‘বিজ্ঞান, নতুন ভারতের জন্য’ : ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব ২০১৭

    0
    523

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশকে সঙ্গে করে ভারত উন্নয়নের ক্ষেত্রে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। মঙ্গল গ্রহে প্রথম পা রাখার জন্যও ভারতের বিজ্ঞান সাধনা নানা দিক থেকে প্রশংসনীয়। ভারতের একদিকে যেমন রয়েছে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে তেমনই রয়েছে অনন্য সুযোগসুবিধা। চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে মূলতঃ বিশুদ্ধ জল ও জ্বালানি, খাদ্য ও পরিবেশ, জলবায়ু ও স্বাস্থ্য পরিচর্যা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে। স্টার্ট আপ উদ্যোগ এবং বিভিন্ন শিল্প প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে উদ্ভাবনে রূপান্তরিত করা নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ, এর মধ্য দিয়েই আগামী দশকগুলিতে এক অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরন্তর বিকাশের পথে জয়যাত্রা শুরু করতে পারবে ভারত। এর লক্ষ্য পূরণ অবশ্যই সম্ভব যদি জনসাধারণের মধ্যে গড়ে ওঠে বৈজ্ঞানিক মানসিকতা এবং ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলি হয়ে ওঠে আরও শক্তিশালী। এর সঙ্গে প্রসার ঘটানো প্রয়োজন প্রাথমিক গবেষণা প্রচেষ্টারও।প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে তুলে ধরতে ২০১০-২০ – এই সময়কালকে ‘উদ্ভাবনের দশক’ বলে ভারত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক, ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রক এবং বিজ্ঞান ভারতী যুক্তভাবে আয়োজন করে চলেছে ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব।সাধারণ মানুষের মনে বিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে ২০১৫ সালে এর সূচনা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের বহু বছরের সাধনা ও অবদানকে মূর্ত করে তোলাও এই বিজ্ঞান উৎসব আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর আগের দুটি বছরে নয়াদিল্লিতে ভারতের যে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার সাফল্য কল্পনাতীত।ভারতের তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এ বছরের ১৩ থেকে ১৬ অক্টোবর চেন্নাইতে। আন্না বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় চর্ম গবেষণা প্রতিষ্ঠান (সিএলআরআই), স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ সেন্টার (এসইআরসি), জাতীয় মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান (এনআইওটি) এবং আইআইআইটি মাদ্রাজে আয়োজিত হবে উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিকে সঙ্গী করে গ্রাম ভারতের উন্নয়ন কৌশল রচনা করাও এই উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য। এছাড়া, উদ্ভাবনকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানো এবং সুলভ প্রযুক্তির উদ্ভাবনও উৎসবের আরও দুটি দিক।এবারের উৎসবে যে বিষয়গুলির ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে তার মধ্যে রয়েছে– গভীর সমুদ্র এলাকায় গবেষণা প্রচেষ্টা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীদের আলোচনা মঞ্চ, প্রধান প্রধান বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি সম্পর্কে দেশের যুব সমাজকে অবহিত করে তোলা, সংসদ থেকে পঞ্চায়েত পর্যায়ে ‘বিজ্ঞান গ্রাম ভাবনা’র প্রসার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতের রূপান্তর প্রচেষ্টায় সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা সম্পর্কে জাতীয় বৈঠক, মহিলা বিজ্ঞানী ও শিল্পোদ্যোগীদের মিলন মঞ্চ, জাতীয় বিজ্ঞান শিক্ষকদের কর্মশালা (উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির দিকে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য), শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে আলোচনাপর্ব, বৃহদাকারের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও শিল্প প্রদর্শনী, ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত, তৃণমূল পর্যায়ে উদ্ভাবন প্রচেষ্টার জন্য বিশেষ বৈঠক, জাতীয় স্টার্ট আপ উদ্যোগ সম্পর্কিত আলোচনা-বৈঠক, গণযোগাযোগ ব্যবস্থার প্রসার সম্পর্কিত গোল টেবিল বৈঠক ইত্যাদি। এছাড়াও, জীববিজ্ঞান প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা, ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে নতুন ধরনের চিন্তাভাবনাকে উৎসাহদানের জন্য জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজন, উন্নয়ন ও গবেষণা সম্পর্কিত পরীক্ষাগারগুলিতে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচি, উপগ্রহ মারফৎ আলোচনাচক্র, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি ইত্যাদিরও ব্যবস্থা থাকবে এবারের বিজ্ঞান উৎসবের কর্মসূচিতে।গভীর সমুদ্রে গবেষণা প্রচেষ্টায় উৎসাহদানের লক্ষ্যে এক জাতীয় কর্মসূচির সূচনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মাধ্যমে জল, জ্বালানি শক্তি এবং খনিজ পদার্থের মতো সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে প্রভূত অর্থনৈতিক সুফল আহরণের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর সমুদ্রে গবেষণা সম্পর্কিত এক বিশেষ আলোচনাপর্বও অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিজ্ঞান উৎসবে।দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রসারের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যেতে আগ্রহী কেন্দ্রীয় সরকার। বিশ্বের ৪৪টিরও বেশি দেশের সঙ্গে গবেষণা ও উন্নয়ন প্রচেষ্টা সম্পর্কে সহযোগিতার সূত্রে বর্তমানে আবদ্ধ রয়েছে ভারত। এই দেশগুলির মধ্যে একদিকে যেমন রয়েছে উন্নত বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র, তেমনই অন্যদিকে রয়েছে বিকাশশীল বিভিন্ন জাতি। এবারের বিজ্ঞান উৎসবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীদের যে মঞ্চটি গড়ে তোলা হচ্ছে সেখানে অংশগ্রহণকারী দেশগুলির সামনে তুলে ধরা হবে এক বিশেষ সুযোগ যাতে তারা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরস্পরের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ে মিলিত হতে পারে। এই আলোচনা থেকে যে নির্দেশিকা বা রূপরেখার হদিশ পাওয়া যাবে, তাকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত দপ্তরগুলির। ফেলোশিপ প্রদান, ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করা, প্রশিক্ষণ পরিসংখ্যানগত তথ্য বিনিময়, যৌথ প্রচেষ্টায় প্রকল্প রূপায়ণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়গুলিতে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে আলোচনার এই মঞ্চটিতে। সামাজিক সমস্যা নিরসনে সুলভ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে উন্নয়ন প্রচেষ্টায় উদ্যোগী হতে পারবে তারা। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল এবং পর্তুগালের মন্ত্রীরা এই আলোচনার মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।‘বিজ্ঞান, নতুন ভারতের জন্য’ – এই বিষয়টিকে নির্বাচন করার মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ ছাত্রছাত্রী, বিজ্ঞানী এবং প্রযুক্তিবিদদের স্বচ্ছ ভারত অভিযান, স্বাস্থ্য ভারত অভিযান, মেক ইন ইন্ডিয়া, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, স্মার্ট ভিলেজ, স্মার্ট সিটিজ, নমামি গঙ্গে, উন্নত ভারত অভিযান সহ প্রধান প্রধান সরকারি কর্মসূচিগুলির আলোকে জ্ঞান ও চিন্তাভাবনার বিনিময়।এবারের বিজ্ঞান উৎসবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হল ‘বিজ্ঞান গ্রাম’ সম্পর্কে নতুন নতুন চিন্তাভাবনার প্রসার। ‘প্রধানমন্ত্রী সাংসদ আদর্শ গ্রাম যোজনা’র সঙ্গে এই কর্মসূচিটি সম্পর্কিত। এর লক্ষ্য হল, গ্রামীণ জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞান ভাবনার সার্বিক প্রসার ঘটানো। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষত, গ্রাম ভারতে রয়েছে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা। তার বৈজ্ঞানিক সমাধানের পথ দেখাতে পারে ‘বিজ্ঞান গ্রাম’ সম্পর্কে নতুন নতুন চিন্তাভাবনা। প্রত্যেক সাংসদ তাঁর দত্তক নেওয়া গ্রামটি থেকে নবম, দশম ও একাদশ শ্রেণীর পাঁচজন ছাত্রছাত্রী এবং একজন শিক্ষককে এজন্য মনোনীত করবেন। আর এইভাবেই ‘বিজ্ঞান গ্রাম’ সম্পর্কে আলোচনার মঞ্চটি হয়ে উঠবে গ্রাম ভারতেরই এক সার্থক প্রতিচ্ছবি। ‘সংসদ থেকে পঞ্চায়েত’ পর্যায়ে বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার প্রসার ঘটাতে আলোচনার এই মঞ্চটি যে নানাভাবে সাহায্য করবে, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। একইসঙ্গে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের প্রচেষ্টা ও সাফল্য সম্পর্কেও অবহিত হতে পারবেন গ্রামের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবের আরেকটি অনন্য কর্মসূচি হল মহিলা বিজ্ঞানী ও শিল্পোদ্যোগীদের এক বিশেষ আলোচনা মঞ্চ। এই মঞ্চটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘নতুন ভারত গঠনের লক্ষ্যে বিজ্ঞানকে আশ্রয় করে যাঁরা পরিবর্তন সম্ভব করে তুলতে আগ্রহী।’ এর উদ্দেশ্য হল, মহিলাদের মধ্যে বিজ্ঞান শিক্ষা এবং শিল্পোদ্যোগ প্রচেষ্টাকে নানাভাবে উৎসাহ যোগানো। নতুন নতুন শিল্পোদ্যোগী গড়ে তোলা এবং মহিলাদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্ভাবনার নতুন নতুন সুযোগের অন্বেষণ করা এই কর্মসূচির এক বিশেষ লক্ষ্য।শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির আলোচনা ও মতবিনিময়ের লক্ষ্যেও এক বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে এবারের উৎসবে। উৎপাদন ও নির্মাণ প্রচেষ্টায় এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞান ও গবেষণা ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে শিল্প সংস্থাগুলির মেলবন্ধন ঘটানো সম্ভব এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে। শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে যে সমস্ত উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, সে সম্পর্কে একদিকে যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সচেতন করে তোলা হবে, অন্যদিকে তেমনই এই ধারা বা প্রবণতাকে অনুসরণ করে নতুন নতুন উদ্ভাবন পদ্ধতির সন্ধান দিতে পারবে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি।উৎসবে উদ্ভাবন সম্পর্কিত প্রদর্শনীর আয়োজন করবে জাতীয় উদ্ভাবন ফাউন্ডেশন (এনআইএফ)। তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবন প্রচেষ্টাকে তুলে ধরাই এই প্রদর্শনীর অন্যতম উদ্দেশ্য। ছাত্রছাত্রী, গবেষক, নীতি রচয়িতা এবং উদ্ভাবক – সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি সাধারণ মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে সাহায্য করবে এই প্রদর্শনী মঞ্চটি। এখানে প্রদর্শিত হবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১০০টির মতো নতুন উদ্ভাবন প্রযুক্তি। এমনকি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকারী উদ্ভাবন প্রচেষ্টার ওপরও আলোকপাত করার চেষ্টা করা হবে এই বিশেষ কর্মসূচিটির মাধ্যমে।জনসাধারণের মধ্যে যোগাযোগের প্রসারে যে গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হবে, সেখানে বিজ্ঞান ও তার প্রয়োগকে জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে নানা ধরনের পদ্ধতি ও কৃৎকৌশলের ওপর আলোকপাত করা হবে। অন্যদিকে, উৎসবের একটি অঙ্গ হিসেবে যে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হবে সেখানে দেখানো হবে ভারত ও অন্যান্য দেশের বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান ভাবনা সম্পর্কে নানা ধরনের ছায়াছবি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৫-তে অনুষ্ঠিত ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসবে ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞান ভাবনা ও গবেষণা প্রচেষ্টা সাফল্যের সঙ্গেই এক বিশেষ স্থান অধিকার করে গিনেজ বিশ্ব রেকর্ডে। অন্যদিকে ২০১৬-তে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সাজে সজ্জিত ব্যক্তিদের নিয়ে এক বৃহত্তম সমাবেশ হিসেবে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করে ভারতের ৫৫০ জন ছাত্রছাত্রীর একটি দল। এবারের ভারত উৎসবে বৃহত্তম জীব বিজ্ঞান শিক্ষা মঞ্চটির মাধ্যমে এক বিশ্ব রেকর্ড স্থাপনের চেষ্টা চালানো হবে। এই লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নবম ও দশম শ্রেণীর এক হাজার জন ছাত্রছাত্রী সমবেত হবে চেন্নাইয়ের নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানস্থলে।প্রসঙ্গত মনে রাখতে হবে যে ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব শুধুমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এক বিশেষ উদযাপন মাত্র নয়, বরং তা স্বচ্ছ ভারত অভিযান, স্বাস্থ্য ভারত অভিযান, মেক ইন ইন্ডিয়া এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মতো প্রধান প্রধান সরকারি কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা প্রসারের এক বিশেষ বিজ্ঞানমনস্ক উদ্যোগ।ভারতের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান উৎসব, ২০১৭-তে অংশগ্রহণ করবেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি সহ বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও।সাধারণ মানুষের মধ্যে অনুসন্ধিৎসা জাগিয়ে তোলার কাজে এই উৎসব যে এক সফল ভূমিকা পালন করতে চলেছে একথা বোধহয় সন্দেহাতীতভাবেই বলা যায়।

    LEAVE A REPLY