পিঁপড়ের হাত থেকে বাঁচতে ঘরেই বানান এই স্প্রে

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- গরম বাড়লেই বাড়ে পিঁপড়ের উৎপাত।আসলে এই প্রচন্ড গরমে না ঘেমে বোধহয় কোনও মানুষই থাকতে পারেননি। তাই সকলকে ভালোবেসে ঘাম থেকেই বাড়িতে উপদ্রব করে পিঁপড়ে। পিঁপড়ের হাত থেকে খাবারকে রক্ষা করতে আপনি কত কিছুই স্প্রে করেন। লক্ষণ গন্ডি টানেন। কিন্তু সেই গন্ডি অতিক্রম করেই ভেতরে ঢুকে পড়ে পিঁপড়েরা। তার চেয়ে বরং বানিয়ে নিন এই স্প্রে।এতে যা যা লাগবে তা আপনার বাড়িতেই থাকে। একবার বানিয়ে দেখুন, কাজ হবে মন্ত্রের মতো।কারণ পিঁপড়েরা কোনও উগ্র গন্ধ সহ্য করতে পারে না। ফলে পিঁপড়ে পালিয়ে যাবেই।

এই স্প্রে বানাতে যা যা লাগবে-
৩০ ড্রপ লবঙ্গ তেল
৩০ ড্রপ পিপারমিন্ট তেল
৪ আউন্স জল

একটি স্প্রে বোতলে এই তেল আর জল দিয়ে মিশ্রণটি বানান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। এবার রান্নাঘর থেকে বাথরুম যেখানে পিঁপড়ের উপদ্রব রয়েছে সেখানেই স্প্রে করুন।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বদলে ফেলুন কিছু অভ্যাস

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- ছোটখাটো কিছু অভ্যেস, আর তার জেরেই বিপুল সমস্যা দেখা দিতে পারে আপনার দাম্পত্যে। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা বোঝা যায় না, পরে যখন বিরাট চিড় ধরে যায় সম্পর্কে তখন আর কিছুই করার থাকে না। তাই সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্ক ধরে রাখতে চাইলে প্রথম থেকেই নজর দিতে হবে এই বিষয়গুলোয়।

সারাক্ষণ নির্দেশ দেবেন না
কেউই সবসময় অপরের নির্দেশ মেনে কাজ করতে চায় না। তিনি আপনার স্বামী মানেই সারাক্ষণ আপনার কথা মেনে চলবেন, তেমন ভাববেন না। আপনার স্বামী একজন স্বাধীন মানুষ, তাঁর নিজের ভাবনাচিন্তা রয়েছে। নিজের মতটাকেই সবসময় সঠিক বলে ধরে নেবেন না, ওঁর মতকেও সম্মান করুন।

সবসময় কথা কাটবেন না
যে কোনও বিষয় নিয়ে সুস্থ আলোচনার পথ হল নিজের মত জানানো এবং অপর পক্ষের মত মন দিয়ে শোনা। উনি যখন কথা বলছেন, সে সময় ওঁকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা বলবেন না। ওঁকে বলতে দিন।

অতিরিক্ত সমালোচনা ভালো নয়
উনি যাই করেন, আপনার পছন্দ হয় না? এমন হলে কিন্তু স্বভাবটা বদলানো দরকার। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে যদি সারাক্ষণ খিটমিট করেন, তা হলে একটা সময়ের পর সম্পর্ক বিষিয়ে যেতে বাধ্য!

সহানুভূতিশীলতা হারাবেন না
সবার জীবনেই কখনও না কখনও খারাপ সময় আসে। স্বামীর খারাপ সময়ে তাঁর পাশে থাকুন, সান্ত্বনা দিন। কখনও এড়িয়ে যাবেন না, বা উদাসীন থাকবেন না।

ওঁকে আপনার ইচ্ছাবহ বলে ধরে নেবেন না
একসঙ্গে দীর্ঘদিন থাকতে থাকতে নিজের মতটাই সঙ্গীর মত বলে ধরে নেওয়ার প্রবণতা জন্মায়। কিন্তু এরকম বারবার হলে বিপদ। যে কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বামীর সঙ্গে কথা বলে ওঁর মতামত স্পষ্টভাবে জেনে নিন, তাতে আপনাদের সম্পর্কটাই সুস্থ থাকবে!

সম্পর্ক ভাঙার আগেই সাবধান হোন

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- যে কোনও সম্পর্কে ওঠা পড়া লেগেই থাকে, দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো এ কথাটা বিশেষ করে সত্যি! দাম্পত্য সম্পর্কে বা প্রেমের সম্পর্কে ঝগড়াঝাঁটি হয়, আবার একসময় ঠিকও হয়ে যায়। কিন্তু দাম্পত্য সম্পর্ক যদি কখনও এমন তলানিতে গিয়ে ঠেকে যে সেখান থেকে উদ্ধারের কোনও সম্ভাবনাই নেই, তা হলে বড়ো সমস্যা। তাই সম্পর্কের অবনতি এই পর্যায়ে পৌঁছোনোর আগেই সাবধান হতে হবে। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিন আর বাঁচিয়ে তুলুন আপনার ভাঙতে বসা সম্পর্ককে।
১।আপনাদের জীবনে এমন একটা সময় নিশ্চয়ই ছিল যখন আপনারা প্রতিটি খুঁটিনাটি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করতেন, তাই না? ওই সময়টায় ফিরে যেতে চেষ্টা করুন। পরস্পরের সঙ্গে কথা বললে, পরস্পরের কথা মন দিয়ে শুনলে অনেক সমস্যারই সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। পুরোনো দিনগুলোর গল্প দিয়েই শুরু করুন না!
২।যে কোনও বিষয় নিয়েই আপনাদের মধ্যে তিক্ততা দেখা দিক না কেন, বারবার সে বিষয়টাকে খুঁড়ে বের করার দরকার নেই! বিশেষ করে আপনারা যখন সম্পর্কটাকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে চাইছেন, সে সময়ে পুরোনো তেতো প্রসঙ্গের অবতারণা গোটা ব্যাপারটাকে আবার এলোমেলো করে দিতে পারে। তাই পারতপক্ষে পুরোনো কথা তুলবেন না, সম্ভব হলে যে বিষয় নিয়ে তিক্ততা তৈরি হয়েছিল সেটাই নির্মূল করার চেষ্টা করুন।
৩। প্রত্যেকটা দিন কখনও একরকম হয় না, সম্পর্কেরও ধরন বদলায়। তাই আপনার পার্টনার প্রথমদিকে আপনার সঙ্গে কেমনভাবে কথা বলতেন তা দিয়ে আজকের সম্পর্কটাকে বিচার করতে যাবেন না। এটা ঠিক যে, আজ আপনারা আগের তুলনায় পরস্পরের প্রতি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ। কিন্তু সেই স্বাচ্ছন্দ্যকে যদি ‘টেকেন ফর গ্রান্টেড’ মনে হয়, তা হলে ভিতরে ভিতরে রাগ না পুষে খোলামেলা কথা বলুন।
৪। অনেক সময় আমরা কাছের মানুষদের ব্যাপারে খুব কঠোর মনোভাব দেখিয়ে ফেলি। এটা ঠিক নয়। সারাক্ষণ পার্টনারের ব্যবহার, আচরণ নিয়ে অভিযোগ না করে নিজেকে ওঁর জায়গায় রেখে দেখুন। নিজেদের সম্পর্কটাকে ইতিবাচক আলোয় দেখার চেষ্টা করুন, তাতে আপনাদেরই ভালো হবে!
৫।অফিসে বেরোনোর আগে ছোট্ট চুমু, একটু জড়িয়ে ধরা, হাতের উপর হাত রাখার মতো শরীরী কাজ সম্পর্কে নতুন জোয়ার এনে দিতে পারে। পরস্পরকে আদর করুন, যাতে শরীরে এনডরফিন হরমোন ক্ষরিত হয়। এই হরমোন আপনাদের দু’জনকেই খোশমেজাজে রাখবে, সুস্থ থাকবে আপনাদের সম্পর্কও।

বিশ্বের অন্যতম দামি মাছের ডিম ক্যাভিয়ার !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : মাছের ডিম খেতে আমরা সকলেই কম বেশি ভালোবাসি কিন্তু যদি শোনেন কোনো মাছের ডিমের দাম উঠেছে ৩৪ হাজার ৫০০ ডলার, না না বিষম খাওয়ার কিছু নেই, ঠিকই পড়েছেন, আসলে এটি হল ক্যাভিয়ার।ক্যাভিয়ার আসলে এক ধরণের সামুদ্রিক মাছের ডিম। এই মাছের ডিমকে আগে নুন জল এবং এক ধরনের বিশেষ চাটনিতে ম্যারিনেট করে নিতে হয়। বিশ্বের সবচেয়ে সুস্বাদু পদ হল এই ক্যাভিয়ার।
শুধুমাত্র কাস্পিয়ান সাগর এবং কৃষ্ণ সাগরে পাওয়া যায় বেলুজা স্টার্জেন মাছ, তার ডিমকেই বলা হয় ক্যাভিয়ার। তবে বিশ্ব জুড়ে এখন প্রায় বিলুপ্ত এই বেলুজা স্টার্জেন মাছ, তাই নিয়ম মেনে বৈধভাবে ক্যাভিয়ার কেনাবেচা হয়।

একটি বেলুজা ক্যাভিয়ার পূর্ণবয়স্ক হতে সময় লাগে প্রায় বিশ বছর। এরপরই কেবল এই মাছ ডিম পাড়তে পারে। কিন্তু এই মাছটিকে হত্যা করেই কেবল এর ডিম সংগ্রহ করা সম্ভব। ক্যভিয়ার খেতে গেলে আপনাকে কড়কড়ে ৩৪ হাজার ডলার খরচ করতেই হবে, তবে তাতে আপত্তি নেই সুস্বাদু খাওয়া খেতে গেলে এইটুকুতো খরচ করতেই হবে।

ভোরে ওঠার সুফল

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- রোজ সকালে আপনার যদি মোরগের ডাকে ঘুম ভাঙে,তাহলে আপনি বিশেষ ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী।কথাটা বিশ্বাস হল না তো?কিন্তু বিশ্বাস না হলেও আপাত সত্যি এটাই,বলছে গবেষণা।তিনটে থেকে পাঁচটার মধ্যের সময়কে বলা হয় অমৃত ভেলা।এই সময় যারা উঠতে পারেন,তাদের মধ্যে পজিটিভ এনার্জি ভরপুর থাকে।সারাদিন ভালো কাটে,জীবন আনন্দে কাটে।শুধুমাত্র তাই নয়,এই সময় ঘুম ভাঙলে অর্থের যোগও দেখা যায়।কাজে ভুল কম হয়,সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার এনার্জি পাওয়া যায়।প্রকৃতির সঙ্গেও ভালো যোগাযোগ তৈরী হয় ভোরবেলা উঠতে পারলে।তাই একটু চেষ্টা করে দেখুন যদি ভোরে ওঠার অভ্যাস করতে পারেন,তাহলে আখেরে লাভ আপনারই হবে।

ডিভোর্সের পরে যে কাজগুলি ভুলেও করবেন না

খোঁজ-খবর,ওয়েব-ডেস্কঃ- পাকাপাকি ভাবে ডিভোর্স হয়ে গেছে?তাহলে এখন থেকে ভুলেও আর এই কয়েকটি কাজ করবেন না।বিচ্ছেদ সবসময়ই দুঃখের,কিন্তু তারপরেও ডিভোর্স একটা সম্পঅর্ক থেকে বের করে দেয়।তখন দু’জনের জগত আলাদা হয়ে যায়।তাই কিছু বিষয় আছে যেগুলো এড়িয়ে যাওয়াই ভালো

একজনের জগত যখন আলাদা হয়ে যায়,তখন তাকে আগের মতো সব দরকারে পাবেন এমনটা না ভাবাই ভাল।তাছাড়া এই ধরণের আশা রাখাটাও ঠিক নয়।

সোশ্যাল সাইটে প্রাক্তনকে অপদস্ত করার জন্য কোন রকম বাজে কথা লিখবেন না।

প্রাক্তনের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ হয়ে গেলে তার জীবনে আটকে থাকবেন না।সে কোথায় গেল,কি করলো সব সময় সেগুলো ফলো করার দরকার নেই।মনে রাখবেন সে এখন আর আপনার জীবনের অঙ্গ নয়।

ডিভোর্সের পরে অনেকেই একাকীত্বে ভুগে জীবনে ভুল লোককে এনে ফেলে।তাই নতুন সম্পর্কে জড়ানোর আগে বুদ্ধি বিবেচনা কাজে লাগান।শুধুমাত্র একাকীত্ব কাটাতে কাউকে জীবনে প্রবেশ করতে দেবেন না।

বিচ্ছেদের কারণে জীবনে একাকীত্ব বোধ করলে কাউন্সিলিং-এর সাহায্য নিয়ে পারেন বা পরিচিত কোন বিচক্ষণ ব্যক্তির পরামর্শ নিতে পারেন।তবে কোন ভাবেই নিজেকে একা ভাববেন না বা একা করে দেবেন না।

শপিং-এ যেতে পার্টনারের আপত্তি?রইলো তাকে পটানোর কিছু টিপস

খোঁজ-খবর,ওয়েব-ডেস্কঃ- মনপ্রাণ ভরে শপিং করতে কে না ভালবাসে?কিন্তু একা একা শপিং-এ যেতে অনেকেই পছন্দ করেননা।দোকানে সাজানো রাশি রাশি জিনিস বা আলো ঝলমলে শপিং মল দেখলেই কি আপনার ইচ্ছা করে ঝাঁপিয়ে পরে জিনিস কিনি?কিন্তু নিজের পকেটে টান আবার আপনার কর্তাটিও সাথে শপিং-এ যেতে নারাজ?অনলাইনের যুগে তার শপিং সাজেশন ফ্লিপকার্ট বা আমাজন?তবে হাতে নিয়ে দেখে না কিনলে আপনার মন ভরে না? সমস্যাগুলো শুধু আপনার একার নয়,অনেকেরই।তাই আপনাদের মতোই কিছুজনের জন্য রইলো এই টিপস-

আগেভাগে প্ল্যান করুন: আপনি ঘুরে ঘুরে এ দোকান ও দোকানে নানারকম জিনিসপত্র দেখছেন আর উনি বোর হচ্ছেন! আসলে দ্রুত শপিং সেরে ফেলতে ভালো লাগে না, মনে হয় আর একটু দেখি! কিন্তু ওঁর সঙ্গে যেদিন শপিং করতে বেরোবেন, সেদিনটা একটু দ্রুত সারার চেষ্টা করুন। মনে মনে প্ল্যান করে নিন আপনার কী কী কেনার আছে আর কোথা থেকে কিনবেন। কেনাকাটার ব্যাপারটা পার্টনারের সঙ্গে বেরোনোর দিনগুলোতে তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে পারলে পরে আর উনি শপিংয়ে যেতে আপত্তি করবেন না বলেই মনে হয়।
শুধু নিজের জিনিস কিনবেন না: স্বার্থপরের মতো গোটা দিন জুড়ে কেবল নিজের জন্য শপিং করে গেলে চলবে না। ওঁর কী কী লাগবে সেটাও জিজ্ঞেস করে নিন, তার জিনিসপত্র কেনাতেও সময় দিন।
মাঝেমাঝে ব্রেক দরকার: একটানা ঘোরাঘুরি করলে একঘেয়েমি, বিরক্তি আসার আশঙ্কা প্রবল। অনেকক্ষণ ধরে কেনাকাটার প্ল্যান থাকলে মাঝেমাঝে রেস্তোরাঁ, কফিশপের বিরতি নিতেই হবে।
লঁজারি শপিং করুন: কেনাকাটা যে করতে ভালোবাসে না, তার কাছে ব্যাপারটা সত্যিই একঘেয়ে। আপনার স্বামীও যদি এই দলে পড়েন, তা হলে কেনাকাটার ব্যাপারে ওঁর আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে ওঁকে নিয়ে লঁজারি শপিংয়ে যেতে পারেন। একঘেয়েমি যে কিছুটা হলেও কাটবে, সেটা গ্যারান্টি দিয়েই বলা যায়।
শপিং ব্যাগ ভাগ করে নিন: সব ক’টা প্যাকেট পার্টনারের হাতেই চাপিয়ে দেবেন না যেন! প্যাকেটের ওজন বুঝে মোটামুটি সমানভাবে দু’জনে ভাগ করে নিন!

ওবেসিটি দূর করে কাঁচকলা !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: কলার খাদ্যগুণ অপরিসীম, কলা খাওয়া নিয়ে যতই ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা হোক না কেন কলা খাওয়ার নানা গুণ রয়েছে। কিন্তু জানেন কি, পাকা কলার পাশাপাশি কাঁচকলারও শরীরে দারুণ প্রভাব রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচকলা খেলে তা থেকে শরীরে নানা ধরনের ওষুধ স্বাভাবিক ভাবেই প্রবেশ করে। রোগ নিরাময় ও শরীরের নানা ধরনের অসুবিধা দূর হয় কাঁচকলা খেলে।

কাঁচকলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। শরীরকে শক্তি জোগায়। কাঁচকলাতে থাকে ভিটামিন বি সিক্স ও ভিটামিন সি। যা শরীরের কোষকে আরও সংগঠিত করে তোলে।

কাঁচকলায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। দিনের বেলায় কাঁচকলা খেলে তা শরীরের নানা রোগ দূর করতে সাহায্য করে। ওবেসিটি দূর করতে দারুণ কাজে লাগে কাঁচকলা। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যা শরীরের ফ্যাট কোষগুলোকে দূর করে ভুড়ি কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার কেড়ে নিচ্ছে পুরুষত্ব !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: নিজেকে যৌন আবেদনময় হিসেবে উপস্থাপন করতে গিয়ে কিছু পুরুষ নিজের পৌরুষ বা সহজভাবে বললে বাবা হবার ক্ষমতা হারাচ্ছেন। সম্প্রতি এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, অত্যন্ত পুরুষালী হিসেবে পরিচিত পুরুষেরা অনেক সময়ই নিজেকে আরও ‘যৌনাবেদনময় ও পুরুষ-দীপ্ত’ হিসেবে তুলে ধরতে গিয়ে যেসব কৃত্রিম পদ্ধতির সাহায্য নেন, তা কেড়ে নিচ্ছে তার পুরুষত্ব।

এ বিষয়ে গবেষণার পর দুই মার্কিন বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, শরীরকে পেশীবহুল করতে গিয়ে পুরুষেরা যেসব স্টেরয়েড ব্যবহার করেন, তা তাদের শরীরে শুক্রাণু সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে।

এছাড়া মাথার চুল কমে যাওয়া ঠেকাতে অর্থাৎ টাক হয়ে যাওয়া রোধ করতে গিয়ে যেসব চিকিৎসা নেন পুরুষরা তাও তাদের শুক্রাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া কমিয়ে ফেলে।

যেভাবে ঘটে এই ক্ষতি

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের কথায় নিজেদের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা পরীক্ষা করাতে আসা পুরুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। , এই পুরুষদের প্রায় সবার মধ্যেই স্টেরয়েডের অতি ব্যবহার ছিল একটি সাধারণ বিষয়।

তারা সবাই পেশীবহুল শরীর তৈরি এবং মাথায় কৃত্রিম উপায়ে চুল বাড়ানোর জন্য ওষুধ ব্যবহার করেছেন। এর ফলে তাদের শুক্রাণু সংখ্যা এত কমে যায় যে তারা একেবারেই সন্তান উৎপাদন করতে পারছিলেন না।

কিভাবে স্টেরয়েড এই ক্ষতি করে

পেশল শরীর বানানোর জন্য যে অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ব্যবহার হয়, তা পুরুষের হরমোন টেস্টোস্টেরনের নিঃসরণ বাড়ানোর কথা। কিন্তু অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের কারণে মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্লান্ড শুক্রাণু তৈরির দুটি মূল হরমোন এফএসএইচ ও এলএইচের উৎপাদন কন্ধ করে দেয়।

একই ঘটনা ঘটে যখন টাক ঠেকানোর জন্য তৈরি ওষুধ ব্যবহার করে কোন পুরুষ। এর ফলে একজন পুরুষ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়ে যেতে পারেন। এটা একটা আজব বিষয় যে পুরুষ নারীকে আকর্ষণ করার জন্যই জিমে যাচ্ছেন, স্টেরয়েড নিচ্ছে, কিন্তু শেষ বিচারে তা তাকে পুরুষত্বহীন করে দিচ্ছে।’ তিনি বলছেন, এই প্রবণতা বন্ধের উপায় সম্পর্কে পুরুষদের সচেতন হতে হবে।

আমের খাদ্যগুণ

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: আম খেতে পছন্দ করে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমের সঙ্গে মধুর সম্পর্ক প্রায় সকলেরই। আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে আম উৎপাদন হয়। সহজলভ্য এই ফলের মৌসুমে বেশিরভাগ লোকই নিয়মিত আম খান। আম শুধুমাত্র মিষ্টি ফল হিসেবেই নয় এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

আমে আছে অনেক প্রয়োজনীয় পরিপোষক যা আমাদের শরীরকে সুস্হ রাখতে সাহায্য করে। অনেকেই ভাবেন আম খেলে ওজন বেড়ে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এটি আসলে ফ্যাট, কোলেস্টরেল ও লবন মুক্ত একটি ফল। তবে আমরা যদি ক্যালোরি লেভেল এর বেশি খাই। তা নিশ্চই ভালো নয়। বরং নিয়ম মেনে খেলে এটি ওজনের ওপরে কোনো প্রভাব বিস্তার করে না।

আমে ভিটামইন কে, ভিটামিন সি, আয়রন, কপার, পটাসিয়াম থাকে যা শরীরের জন্য খুবই ভালো। ব্যায়ামের আধা ঘন্টা আগে আম খাওয়া বেশ উপকারী কারণ তা আমাদের সতেজ ও সুস্থ অনুভব করায়। এছাড়াও আমের যে উপকারিতাগুলি আছে সেগুলি হলো-

আমে ভিটামিন সি ও ফাইবার থাকে যা কলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ করে আর হার্ট ভালো রাখে।

এর মধ্যে ভিটামিন এ থাকে যা দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখে।

এর মধ্যে থাকা ম্যালিক ও টারটারিক অ্যাসিড ক্ষারীয় সাম্যতাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এটি আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে গরমের হাত থেকে রক্ষা করে।