বিড়ম্বনার ভয়, বাতিল মুকুলের হাতে যোগদান

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- হালিশহর এবং কাঁচরাপাড়ার যে কাউন্সিলরেরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁরা ফিরে গিয়েছেন পুরনো দলে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের তিন তৃণমূল সদস্যও বিজেপি ঘুরে ফের আগের দলে যোগ দিয়েছেন। এই আবহে রবিবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপির নতুন কার্যালয়ে (রাজ্য দফতর নয়) অন্য দল থেকে যোগদান কর্মসূচি বাতিল করতে হল মুকুল রায়কে। বিজেপি সূত্রের খবর, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নির্দেশেই মুকুলবাবু ওই কর্মসূচি বাতিল করেন।মুকুলবাবুর অবশ্য দাবি, ‘‘আমার সঙ্গে এ বিষয়ে দিলীপবাবুর কোনও কথা হয়নি। আমার শরীরটা একটু খারাপ হয়েছে। জ্বর এসেছে, সুগার বে়ড়েছে। তাই আজ ওই কর্মসূচিতে যেতে পারিনি।’’ যদিও এই বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে দিলীপবাবু বলেছেন, ‘‘হেস্টিংসে যোগদান কর্মসূচির কথা শুনে আমি বলেছি, যোগদান জেলা নেতৃত্বকে জানিয়ে জেলা কার্যালয়ে করা উচিত। রাজ্য স্তরের কেউ হলে প্রদেশ দফতরে যোগদান করানো উচিত।হেস্টিংসে কেন হবে?’’

ভাসছে উত্তর,গরমে জেরবার দক্ষিণ

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- আপাতত বৃষ্টির কোনও দেখা নেই দক্ষিণবঙ্গে। তেমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে সর্বাধিক আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯১ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে কোনও বৃষ্টিপাত হয়নি।

এক দিকে যখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির আকাল, তখন উত্তরবঙ্গ ভাসছে। তিস্তা, তোর্সা সহ পাহাড়ি নদীগুলিতে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে জলস্তর। আগামী দু’দিন একই রকম ভাবে বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে ঘাটতি মিটেছে ঠিকই, কিন্তু অনবরত বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন। পুরোনো তথ্য ঘেঁটে আবহবিদরা জানাচ্ছেন, জুলাই মাসে পারদের এমন উত্থান গত দশ বছরে দেখেনি কলকাতা। দুশ্চিন্তার বিষয় হল, এ দিনও বৃষ্টিবাদলার জোরদার কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে। তাপমাত্রা থাকবে ৩৬-৩৭ ডিগ্রির আশপাশেই।

বাড়তে চলেছে সিনেমা হলের টিকিটের দাম

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- হলে গিয়ে সিনেমা দেখার খরচ বাড়তে চলেছে। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে যেখানে সিনেমা হলগুলিকে টিকিটের উপর সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি জারি হলে, সিনেমা হলে টিকিটের দাম ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা অবধি বাড়তে পারে।
বর্তমানে এ রাজ্যে টিকিট পিছু সর্বোচ্চ ৩ টাকা সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয়। ওই সার্ভিস চার্জের টাকা হলের রক্ষণাবেক্ষণ, সিনেমা হলের কর্মীদের উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে খরচ করার কথা। দু’বছর আগে গোটা দেশে জিএসটি ব্যবস্থা শুরুর পর সার্ভিস চার্জ নেওয়া নিয়ে ধন্দ দেখা দেয়। হল মালিকরা সার্ভিস চার্জ বাড়িয়ে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা করার দাবি জানান। রাজ্য সরকারের থেকে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ পেলে তবেই হল মালিকরা দর্শকদের থেকে সার্ভিস চার্জ নিতে পারেন। কিন্তু, রাজ্য সরকারের সঙ্গে হল মালিকদের দু’দফায় বৈঠক হলেও সমাধানসূত্র অধরাই ছিল। ফলে, ১৯ জুলাই থেকে সিনেমা হল বন্ধ রাখার হুমকি দেয় রাজ্যের সিনেমা হলগুলির সংগঠন ইমপা।বৃহস্পতিবার সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সিনেমা হল বা মাল্টিপ্লেক্সের মালিক/প্রোপ্রাইটাররা সিনেমার টিকিটের উপর সরকার নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ নিলে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি থাকবে না। এই বিষয়ে শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।তবে, সার্ভিস চার্জ নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হতে পারে। যেমন, প্রতিটি টিকিটে সার্ভিস চার্জ আলাদা করে ছাপাতে হবে, সার্ভিস চার্জের উপর আলাদা জিএসটি দিতে হবে এবং এই খাতে আদায় করা অর্থ সিনেমা হল/মাল্টিপ্লেক্সের রক্ষণাবেক্ষণ/উন্নয়ন এবং সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করতে হবে। দর্শকদের উন্নত পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের উন্নতিকল্পেও এই অর্থ ব্যয় করতে হবে।

দিশাহীন বাজেট-সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদী সরকারের বাজেটকে সম্পূর্ণ দিশাহীন বলে কটাক্ষ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটের ফলে বাড়বে জিনিসপত্রের দাম। ট্যুইট করে মোদী সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এটাই নির্বাচনের পুরস্কার। টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন,’বাজেট সর্বৈব দিশাহীন। বেলাইন বাজেট। পেট্রোল ও ডিজেলে শুধু আমদানি সেসই নয়, শুল্কও চাপানো হয়েছে। এর জেরে প্রতি লিটারে পেট্রোলের দাম বাড়বে ২.৫০ টাকা। ২.৩০ টাকা দাম বাড়বে লিটারপিছু ডিজেলের’। শুধু তাই নয়, ট্যুইটে তিনি আরও লিখেছেন, ‘পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহণ খরচ বাড়বে। তার ফলে বৃদ্ধি পাবে শাক-সবজির দাম। ভোগান্তি হবে সাধারণ মানুষের।’

অপরদিকে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম বলেন, ‘এটি এমন একটি বাজেট, যা কোনও শ্রেণির মানুষেরই কাজে আসবে না। করের বোঝা বাড়বে মানুষের ওপর।’
তবে আরও বেশি আক্রমণাত্মকভাবে আক্রমণ করেছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র সরকার নতুন ভারতের কথা বলছে, অথচ এই বাজেট নতুন বোতলে পুরনো ওয়াইন। কিছুই নতুন নেই। এমনকী নতুন উদ্যোগ বা কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি নিয়েও কিছু বলা হয়নি।’ কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘এই বাজেট আসলে বাসন আছে, রেশন নেই ধরণের।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই বাজেটে যুবক–যুবতীদের কর্মসংস্থানের কোনও উল্লেখ নেই। মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ে সুদ বাড়ার কোনও কথা নেই। এই বাজেটের ফলে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। মানুষের অন্য অনেক সমস্যার মধ্যে এই বাজেট আরও একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াল।’

ভাতা বাড়ল মন্ত্রী ও বিধায়কদের

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- বাড়ানো হল মন্ত্রী এবং বিধায়কদের ভাতা। শুক্রবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন এই ভাতা বৃদ্ধির কথা। মন্ত্রীদের দৈনিক ভাতা ২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হল ৩ হাজার টাকা। আর বিধায়কদের দৈনিক ভাতা ১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হল ২ হাজার টাকা। তবে কংগ্রেস ও বামেরা এই ঘোষণাকে সর্বাংশে স্বাগত জানায়নি। দৈনিক ভাতা দেওয়ার প্রশ্নে মন্ত্রী এবং বিধায়কদের মধ্যে ফারাক থাকার বিরোধিতা করেছেন কংগ্রেসের মনোজ চক্রবর্তী। আর সিপিএমের সুজন চক্রবর্তীর দাবি, প্রাক্তন বিধায়কদের অনেকেই অর্থকষ্টের মধ্যে রয়েছেন, তাঁদের বিষয়টি আগে ভাবা জরুরি ছিল।এত দিন পর্যন্ত যে কাঠামো চালু ছিল, তাতে পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক মন্ত্রী (মুখ্যমন্ত্রী, পূর্ণমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী) দিনে ২ হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন। অর্থাৎ মাসে পেতেন ৬০ হাজার টাকা। এ বার দৈনিক ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করা হল। ফলে দৈনিক ভাতা বাবদ মাসে প্রত্যের মন্ত্রীই ৯০ হাজার টাকা করে পাবেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও ভাতা নেন না। যে বিধায়করা মন্ত্রী নন, তাঁদের দৈনিক ভাতার পরিমাণ এত দিন ছিল ১ হাজার টাকা। অর্থাৎ সাধারণ বিধায়করা দৈনিক ভাতা বাবদ মাসে পেতেন ৩০ হাজার টাকা। এ বার থেকে ওই খাতে তাঁরা পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে।

 

পুলিশ-নির্ভর না হয়ে ঝাঁপান, দলকে বার্তা মমতার

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- গত আট বছর সরকারে থেকে দলে যে ‘প্রশাসনিক মেদ’ জমেছে, এ বার তা ঝরিয়ে ফেলা জরুরি বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলকে তাঁর নির্দেশ, ‘‘১৯৯৮ সালে দল তৈরির সময় আমাদের সঙ্গে না ছিল পুলিশ, না ছিল প্রশাসন। তখন যে ভাবে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করে আমরা এগিয়েছিলাম, এখনও ঠিক সে ভাবেই পুলিশের উপর ভরসা না করে আমাদের নিজেদেরই নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’’বিরোধী ভাবমূর্তি মমতাকে সবসময় এগিয়ে দিয়েছে। আবার ক্ষমতায় আসার কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁর দলে দুর্নীতি-দাদাগিরি-সহ নানা অভিযোগ ক্রমাগত উঠছে। বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা কেলেঙ্কারির মতো বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগে সিবিআই তদন্ত চলছে দলের উপরতলার অনেক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। লোকসভা ভোটে তৃণমূল ধাক্কা খাওয়ার পরে দলের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে দলীয় প্রতিনিধিদের জীবনযাপনের মান বদলে যাওয়া, জনসংযোগ-বিচ্ছিন্ন হওয়া, ঔদ্ধত্য ইত্যাদি লক্ষণ সামনে আসতে শুরু করেছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী নিজে তোলাবাজির টাকা ফেরতের কথা বলায় আগুনে ঘি পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সবই যে ‘ক্ষমতা’ ভোগের পরিণাম, সেই অভিযোগও উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে।

জেলায় জেলায় কাটমানি বিক্ষোভে উদ্বেগে নবান্ন

খোঁজখবর,ওয়েবডেস্কঃগত ১৮ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কাটমানি ফেরতের দাবিতে ৩৮টি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। জেলা থেকে পুলিশ ডাইরেক্টরেটে এমনই রিপোর্ট জমা পড়েছে। তা জেনেছেন নবান্নের স্বরাষ্ট্র কর্তারাও। তার পরেও কাটমানি চেয়ে বিক্ষোভের ঘটনা এখনও থামছে না, বরং বাড়ছে এবং ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে চিন্তায় পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র দফতর।তবে রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ প্রতিদিনের ঘটনাগুলি জানিয়ে নবান্নকে সতর্ক করেছে। কিন্তু কী ভাবে এর মোকাবিলা করা হবে, তার কোনও দিশা সরকার জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে জানাতে পারেনি বলে নবান্ন সূত্রের খবর। ফলে জেলায় জেলায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ চলছেই। পুলিশ জানাচ্ছে, গত ৯ দিনে ১০টি জেলায় কাটমানি-বিক্ষোভ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ হয়েছে হুগলি,বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানে। পুলিশের একাংশ জানাচ্ছেন, হুগলির তিনটি লোকসভা আসনের মধ্যে দু’টি এবারও তৃণমূল দখল করেছে। বীরভূমের দুটি এবং পূর্ব বর্ধমান আসনটিও তৃণমূল জিতেছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বলার পর  কাটমানি চেয়ে ক্ষোভ  সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে এই তিনটি জেলায়। নবান্নের শীর্ষ কর্তাদের মতে, ‘‘খুবই চিন্তার বিষয়। কারণ, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, নদিয়া, কোচবিহার, মালদহের মতো জেলায় বিজেপি জিতলেও কাটমানি বিক্ষোভ তুলনায় কম। যদি সংগঠিত ভাবে সেখানেও জনপ্রতিনিধিদের বাড়ি ঘেরাও করে টাকা ফেরত চাওয়া শুরু হয়, তা সামাল দেওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়াতে পারে।’’ 

 

মূক ও বধির শিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় পূর্ণতা পান প্রভু জগন্নাথ !

অর্পিতা লাহিড়ী 

 

মূক ও বধির প্রতিমা শিল্পী দিলীপ দলুই -এর হাতে পূর্ণতা পাচ্ছেন জগন্নাথ দেব। কয়েকদিন বাদেই রথে চড়ে মাসির বাড়ি যাবেন প্রভু জগন্নাথ , ভাই বলভদ্র এবং বোন সুভদ্রা তাই দিলীপের এখন ব্যাস্ততাও তুঙ্গে। , হাওড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি হবে দিলীপের হাতে গড়া এই মূর্তি।

রামরাজাতলা এলাকায় দিলীপের ছোট্ট কারখানা। প্রায় ১৫ বছর ধরে এই কাজ করছেন দিলীপ। বাবা সহদেব দলুই জানালেন নিছক উপার্জনের জন্য দিলীপ প্রতিমা বানাননা। অনেকটা সময় নিয়ে নিখুঁ ত ভাবে কাজ শেষ করেন। জন্ম থেকেই মূক -বধির এই সন্তানকে নিয়ে চিন্তায় ছিলেন সহদেব বাবু, তবে ছোট থেকেই ঠাকুর গড়ায় আশ্চর্য এক ঝোঁক। পাশের এক ঠাকুর গড়ার গোলা থেকে হাতে কলমে কাজ শিখে স্বনির্ভর দিলীপ। বাবা সহদেব দলুই আরো জানালেন ছেলে ঠাকুর গড়ে দাম-দস্তুর তিনিই করেন। তবে আগামী চৌঠা জুলাই যখন রথের রশিতে টান পড়বে তখন এই মূক- বধির শিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় জীবন্ত হবে প্রভু জগন্নাথের রথযাত্রা।

বাংলায় বিজেপি বৈঠক করতে চান মোদী

খোঁজখবর,ওয়েবডেস্কঃবাংলা থেকে জিতে আসা বিজেপি সাংসদদের উন্নয়নের পাঠ পড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী বিজেপির শীর্ষ সূত্রের মতে, চলতি সপ্তাহের গোড়াতেই বাংলার বিজেপি সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সময়ের অভাবে তা বাতিল হয়ে যায়। এর মধ্যেই মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেয়ো ভারত সফরে আসেন। সংসদের দুই সভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতাও ছিল। তার পরেই তাঁকে বিদেশে যেতে হয়। তাই দেশে ফেরার পর এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা 

অবশেষে সক্রিয় হতে চলেছে মৌসুমী বায়ু,দক্ষিণবঙ্গে আসতে চলেছে বর্ষা

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি দিতে বর্ষার আগমন হতে চলেছে এ বার দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, দু’এক দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হতে চলেছে। রবিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে।শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টির সম্ভাবনা হয়েছে। এ দিন সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও কয়েকদিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং ঝাড়গ্রামে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।আবহবিদরা জানান, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার ফলে অন্ধ্র এবং ওড়িশা উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণাবর্ত থেকে শক্তি অর্জন করে সক্রিয় হতে চলেছে মৌসুমী বায়ু। তার ফলে ওড়িশায় ভালই বৃষ্টি হবে। এ রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গেও এ বার বর্ষার বৃষ্টি শুরু হতে চলেছে।