রসনার তৃপ্তিতে ঘি ভাত !

  • 24 Views
  • 9 months ago
  • খোঁজখবর

খোঁজখবর, ওয়েডেস্ক : একঘেয়ে ডাল, ভাত তরকারি না খেয়ে মাঝেমাঝেই মন চায় একটু স্বাদ বদল। তাই ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘি ভাত।

উপকরন : ভাল পুরানো আতপ চাল এক কেজি। ভাল পুরানো না হলে ঘিভাত ধরনের রান্না করা যায় না। বাসমতি কিংবা গোবিন্দভোগ হলে ভাল। পেশোয়ারী আতপ হলে খুব ভাল। ঘি ২০০ গ্রাম। এখনকার দিনে বাদাম তেল রান্নার একটা অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদান। । তাই কোনো বিশেষ রান্না ছাড়া সব রান্নাতে সাদা তেলই ভাল। বর্তমানে স্বাস্থ্যের কারণে ঘি-এর বদলে এই সাদা তেলই…ঘি-এর কাজ চালানো হয়। খুব সামান্য হলুদ বাঙালির রান্নার একটি প্রধান মশলা। শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। রান্নার সময় হলুদ প্রথমের দিকেই দিতে হয়। ১০০ গ্রাম, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ছয় সাতটা, গরম মশলা (১০টা এলাচ, ১০টা লবঙ্গ সম পরিমাণ দারুচিনি )
জলের একটা মাপ আছে। ধোয়ার আগে চালটা ঠিক তিন ভাগে ভাগ করে একটা পাত্রে ভর্তি করুন। অর্থাৎ ঐ একের তিন ভাগ চাল যে পাত্রে ভর্তি হবে, সেই পাত্রের পাঁচ পাত্র জল আলাদা করে রাখুন।

প্রণালী – চাল ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। কাগজের উপর খানিকক্ষণ ছড়িয়ে রাখলে শুকিয়ে যাবে তাতে ভাল হয়। এবার ঐ চালে হলুদ বাঙালির রান্নার একটি প্রধান মশলা। শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। রান্নার সময় হলুদ প্রথমের দিকেই দিতে হয়। প্রথমে দিতে ভুলে গিয়ে নামানোর আগে মনে পড়ে গেল আর তখনই একটু হলুদ দিয়ে দিলাম সেটা খুব মুশকিলের কারণ তখন সব রান্নাটাই খারাপ হয়ে যায়। (যদি না দেন দিতে হবে না) পরিমাণ মতো নুন রান্নার প্রথমের দিকেই দেওয়া উচিত, আদা বাটা, গরম মশলার গুঁড়ো মেখে রাখুন।

যদি কিস্‌মিস্‌, কাজুবাদাম দেন তাহলে কিস্‌মিস্‌ ধুয়ে আর কাজুবাদাম কুচিয়ে রাখুন। কুকারে তেলতেল রান্নার একটা অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদানতাই কোনো বিশেষ রান্না ছাড়া সব রান্নাতে সাদা তেলই ভাল। বর্তমানে স্বাস্থ্যের কারণে ঘি-এর বদলে এই সাদা তেলই। তেজপাতা আর কাজু বাদাম কুচো ছাড়ুন। কাজুবাদাম একটু ভেজেই মশলা মাখানো চাল ছাড়ুন। একটুক্ষণ ভাজুন, চাল ভাজাভাজা হলে কিস্‌মিস্‌, চিনি জল গরম করে দিলে ভাল হয়। নেড়েচেড়ে কুকার বন্ধ করুন। স্টিম হওয়ার পর ঘড়ি দেখে তিন মিনিট গ্যাসে রেখে গ্যাস নিভিয়ে দিন। স্টিম হওয়ার এক মিনিট পরে আঁচ কমিয়ে দিন। পুরো ঠান্ডা হওয়ার আগে জোর করে খুলবেন না।

একবারে কোনো কুকারে এক কেজি চাল রান্না করা যায় না। তাই কম চাল নিয়ে পরিমাণ ঠিক করে নিতে হবে। আর যদি এক সঙ্গে হাঁড়িতে রাঁধেন তাহলে পাঁচ পাত্র জলের বদলে সাড়ে পাঁচ পাত্র জল দিতে হবে। চাল ঝরঝরে করে ঘিভাতের মতো রান্নার মূল পদ্ধতি একই রকম।