সম্পর্ক ভাঙার আগেই সাবধান হোন

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- যে কোনও সম্পর্কে ওঠা পড়া লেগেই থাকে, দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো এ কথাটা বিশেষ করে সত্যি! দাম্পত্য সম্পর্কে বা প্রেমের সম্পর্কে ঝগড়াঝাঁটি হয়, আবার একসময় ঠিকও হয়ে যায়। কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক যদি কখনও এমন তলানিতে গিয়ে ঠেকে যে সেখান থেকে উদ্ধারের কোনও সম্ভাবনাই নেই, তা হলে বড়ো সমস্যা। তাই সম্পর্কের অবনতি এই পর্যায়ে পৌঁছোনোর আগেই সাবধান হতে হবে। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিন আর বাঁচিয়ে তুলুন আপনার ভাঙতে বসা সম্পর্ককে।
১।আপনাদের জীবনে এমন একটা সময় নিশ্চয়ই ছিল যখন আপনারা প্রতিটি খুঁটিনাটি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করতেন, তাই না? ওই সময়টায় ফিরে যেতে চেষ্টা করুন। পরস্পরের সঙ্গে কথা বললে, পরস্পরের কথা মন দিয়ে শুনলে অনেক সমস্যারই সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। পুরোনো দিনগুলোর গল্প দিয়েই শুরু করুন না!
২।যে কোনও বিষয় নিয়েই আপনাদের মধ্যে তিক্ততা দেখা দিক না কেন, বারবার সে বিষয়টাকে খুঁড়ে বের করার দরকার নেই! বিশেষ করে আপনারা যখন সম্পর্কটাকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে চাইছেন, সে সময়ে পুরোনো তেতো প্রসঙ্গের অবতারণা গোটা ব্যাপারটাকে আবার এলোমেলো করে দিতে পারে। তাই পারতপক্ষে পুরোনো কথা তুলবেন না, সম্ভব হলে যে বিষয় নিয়ে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল সেটাই নির্মূল করার চেষ্টা করুন।
৩। প্রত্যেকটা দিন কখনও একরকম হয় না, সম্পর্কেরও ধরন বদলায়। তাই আপনার পার্টনার প্রথমদিকে আপনার সঙ্গে কেমনভাবে কথা বলতেন তা দিয়ে আজকের সম্পর্কটাকে বিচার করতে যাবেন না। এটা ঠিক যে, আজ আপনারা আগের তুলনায় পরস্পরের প্রতি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। কিন্তু সেই স্বাচ্ছন্দ্যকে যদি ‘টেকেন ফর গ্রান্টেড’ মনে হয়, তা হলে ভিতরে ভিতরে রাগ না পুষে খোলামেলা কথা বলুন।
৪। অনেক সময় আমরা কাছের মানুষদের ব্যাপারে খুব কঠোর মনোভাব দেখিয়ে ফেলি। এটা ঠিক নয়। সারাক্ষণ পার্টনারের ব্যবহার, আচরণ নিয়ে অভিযোগ না করে নিজেকে ওঁর জায়গায় রেখে দেখুন। নিজেদের সম্পর্কটাকে ইতিবাচক আলোয় দেখার চেষ্টা করুন, তাতে আপনাদেরই ভালো হবে!
৫।অফিসে বেরোনোর আগে ছোট্ট চুমু, একটু জড়িয়ে ধরা, হাতের উপর হাত রাখার মতো শরীরী কাজ সম্পর্কে নতুন জোয়ার এনে দিতে পারে। পরস্পরকে আদর করুন, যাতে শরীরে এনডরফিন হরমোন ক্ষরিত হয়। এই হরমোন আপনাদের দু’জনকেই খোশমেজাজে রাখবে, সুস্থ থাকবে আপনাদের সম্পর্কও।