শপিং-এ যেতে পার্টনারের আপত্তি?রইলো তাকে পটানোর কিছু টিপস

খোঁজ-খবর,ওয়েব-ডেস্কঃ- মনপ্রাণ ভরে শপিং করতে কে না ভালবাসে?কিন্তু একা একা শপিং-এ যেতে অনেকেই পছন্দ করেননা।দোকানে সাজানো রাশি রাশি জিনিস বা আলো ঝলমলে শপিং মল দেখলেই কি আপনার ইচ্ছা করে ঝাঁপিয়ে পরে জিনিস কিনি?কিন্তু নিজের পকেটে টান আবার আপনার কর্তাটিও সাথে শপিং-এ যেতে নারাজ?অনলাইনের যুগে তার শপিং সাজেশন ফ্লিপকার্ট বা আমাজন?তবে হাতে নিয়ে দেখে না কিনলে আপনার মন ভরে না? সমস্যাগুলো শুধু আপনার একার নয়,অনেকেরই।তাই আপনাদের মতোই কিছুজনের জন্য রইলো এই টিপস-

আগেভাগে প্ল্যান করুন: আপনি ঘুরে ঘুরে এ দোকান ও দোকানে নানারকম জিনিসপত্র দেখছেন আর উনি বোর হচ্ছেন! আসলে দ্রুত শপিং সেরে ফেলতে ভালো লাগে না, মনে হয় আর একটু দেখি! কিন্তু ওঁর সঙ্গে যেদিন শপিং করতে বেরোবেন, সেদিনটা একটু দ্রুত সারার চেষ্টা করুন। মনে মনে প্ল্যান করে নিন আপনার কী কী কেনার আছে আর কোথা থেকে কিনবেন। কেনাকাটার ব্যাপারটা পার্টনারের সঙ্গে বেরোনোর দিনগুলোতে তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে পারলে পরে আর উনি শপিংয়ে যেতে আপত্তি করবেন না বলেই মনে হয়।
শুধু নিজের জিনিস কিনবেন না: স্বার্থপরের মতো গোটা দিন জুড়ে কেবল নিজের জন্য শপিং করে গেলে চলবে না। ওঁর কী কী লাগবে সেটাও জিজ্ঞেস করে নিন, তার জিনিসপত্র কেনাতেও সময় দিন।
মাঝেমাঝে ব্রেক দরকার: একটানা ঘোরাঘুরি করলে একঘেয়েমি, বিরক্তি আসার আশঙ্কা প্রবল। অনেকক্ষণ ধরে কেনাকাটার প্ল্যান থাকলে মাঝেমাঝে রেস্তোরাঁ, কফিশপের বিরতি নিতেই হবে।
লঁজারি শপিং করুন: কেনাকাটা যে করতে ভালোবাসে না, তার কাছে ব্যাপারটা সত্যিই একঘেয়ে। আপনার স্বামীও যদি এই দলে পড়েন, তা হলে কেনাকাটার ব্যাপারে ওঁর আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে ওঁকে নিয়ে লঁজারি শপিংয়ে যেতে পারেন। একঘেয়েমি যে কিছুটা হলেও কাটবে, সেটা গ্যারান্টি দিয়েই বলা যায়।
শপিং ব্যাগ ভাগ করে নিন: সব ক’টা প্যাকেট পার্টনারের হাতেই চাপিয়ে দেবেন না যেন! প্যাকেটের ওজন বুঝে মোটামুটি সমানভাবে দু’জনে ভাগ করে নিন!