এক্সিটপোলে চাঙ্গা শেয়ারবাজার, চড়ল সেনসেক্স !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: রবিবার সপ্তম তথা শেষ দফার ভোট সমাপ্ত হবার পরেই প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে একের পর এক সংস্থার বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট। যাতে পরিষ্কার হয়ে যায় ফের একবার নিরঙ্কুশ ভাবে ক্ষমতায় আসতে চলেছে পদ্ম শিবির। এরপর সোমবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে চাঙ্গা হয়ে ওঠে নিফটি। সোমবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে ৯৫০ পয়েন্ট লাফ দিয়ে চড়ল সেনসেক্সের সূচক। বেড়েছে নিফটিও।

ক২০১৪ সালের মতোই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ । সাত দফার ভোট শেষে এক্সিট পোলে এমনই আভাস মিলেছে। তারপরই সোমবার সকালে বাজার খোলার পর বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স ৯৬২.১২ পয়েন্ট চড়ে ৩৮.৮৯২.৮৯-এর সূচক ছোঁয়।

২৮৬ পয়েন্ট চড়ে ১১,৬০০-র সূচক ছোঁয় নিফটি। দিনের শুরুতেই শেয়ারবাজারের এই লাফে বিনিয়োগকারীরা ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি লাভের মুখ দেখেছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সারাদিনই বাজার চাঙ্গা থাকবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বৃহস্পতিবার ভোটের ফলপ্রকাশ পর্যন্ত শেয়ারবাজারের এই ঊর্ধ্বগতি বজায় থাকবে।

দ্রুত পড়ছে জেট এয়ারওয়েজের শেয়ার !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : আর কোনওদিন উড়বে কি উড়বে না সেই আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার দুপুরে জেট এয়ারওয়েজের শেয়ার নামল ২৭.‌০৬ শতাংশ। ঋণের ভারে জর্জরিত জেট এয়ারওয়েজ বুধবার সন্ধ্যা থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের সব উড়ান চলাচল থামিয়ে দিয়েছে। এখন কোম্পানির মোট সম্পত্তির মূল্য হচ্ছে ১৮০৮ কোটি টাকা। এসবিআই নেতৃত্বাধীন ব্যাঙ্কগুলির কনসর্টিয়াম যখন সাফ জানিয়ে দেয় তারা জেটকে আর কোনও ঋণ দিতে পারবে না তারপরই বুধবার সন্ধ্যায় সব উড়ান বন্ধ করে দেয়। কনসর্টিয়াম বৃহস্পতিবার সকালে বিবৃতি দিয়ে বলেছে, তারা কিছুটা আশাবাদী জেটের নিলাম প্রক্রিয়া সফল হবে। কোম্পানির লগ্নিকারীদের নিলামপত্র দেওয়া হবে। স্বচ্ছভাবেই এই নিলামের ব্যবস্থা করা হবে। জেটকে বাঁচাতে এটাই সেরা উপায় বলে মনে করছে ঋণদাতা ব্যাঙ্কগুলির কনসর্টিয়াম। গত ১৬ তারিখই নিলামের নথিতথ্যইস্যু করা হয়েছে। ৮৩৫০ কোটি টাকার ঋণের বোঝায় ধুঁকছে জেট এয়ারওয়েজ।

গুগুলকে জরিমানা!

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ একচেটিয়া বাজারের সুযোগ নিয়ে প্রতিযোগিতার নিয়ম ভাঙার অভিযোগে বুধবার গুগুলকে ১৭০ কোটি ডলার-এর জরিমানা করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন যা ভারতীয় মুদ্রায় ১১,৯৩৪ কোটি টাকা। ইইউ-র কম্পিটিশন কমিশনার মারগ্রেথ ভেস্টাগের জানিয়েছেন, অনৈতিক ভাবে নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এই সার্চ ইঞ্জিন। তাই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। তাদের অভিযোগ, মোবাইল ফোনের অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারের সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে প্রতিযোগী সংস্থাগুলির সমান সুযোগ দেয়নি গুগুল। নেট ব্যবহারকারী অনলাইনে কেনাকাটার বাজার খুঁজতে গেলে,  আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির এই সংস্থাটি নিজেদের পরিষেবাকেই প্রাধান্য দিয়েছে। যা অনলাইন পরিষেবার নীতি বিরুদ্ধ। ফলে বন্ধ হয়েছে প্রতিযোগীদের এগোবার পথ।

গুগ্‌ল জানিয়েছে, ক্রমবর্ধমান বাজারে স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রত্যেকের স্বার্থ রক্ষার পক্ষেই তারা। ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগীদের আরও বেশি প্রচারের আলোয় আনতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হবে।

ঋণ চাইল বিএসএনএল!

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিতে টেলিকম দফতরের কাছে গত সপ্তাহে ছাড়পত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বিএসএনএলের সিএমডি অনুপম শ্রীবাস্তব। সূত্রের খবর, তার ভিত্তিতে অন্তত তিনটি ব্যাঙ্কে প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকা ঋণের প্রস্তাব জমা দিয়েছেন তাঁরা। চলতি অর্থবর্ষের বকেয়া ও নতুন খরচ মেটাতে ওই ঋণ নিতে চায় রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থাটি। আপাতত নিজস্ব তহবিল থেকে কর্মী ও অফিসারদের ফেব্রুয়ারির বেতন মিটিয়েছে তারা। তবে ঠিকা কর্মীদের কয়েক মাসের বেতন বাকি। ওই খাতে খরচ কমানো নিয়ে আজ, বুধবার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ক্যালকাটা টেলিফোন্সের সিজিএম-সহ উচ্চ পদস্থ কর্তাদের।

আরও পড়ুন : BSNL-এর ক্ষতি ছাড়িয়েছে ৯০,০০০ কোটি

ভোটের সময় কালো টাকা রুখতে কড়া নজরদার!

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ  ভোটের সময় কালো টাকার ব্যবহার আটকাতে বিশেষ আয়কর দফতর প্রস্তুতি নিয়েছে। এ জন্য রাজ্যে প্রায় ২০০ জন আয়কর অফিসার ও কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়কর দফতরের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর আশিস বর্মা বলেন,  ভোটে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে নগদ লেনদেনে কড়া নজর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, রাজ্যের প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য অফিসার ও কর্মীদের আলাদা আলাদা দল গঠন করেছে আয়কর দফতর।’’

ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চালু থাকবে। পুরো ব্যবস্থাটি পরিচালিত হবে ডিরেক্টর জেনারেল অব ইনকাম ট্যাক্সের নেতৃত্বে। এর আওতায় ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে ৩ কোটি টাকা নগদ আটকও হয়েছে।

সাধারণ মানুষের থেকে সন্দেহজনক নগদ টাকার খরব পেতে টোল ফ্রি নম্বরও চালু করেছে আয়কর দফতর। সেটি হল: ১৮০০-৩৪৫-৫৫৪৪। এ ছাড়া দু’টি মোবাইল নম্বরের মাধ্যমেও খবর জানানো যাবে। নম্বর দু’টি হল: ৬২৮৯৭-০২৯২২ এবং ৬২৮৯৭-০৪১৪৬। বর্মা বলেন, যিনি খবর দেবেন, তাঁর নাম গোপন  রাখা হবে।

পরিষেবা বন্ধ, ১৮৯ মিলিয়ন টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ফেসবুককে

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ ১৪ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ সকাল পর্যন্ত হটাৎ ঠিকমত কাজ করা বন্ধ করে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। সারাদিন ধরে ফেসবুক, মেসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রামের পরিষেবা উপভোগ করতে পারেনি প্রায় গোটা বিশ্ব। তাতে বিজ্ঞাপন কোম্পানিগুলির প্রচুর পরিমান টাকার লোকসানও হয়। বিজ্ঞাপন বিক্রি করেই কোম্পানিগুলির ব্যবসা চলে। এই ভোগান্তির জন্য ফেসবুকে এই সমস্ত বিজ্ঞাপন দেওয়া কোম্পানিগুলির ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফেসবুক। আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হওয়া ১৮৯ মিলিয়ন টাকা ফেরত দিতে হবে।

BSNL-এর ক্ষতি ছাড়িয়েছে ৯০,০০০ কোটি

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক ঃ BSNL-এর লক্ষাধিক কর্মী ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পাননি। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন এই সংস্থায় এইভাবে বেতন বন্ধ হয়ে হয়ে গেল সেই নিয়ে শোরগোপল পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই উঠে এল সংস্থার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির চাঞ্চল্যকর তথ্য।

কোটাক ইন্সটিটিউশনাল ইকুইটিস নামক একটি সংস্থার সমীক্ষা বলছে, BSNL-এর ক্ষতি ৯০,০০০ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে গত ডিসেম্বরে। এই ক্ষতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেই ব্যাপারে আলোচনাও করছে কেন্দ্র।

রিপোর্ট বলছে, এই বিপুল ক্ষতির জন্যই কর্মীদের বেতন দিতে পারছে না সংস্থা। যদি এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে একটা বড় অংশের বোঝা সরকারকেই বইতে হবে। রিপোর্ট বলছে ২০০৮ অর্থবর্ষে শেষ লাভের মুখ দেখেছিল এই সংস্থা। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১৮ অর্থবর্ষের মধ্যে মোট ৮২,০০০ কোটি ক্ষতি হয়েছে সংস্থার। হিসেব বলছে ২০১৮-র ডিসেম্বরের মধ্যে সেই ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে ৯০,০০০ কোটি।

বাজারে আসছে নয়া ২০ টাকার কয়েন !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : ২০-র নতুন নোট আসছে বলে আগেই শোনা গিয়েছিল। এবার জানা গেল, নোট নয়, ২০-র কয়েন বাজারে আনছে রিজার্ভ ব্যাংক (RBI)। এর আগে ১০, ৫০, ১০০ এবং ৫০০-র নোট বাজারে ছাড়া হয়েছিল। চালু হয়েছে ২০০ এবং ২০০০-এর নোটও।

বুধবার নয়া ২০-র কয়েন নিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। একইসঙ্গে শিগগিরই ১,২,৫ এবং ১০-এর কয়েনও ছাড়া হবে। নয়া ২০-র কয়েনটির নকশা আলাদা হবে এবং এটি অন্য কয়েনগুলির মত গোলাকৃতির হবে না বলেও জানা গেছে।

শুধু তাই নয়, ৮.৫৪ গ্রামের এই কয়েন এই মুহূর্তে বাজারের সব কয়েনের থেকে ভারী হবে। কয়েনে হিন্দিতে ‘ভারত’ এবং ইংরেজিতে ‘ইন্ডিয়া’ লেখা থাকবে। কয়েনের উলটো পিঠে ভারতীয় রুপি সংকেত থাকবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে আরবিআই জানিয়েছিল, ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাজারে চালু ২০-র নোটের মোট সংখ্যা ছিল ৪৯২ কোটি।

ডাকঘরে সঞ্চয়ের সুলুকসন্ধান

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : সুন্দর স্বছল ভবিষ্যতের জন্য সকলেই চান স্বঞ্চয়। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় লগ্নির সত্যিই কোন বিকল্প নেই । দেখে নিন ডাকঘরে কিভাবে সমৃদ্ধ হবে আপনার সঞ্চয় ।

সাধারণ ডাক পরিষেবার পাশাপাশি দেশজুড়ে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্প এবং বিমা পরিষেবা দিয়ে থাকে ভারতীয় পোস্ট বা ডাক বিভাগ। ভারতীয় পোস্টের মোট ন’টি স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের মধ্যে রেকারিং ডিপোজিট বা আরডি অ্যাকাউন্টে বার্ষিক ৭.৩ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সঞ্চিত অর্থের ওপর সুদ নির্ধারণ করা হয়। এখানে পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরা হল:

নগদ এবং চেক উভয় ভাবে পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। এ জন্য ন্যুনতম ১০ বছর বয়স হলেই হলেই হয়। তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হলে অ্যাকাউন্টের চরিত্র বদলের জন্য আবেদন করা প্রয়োজন। রেকারিং ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রতি মাসে মাত্র ১০ টাকা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে লগ্নির কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই।

পোস্ট অফিস রেকারিং ডিপোজিট অ্যাকাউন্টের মেয়াদ ৫ বছর। প্রতি মাসে মাত্র ১০ লগ্নি করলে মেয়াদ শেষে ৭২৫.০৫ রিটার্ন পাওয়া যায়। খাতা চালুর ১ বছর পরে শর্তস্বাপেক্ষে অর্ধেক টাকা তুলে নেওয়া যায়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাসিক কিস্তির টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রতি ৫ টাকায় অ্যাকাউন্ড হোল্ডারকে ০.০৫ চাৰ্জ করা হয়।

বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ, কয়েক লক্ষ্য কর্মসংস্থান !

খোঁজখবর , ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে কর্মসংস্থানের নতুন দিশা। বিরোধীরা যখন বিগত ৪০ বছরে বেকারত্বের সর্বাধিক পরিসংখ্যানকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন মোদী সরকারকে তুলোধনা করছে তখন এই বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রায় আট থেকে দশ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে যে পরিমাণ বিনিয়োগ এসেছে, তাতে আগামী দিনে প্রায় আট থেকে দশ লক্ষ চাকরি তৈরি হতে পারে এ রাজ্যে। সম্মেলনের সমাপ্তি ভাষণে এমনই বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী দিনে বাংলাকে আরও শিল্পবান্ধব করাই তাঁর সরকারের লক্ষ্য।

বাণিজ্য সম্মেলনের সাফল্যে দৃশ্যতই খুশি মমতা বলেব , এ বছরের সম্মেলনে ৮৬টি নতুন মউ চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। মোট বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ২৮৮ কোটি টাকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে অন্তত আট থেকে দশ লক্ষ নতুন চাকরির আশা করা যায়।

রাজ্যের নতুন প্রজন্মের জন্য আরও সুখবর জানিয়ে মমতা বলেন, রাজ্যে সিলিকন ভ্যালির আদলে তৈরি তথ্যপ্রযুক্তি হাবের দ্বিতীয় ভাগের জন্য আরও একশো একর জমি দেওয়া হয়েছে। সেখানে কগনিজ্যান্ট, ক্যাপজেমিনি, টেক মহিন্দ্রা, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের মতো সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠান জায়গা চেয়ে আবেদন করেছে।

বাণিজ্য সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশ, বিদেশের শিল্পপতি এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের আগামী বছরও বাণিজ্য সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আগাম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখেন মমতা। অতিথিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি। মমতা বলেন, ‘‘আপনারা সত্যিই বাংলাকে ভালবাসেন, ভারতকে ভালবাসেন। আগামী বছর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বা ফেব্রুয়ারিতে ফের বাণিজ্য সম্মেলন হবে। ভবিষ্যতে ভারত বাংলাকে অনুসরণ করবে।’’