আইসিএস মৃগাঙ্গমৌলি বসু ৷ ওই সময় প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়ের পরামর্শে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব সুকুমার সেনকে প্রথম নির্বাচন কমিশনার করা হয় ৷ ভারতের নির্বাচন কমিশন গঠিত হল একটি স্বশাসিত সংস্থা যেটি দেশটির সকল নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে।
সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশটিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা তখন রীতিমতো কঠিন কাজ কারণ তখন ১৭.৬ কোটি ভোটারের ৮৫ শতাংশ ছিলেন নিরক্ষর ৷ তাঁদের কথা ভেবে প্রার্থীর নামের সঙ্গে প্রতীকের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাছাড়া ওই সময় অনেক মহিলারই নিজস্ব নাম ব্যবহার হত না, তাঁরা পরিচিতি ছিলেন- অমুকের মা বা তমুকের পত্নী হিসেবে। ফলে তাঁদের নাম খুঁজে ভোটার তালিকায় তোলার কাজটা কতটা শক্ত ছিল তা অনুমেয়। পরিকাঠামো গত সমস্যা এড়াতে অজস্র সেতু নির্মাণ করতে হয়েছিল প্রত্যন্ত এলাকাতে ভোট পরিচালনার জন্য।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার সাত দফায় নির্বাচন হবে।ভারতের নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী এপ্রিল ও মে মাসে মোট সাত ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১১ই এপ্রিল থেকে ১৯মে’র মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনের মাধ্যমেই গঠিত হবে নতুন লোকসভা।

তবে নির্বাচনের ভোট গণনা হবে আগামী ২৩শে মে অর্থাৎ সেদিনই জানা যাবে ক্ষমতার অলিন্দে কারা এলেন। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন হবে ২৭২ আসন।

প্রায় ৯০ কোটি ভোটার এবারের নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন এবং এজন্য ভোট কেন্দ্র থাকবে দশ লাখেরও বেশি। উল্লেখ্য ভারতের ভোটার সংখ্যা যৌথভাবে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার বেশি। ২০১৪ সালের ষোড়শ লোকসভা নির্বাচনে ৬৬% ভোটার ভোট দিয়েছিলো এবং ৪৬৪টি দলের ৮ হাজার ২৫০ প্রার্থী সে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলো।এবার ভোট হবে ১১,১৮,২৩ ও ২৯ এপ্রিল এবং ৬,১২ ও ১৯শে মে। পাশাপাশি কিছু রাজ্যে বিধানসভা ভোট হবে কয়েক ধাপে।

ভারতের প্রথম নির্বাচন হয়েছিলো ১৯৫১-৫২ সালে এবং সেটি শেষ করতে সময় লেগেছিলো তিন মাস। ১৯৬২ থেকে ৮৯ সালের মধ্যকার নির্বাচনগুলোতে সময় লেগেছিলো ৪-১০দিন। সবচেয়ে কম চারদিন সময় লেগেছিলো ১৯৮০ সালের নির্বাচনে।