বর্ষার ডিনার জমে উঠুক ইলিশ খিচুড়িতে

খোঁজখবর,ওয়েব ডেস্ক : ঋতুচক্রের পালাক্রমে এখন চলছে বর্ষাকাল। হঠাৎ করেই বাইরে শুরু হয়ে যায় ঝুমবৃষ্টি। আর এই বৃষ্টির সময় কি খিচুড়ি ছাড়া চলে? বৃষ্টির হিম হাওয়া আর গরম গরম খিচুড়ি মিলে জমে যায় খাবার টেবিল। তাই আপনাদের জন্য আমাদের আজকের আয়োজন মজাদার ইলিশ খিচুড়ি।

রান্নার জন্য যেসব উপকরণ লাগবে

কম সময়ে কম উপকরণে এই খাবার রান্নাটি করতে পারবেন। সাধারণত যেসব উপকরণ ঘরে থাকে, তা দিয়েই রান্নাটি করতে পারবেন। পরিবারের চার-পাঁচজনের খাবারের জন্য রান্নার উপকরণ ও পরিমাণ নিচে দেওয়া হলো :

১. তেল (পরিমাণমতো), ২. ইলিশ মাছ (একটি), ৩. সর্ষে বাটা (এক টেবিল চামচ), ৪. পেঁয়াজ বাটা (এক চা চামচ), ৫. হলুদ গুঁড়ো (দুই চা চামচ), ৬. লঙ্কা গুঁড়ো (দুই টেবিল চামচ), ৬. লবণ (স্বাদমতো), ৭. পেঁয়াজ কুচি (এক কাপ), ৮. জল (পরিমাণমতো), ৯. গরম মসলার গুঁড়ো (এক টেবিল চামচ), ১০. আদা বাটা (এক চা চামচ), ১১. জিরার গুঁড়ো (এক চা চামচ), ১২. চাল (এক কাপ), ১৩. মুগডাল (এক কাপ), ১৪. ঘি (এক টেবিল চামচ), ১৫. আস্ত কাঁচালঙ্কা (৮-১০টি)।

যেভাবে রান্না করবেন

• প্রথমে ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে দিন। প্যান বা কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন। এবার অন্য একটি বাটিতে ইলিশ মাছের টুকরো, সর্ষে বাটা , পেঁয়াজ বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। এবার মসলায় মাখানো মাছের টুকরোগুলো ভাঁজা পেঁয়াজ দিয়ে কষিয়ে নিন।

• অন্য একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি ছেড়ে সামান্য জল দিয়ে নিন। এবার সব মসলা (হলুদ গুঁড়ো লঙ্কা গুঁড়ো গরম মসলার পাউডার, আদা বাটা, জিরার গুঁড়ো) দিয়ে একটু নেড়ে নিন। এরপর চাল ও ডাল দিয়ে দিন। একটু জল দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিন। মুগডালটা ভেজে একটু সেদ্ধ করে নিতে পারেন। আর আপনারা চাইলে আপনাদের পছন্দমতো যেকোনো ডাল (মসুর, মটর, মাষকলাই) দিয়ে এই রান্না করতে পারেন। ডাল-চাল কষে এলে ইলিশ মাছের টুকরোগুলো ঘি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। রান্না হয়ে এলে সবশেষে কাঁচালঙ্কা দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

প্রচন্ড গরমে শরীরে জলশূন্যতা ঠেকাতে খান তরমুজের সরবত

খোঁজখবর, ওয়েব ডেস্ক : ঘরে ও বাইরে প্রচণ্ড গরম। গরমের কারণে শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয়। শরীরে জলশূন্যতা পূরণে শরবত খেতে হবে। গরমে বিভিন্ন ধরনের শরবতও খেতে পারেন। স্বাদের পাশাপাশি এগুলো শরীরে প্রশান্তিও এনে দেবে।

মৌসুমি ফল হিসেবে বেশ চাহিদা রয়েছে তরমুজের। তরমুজ রসে ভরপুর সুস্বাদু একটি ফল। এর ভেতরের অংশ টকটকে লাল। যা অত্যন্ত লোভনীয়। তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ফল। এর পুষ্টিগুণ ভাণ্ডারও বেশ সমৃদ্ধ।

সর্দি-কাশি, জ্বর এবং ইউরিনের সমস্যায় তরমুজের জুড়ি নেই। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তরমুজ উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে। তরমুজ প্রচুর পরিমাণে লাইকোপেন সমৃদ্ধ। যা কিনা ব্রেস্ট ক্যান্সার এবং প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

গরমে খেতে পারেন তরমুজের শরবত। আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন তরমুজের শরবত।

উপকরণ

তরমুজ টুকরো ২ কাপ, আদা কুচি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা ৪-৫টি, চিনি পরিমাণমতো, লবণ স্বাদমতো, জল ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি

সব উপকরণ ব্লেন্ডারে ঢেলে ব্লেন্ড করে নিন। ছেঁকে শরবতটি ফ্রিজে রেখে দিন। পরিবেশনের সময় বরফ কুচি ও তাজা পুদিনা পাতা দিয়ে গার্নিস করে পরিবেশন করুন।

ঘরেই বানান সুস্বাদু মজাদার রাবড়ি

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : সাহিত্যিক শিবরাম চক্রবর্তী বলতেন নেশা করলে রাবড়ির নেশাই করা ভালো। রাবড়ি ভালোবাসেন না এমন মানুষ কমই আছেন। রাবড়‌ি সুস্বাদু ও সাস্থ্যকর একট‌ি ডেজার্ট । ছ‌োট বড় সব বয়সের সবার পছন্দ‌ের শীর্ষ‌ে এই ডেজার্ট। আসুন শিখে নেওয়া যাক কি ভাবে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলবেন সুস্বাদু রাবড়ি।

উপকরণ

তরল দুধ – ১.৫লিটার

কর্ণফ্লাওয়ার – ১/২ ট‌েবিল চামচ

চিনি – স্বাদমতো

এলাচ গুড়ো – ১ চা চামচ

পেস্তাবাদাম, কাঠবাদাম

প্রস্তুত প্রণালী

একটি পাত্রে দুধটুকু ঢেলে নিতে হবে। তাতে এলাচ গুড়ো দিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। দুধে সর আসলে পাত্রের চারপাশে দুধের সর গুলো উঠিয়ে পাত্রের কিনারাতে তুলে রাতে হবে।

এভাবে দুধ অর্ধেকটা হয়ে যাওয়া পর্যন্ত দুধের সর পাত্রের পাশে তুলে রাখতে হবে। দুধ যখন অর্ধেক হবে তখন আলাদা একটি বাটিতে একটু ঠান্ডা দুধে কর্নফ্লাওয়ার ম‌িশিয়‌ে পাত্রের দুধে দিয়ে দিতে হবে। তারপর স্বাদমত চিনি দিয়ে নাড়তে হবে। দুধ কিছুটা ঘন হয়ে আসলে আঁচ বন্ধ করে দিতে হবে। কারন ঠান্ডা হওয়ার পর আরও ঘন হয়ে যাবে। এখন পাত্রের পাশে জমানো দু‌ধের সর গুলো একটি চামচের সাহায্যে তুলে দুধের মাঝে দিয়ে একটু নেড়ে চেড়ে একটি বাটিতে ঢেলে নিতে হবে। ২-৩ ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। ফ্রিজ থেকে নামিয়ে পেস্তা ও কাঠবাদাম দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন সুস্বাদু মজাদার ডেজার্ট রাবড়ি ৷

স্বাদ বদলাতে পাতে থাকুক পাকা কলার লুচি !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : কলা মানে ইংরেজিতে যাকে বলি “বানানা” দিয়েও লুচি বানানো যায়? আলবাত যায়! চিরাচরিত লুচি খেতে খেতে যদি মুখটা পচে গিয়ে থাকে, তাহলে আজই ট্রাই করুন এই পদটি। পেটটাতো ভোরবেই, সেই সঙ্গে মনটাও ভরে যাবে খুশিতে। এই পদটি বানানো যেমন সোজা, তেমনি সময়ও লাগে খুব কম। তাহলে অপেক্ষা কিসের চলুন শিখে নেওয়া যাক অভিনব এই পদটি বানানো
উপকরণ: . কলা- ১ টা ২. এলাচ গুঁড়ো- হাফ চামচ ৩. চিনি- ২ চামচ ৪. দই- ১ চামচ ৫.ময়দা- দেড় কাপ ৬.জিরা বীজ- হাফ চামচ ৭. রান্নার সোডা- হাফ চামচ ৮. পরিমাণ মতো তেল

বানানোর পদ্ধতি: একটা মিক্সারে কলাটা টুকরো টুকরো করে দিয়ে দিন। এরপর মিক্সারে পরিমাণ মতো এলাচ গুঁড়ো, চিনি এবং দই দিয়ে ভাল করে উপকরণগুলি মেশান। এবার একটা বড় বাটিতে ময়দা নিন।. ময়দার সঙ্গে একে একে জিরা বীজ এবং রান্নার সোড মিশিয়ে ভালো করে ময়দাটা মাখুন। এবার আগে বানানো কলার মিশ্রনটি ময়দার মধ্য়ে দিয়ে ভালো করে ময়দাটা মাখুন। ময়দাটা তুলতুলে পিণ্ডের মতো হয়ে গেলে ৩০ মিনিট মতো সেটিকে রেখে দিন। . ৩০ মিনট হয়ে গেলে ময়দার পিণ্ডটি থেকে ময়দা নিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে ফেলুন। তারপর ময়দার বলগুলিকে বেলুন চাকি দিয়ে বেলে রুটির মতো সমান করে নিন। এবার সেগুলি গরম তেলে একে একে ভেজে নিন। লুচির দুদিকটাই যেন ভালো করে ভাজা হয়। কোনও দিক যেন কাঁচা থেকে না যায়।. যখন দেখবেন লুটির রং হালকা বাদামি হয়ে গেছে তখন কড়াই থেকে তুলে নিন। কলা দিয়ে বানানো মিষ্টি লুচি এবার তৈরি পরিবেশনের জন্য।

ফুলকো লুচির সঙ্গে কাবুলি ছোলার দোপেঁয়াজা দিয়ে জমিয়ে তুলুন রাতের আহার!

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : ডিনারে একঘেয়ে রুটি তরকারি খেতে কারই বা ভালো লাগে। তাই ফুলকো লুচির সঙ্গে কাবুলি ছোলার দোপেঁয়াজা দিয়ে জমিয়ে তুলুন রাতের আহার।
উপকরণ
লুচির জন্য
২০০ গ্রাম ময়দা
পরিমান মতো নুন
পরিমাণ মতো ভাজার জন্য তেল
কাবুলি ছোলার দোপেঁয়াজার জন্য
২০০গ্রাম ছোলা
৩টে পেঁয়াজ
৭ -৮ কোয়া রসুন
১” আদা
২টো টমেটো
১০০গ্রাম তেল
পরিমান মতো নুন এবং চিনি‌
পরিমান মতো হলুদ, লঙ্কা এবং জিরে গুঁড়ো
১/২চা চামচ কসুরি মেথি
১ টেবিল চামচ ধনেপাতা
পরিমান মতো গরম মসলা ফোড়নের ‌‌‌‌জন্য – শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ এবং লবঙ্গ

প্রণালী : ময়দা নুন ‌‌এবং তেল দিয়ে মেখে নিতে হবে। লেচি কেটে লুচি বেলে ভেজে নিতে হবে।

কাবুলি ছোলা আগের দিন রাতে ভিজিয়ে পরের দিন ‌‌‌সেদ্ধ করে নিলাম। কড়াইতে তেল দিয়ে শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, গরম মসলা ফোড়ন ‌‌এবং কুচোনো পেঁয়াজ দিয়ে ভেজে নিতে হবে । সামান্য নুন, চিনি‌, হলুদ, লন্কা গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, আদা- রসুন পেস্ট দিলাম।একটু নেড়ে চেড়ে টমেটো পেস্ট দিতে হবে।

তেল বেরিয়ে এলে সেদ্ধ করা ছোলা দিয়ে নাড়া চাড়া করতে হবে।বড় বড় কাটা পেঁয়াজ দিয়ে নাড়তে হবে ।এক কাপ জল দিয়ে ঢাকা দিতে হবে । মাখা মাখা হলে কসুরি মেথি দিতে হবে । নামানোর আগে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন । হয়ে গেল ফুলকো লুচি কাবলি ছোলার দোপেয়াজা সঙ্গে মিষ্টি বা বোঁদে।

রসনার তৃপ্তিতে ঘি ভাত !

খোঁজখবর, ওয়েডেস্ক : একঘেয়ে ডাল, ভাত তরকারি না খেয়ে মাঝেমাঝেই মন চায় একটু স্বাদ বদল। তাই ঘরেই বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘি ভাত।

উপকরন : ভাল পুরানো আতপ চাল এক কেজি। ভাল পুরানো না হলে ঘিভাত ধরনের রান্না করা যায় না। বাসমতি কিংবা গোবিন্দভোগ হলে ভাল। পেশোয়ারী আতপ হলে খুব ভাল। ঘি ২০০ গ্রাম। এখনকার দিনে বাদাম তেল রান্নার একটা অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদান। । তাই কোনো বিশেষ রান্না ছাড়া সব রান্নাতে সাদা তেলই ভাল। বর্তমানে স্বাস্থ্যের কারণে ঘি-এর বদলে এই সাদা তেলই…ঘি-এর কাজ চালানো হয়। খুব সামান্য হলুদ বাঙালির রান্নার একটি প্রধান মশলা। শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। রান্নার সময় হলুদ প্রথমের দিকেই দিতে হয়। ১০০ গ্রাম, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ছয় সাতটা, গরম মশলা (১০টা এলাচ, ১০টা লবঙ্গ সম পরিমাণ দারুচিনি )
জলের একটা মাপ আছে। ধোয়ার আগে চালটা ঠিক তিন ভাগে ভাগ করে একটা পাত্রে ভর্তি করুন। অর্থাৎ ঐ একের তিন ভাগ চাল যে পাত্রে ভর্তি হবে, সেই পাত্রের পাঁচ পাত্র জল আলাদা করে রাখুন।

প্রণালী – চাল ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। কাগজের উপর খানিকক্ষণ ছড়িয়ে রাখলে শুকিয়ে যাবে তাতে ভাল হয়। এবার ঐ চালে হলুদ বাঙালির রান্নার একটি প্রধান মশলা। শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। রান্নার সময় হলুদ প্রথমের দিকেই দিতে হয়। প্রথমে দিতে ভুলে গিয়ে নামানোর আগে মনে পড়ে গেল আর তখনই একটু হলুদ দিয়ে দিলাম সেটা খুব মুশকিলের কারণ তখন সব রান্নাটাই খারাপ হয়ে যায়। (যদি না দেন দিতে হবে না) পরিমাণ মতো নুন রান্নার প্রথমের দিকেই দেওয়া উচিত, আদা বাটা, গরম মশলার গুঁড়ো মেখে রাখুন।

যদি কিস্‌মিস্‌, কাজুবাদাম দেন তাহলে কিস্‌মিস্‌ ধুয়ে আর কাজুবাদাম কুচিয়ে রাখুন। কুকারে তেলতেল রান্নার একটা অবশ্য প্রয়োজনীয় উপাদানতাই কোনো বিশেষ রান্না ছাড়া সব রান্নাতে সাদা তেলই ভাল। বর্তমানে স্বাস্থ্যের কারণে ঘি-এর বদলে এই সাদা তেলই। তেজপাতা আর কাজু বাদাম কুচো ছাড়ুন। কাজুবাদাম একটু ভেজেই মশলা মাখানো চাল ছাড়ুন। একটুক্ষণ ভাজুন, চাল ভাজাভাজা হলে কিস্‌মিস্‌, চিনি জল গরম করে দিলে ভাল হয়। নেড়েচেড়ে কুকার বন্ধ করুন। স্টিম হওয়ার পর ঘড়ি দেখে তিন মিনিট গ্যাসে রেখে গ্যাস নিভিয়ে দিন। স্টিম হওয়ার এক মিনিট পরে আঁচ কমিয়ে দিন। পুরো ঠান্ডা হওয়ার আগে জোর করে খুলবেন না।

একবারে কোনো কুকারে এক কেজি চাল রান্না করা যায় না। তাই কম চাল নিয়ে পরিমাণ ঠিক করে নিতে হবে। আর যদি এক সঙ্গে হাঁড়িতে রাঁধেন তাহলে পাঁচ পাত্র জলের বদলে সাড়ে পাঁচ পাত্র জল দিতে হবে। চাল ঝরঝরে করে ঘিভাতের মতো রান্নার মূল পদ্ধতি একই রকম।

অভিনব শশার পরোটা !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: শশার পরোটা , একঘেয়ে নানা ধরনের পরোটা তো খেলেন একবার চেখে দেখুন এই অভিনব শশার পরোটা

উপকরণ
ময়দা মাখার উপকরণ
উপকরণ : পরিমান
1. ময়দা : ২৫০গ্রাম
2. লবণ : ১/২চামচ
3. ময়দা মাখার জন্য জল : ১/২গ্লাস
4. .তেল : ১-২চামচ
উপকরণ পুরের জন্য :
উপকরণ: পরিমান:
1. শশা : ১টি (বড়ো )
2. টমেটো : ১টি
3. পেঁয়াজ : ১টি
4. কাঁচা লঙ্কা : ২টি
5. আদা : ১/২”ইঞ্চি
6. ধনেপাতা : ১/২ বাটি
7. লাললঙ্কা গুঁড়া : ১/২চামচ
8. লবণ : স্বাদ অনুসারে
9. তেল : ৩-৪চামচ
প্রণালী :
শশার পরোটার পুরের জন্য :
শশা ও টমেটো কে ঘসে নিয়ে তার রস বার করে নিন ,তবে রসটা ফেলে দেবেন না ,রস ময়দা মাখতে ব্যবহার করুন ୲
পিঁয়াজ ,লঙ্কা ও ধনেপাতা মিহি করে কেটে শশা ও টমেটোর সঙ্গে মেশান ୲
স্বাদের জন্য লবণ মেশান ୲
ময়দা মাখার জন্য
ময়দাতে ১/৪চামচ লবণ ও ২চামচ ঘি মেশান
এবার শশা ও টমেটোর রস দিয়ে ময়দা মেখে নিন
.প্রয়োজন হলে জল মেশান নরম করে ময়দা মাখার জন্য
.চাপা দিয়ে ২০মিনিট রেখে দিন
পরোটা ভাজার জন্য
তাওয়া গরম করতে দিন আঁচ কমিয়ে ୲
ময়দা মাখা দিয়ে ৬টি সমান মাপের বল বানিয়ে নিন ୲
ময়দার বলকে ৫-৬ইঞ্চি মাপের রুটির মতো বেলে নিন ୲
পরোটার অর্ধেক ভাগে শশা ও টমেটোর মিশ্রণটি রেখে ভালো করে ছড়িয়ে দিন l
পরোটার বাকি অর্ধেক ভাগ দিয়ে ঢেকে দিন l
ভালো করে মুখ বন্দ করুন l
গরম তাওয়ায় পরোটা ভাজতে দিন l
পাল্টে পাল্টে দুই দিক ভেজে নিন l
দুই দিক ভাজা হলে ঘি মাখিয়ে কম আঁচে আবার ভেজে নিন l
এই ভাবে দুই দিক ভেজে নিন l
দুই দিক লাল করে ভাজুন l

ঈদ স্পেশাল সেমাইয়ের মালাই ক্ষীর

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : রাত পোহালেই ঈদ। সেমাই ছাড়া ঈদের আনন্দ যেন সম্পূর্ণতা পায়না। তাই আজ রইল ঈদ স্পেশাল সেমাইয়ের মালাই ক্ষীর।

সেমাইয়ের মালাই ক্ষীর–
উপকরণ:
দুধ-দেড় লিটার
চিনি-পরিমাণ মতো
মালাই-আধা কাপ
কাজু
কিশমিশ
পেস্তা
কাঠ বাদাম-আধা কাপ
সেমাই-এক কাপ
এলাচ
দারুচিনি-৬/৭
ঘি-২ টেবিল চামচ
জাফরান- সামান্য
প্রস্তুত প্রণালি:
সর্বপ্রথম বাদাম গুলো খোসা ছাড়িয়ে মোটা কুচি করে নিন। এরপর দেড় লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেকের কম পরিমাণ করে রাখুন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে গরম করুন। এলাচ দারুচিনি দিয়ে একটু ভাজুন। এবার বাদাম কুচি, কিশমিশ ও সেমাই দিয়ে দিন এবং মৃদু আঁচে হালকা ভাজুন। ঘ্রাণ ছাড়লেই ঘন দুধ দিয়ে দিন। সেমাই সিদ্ধ হয়ে আসার সাথে সাথে দুধ ঘন হয়ে আসবে। সেমাই সিদ্ধ হয়ে গেলে মালাই দিয়ে দিন; জাফরান দিন। এরপর ভালো করে মিশিয়ে ওভেন বন্ধ করে ফেলুন। ছোট ছোট বাটিতে এই ক্ষীর সাজান। এরপর ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে বাদাম ও কিশমিশ ছিটিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার সেমাইয়ের মালাই ক্ষীর।?

এই গরমে মজাদার কাঁচা আমের শরবত।

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: প্রচন্ড গরমে আইঢাই করছে শরীর, খাওয়াতেও রুচি নেই । এই সময়ে বেছে নিতে পারেন কাঁচা আমের শরবত। প্রাণ জুড়াতে কাঁচা আমের শরবতের জুড়ি নেই। হাতের কাছেই মিলছে কাঁচা আম। চাইলে সহজেই বাড়িতে তৈরি করতে পারেন কাঁচা আমের শরবত।
উপকরণ

কাঁচা আম: ৫-৬টি

জল : প্রয়োজনমতো

বিট লবণ: ১ চা চামচ

কাঁচালঙ্কা : ৫-৬টি

চিনি: স্বাদমতো

প্রণালি

কাঁচা আম খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারে জল, আম, বিট লবণ এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। চিনি মিশিয়ে মিষ্টির পরিমাণ ঠিক করে নিন। বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার কাঁচা আমের শরবত।

গরমের সুস্বাদু স্ন্যাক্স কাঁচা পেয়ারার চাট

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : গরমে ডিহাইড্রেশন দূরে রাখতে সবচেয়ে কার্যকর ফল হল পেয়ারা ৷ আর স্বাস্থ্যকর ফলের মধ্যে সবচেয়ে উপরে রয়েছে কাঁচা পেয়ারা৷ পেয়ারা যেমন ডিহাইড্রেশন দূর করে, তেমনই পেয়ারার ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৷

কী কী লাগবে

কাঁচা পেয়ারা-৬টা (টুকরো করে কাটা)

আপেল-আধ কাপ (টুকরো করে কাটা)

সিদ্ধ আলু-১/৪ কাপ (ডুমো করে কাটা)

নুন-স্বাদ মতো

লেবুর রস-২টো লেবুর

চিনি-১/৪ চা চামচ

কাঁচালঙ্কা-৪টে মিহি করে কুচনো

ধনেপাতা কুচি-১ চা চামচ

পুদিনা পাতা কুচি-১চা চামচ

কীভাবে বানাবেন

সব উপকরণ একসঙ্গে বাটিতে মেশান৷ ফ্রিজে রেখে দিন৷ ঠান্ডা ঠান্ডা খান কাঁচা পেয়ারার চাট৷