কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুদের জন্য প্রকল্প

    0
    58

    রক্তাল্পতা এবং অপুষ্ঠি হল বহুমাত্রিক, নানা দিকের এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সমস্যা। গর্ভবতী মহিলাদের অপুষ্টি কম ওজন সহ শিশু জন্মের প্রধান কারণ। ২০১৩-১৪ সালে শিশুদের ওপর চালানো এক দ্রুত সমীক্ষায় দেখা গেছে যে মোট সদ্যোজাত মোট শিশুদের ১৮.৬ শতাংশই ২.৫ কিলোগ্রামের কম ওজন নিয়ে জন্মায়।নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রক আইসিডিএস প্রকল্পের আওতায় অঙ্গনওয়াড়ি পরিষেবা রূপায়ণ করছে যাতে করে, গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের পরিপূরক পুষ্টি যোগানো যায়, আর তার মাধ্যমে তাঁদের আহারের ক্ষেত্রে পুষ্টিগত ব্যবধানটা দূর করা চলে।জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ও তার আওতায় থাকা বংশবিস্তার ও শিশু স্বাস্থ্য কর্মসূচি অনুসারে সব গর্ভবতী মহিলার জন্যই নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন :রক্তাল্পতা এবং আয়রন ফলিক অ্যাসিডের অভাব পূরণ করার জন্য গর্ভবতী মহিলাদের সার্বিক বাছাইয়ের ব্যবস্থা;গর্ভাবস্থায় ক্যালশিয়াম;গর্ভাবস্থায় কৃমি দূর করা;দেহের ওজন বা ভারের দিকে নজর রাখা;পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা এবং রোগ নিবারণের জন্য পরামর্শদান;জননী শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম-এর আওতায় ভারত সরকার প্রসবকালে গর্ভবতী মহিলারা সরকারি স্বাস্থ্য টেন্টে থাকলে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করে থাকে;‘জাতীয় আয়রন প্লাস’ প্রয়াসের আওতায়আয়রন ফলিক অ্যাসিডের অভাব দূর করা এবং রক্তাল্পতার চিকিৎসা জীবনচক্র দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করে শিশু, কিশোর, জনন ক্ষমতা-বিশিষ্ট মহিলা, গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মহিলাদের যোগানোর ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে;আইইসি ও বিসিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে আহারগত বৈচিত্র্য দূর করে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার যোগানোর ব্যবস্থা করা হয় যাতে আয়রন শোষণ বাড়ে।রাজ্যসভায় আজ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী চৌবে এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান।

    LEAVE A REPLY