আজ জুভেন্তাস রক্ষণের কাঁটা রিয়াল আক্রমণ

খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক : চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে অন্যতম সেরা আকর্ষণ জানলুইজি বুফনের (বাঁ দিকের ছবিতে) সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর (ডান দিকের ছবিতে) দ্বৈরথ। ৪০ বছর বয়সেও দুরন্ত ফর্মে জুভেন্তাস গোলরক্ষক। চলতি মরসুমে সেরি আ-তে বুফনের সাফল্যের হার ৭৬.২ শতাংশ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬৬.৭ শতাংশ। ফ্রি-কিক থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর গোল করা আটকাতে তিনিই প্রধান ভরসা জুভেন্তাস ম্যানেজার মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির। আট ম্যাচে ১২ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বিধ্বংসী ফর্মে থাকা রিয়াল স্ট্রাইকারের চ্যালেঞ্জ বুফনকে হারানোর।জুভেন্তাস রক্ষণের অন্যতম ভরসা। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা (ডান দিকের ছবিতে) গ্যারেথ বেলের দৌড় থামাতে আন্দ্রেয়া বারজাগলি (বাঁ দিকের ছবিতে) সেরা অস্ত্র হতে পারেন আলেগ্রির। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত ট্যাকলে বিপক্ষের ফুটবলারদের পা থেকে বল কেড়ে নিতে দক্ষ তিনি। এই মরসুমে বারজাগলি হলুদ কার্ড দেখেছেন মাত্র দু’টি। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি গোলও করতে পারেন। চোটের কারণে গ্যারেথ বেল এই মরসুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। রিয়ালে তাঁর ভবিষ্যত্‍ নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। তবে লা লিগায় লাস পালমাসের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে ভরসা দিচ্ছেন জিনেদিন জিদানকে।সেরি আ-তে চলতি মরসুমে সব চেয়ে কম গোল খেয়েছে জুভেন্তাস (৩০ ম্যাচে ১৬টি)। সাফল্যের নেপথ্যে জর্জে কিয়েল্লিনি (বাঁ দিকের ছবিতে), আন্দ্রেয়া বারজাগলি ও জানলুইজি বুফনের দুর্দান্ত বোঝাপড়া। ছন্দে না থাকা করিম বেঞ্জেমাকে (ডান দিকের ছবিতে) আটকাতে কিয়েল্লিনি-কেই দায়িত্ব দিতে পারেন আলেগ্রি। গ্যারেথ বেলের মতো রিয়ালে বেঞ্জেমার ভবিষ্যত্‍ নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। এই মরসুমে লা লিগায় ২৩ ম্যাচে মাত্র চারটি গোল করেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পাঁচ ম্যাচে করেছেন দু’টি গোল। বেঞ্জেমাকে ছন্দে ফেরাতে একটু পিছন থেকে খেলাচ্ছেন জিদান।ইতালির কোচ হলেও আক্রমণাত্মক ফুটবলই অস্ত্র আলেগ্রির (বাঁ দিকের ছবিতে)। ম্যাচের মধ্যে রণনীতি বদলে চমকে দেন। তবে মঙ্গলবার ঘরের মাঠে তাঁর লড়াইটা কঠিন। কারণ, প্রতিপক্ষ যে জিনেদিন জিদান (ডান দিকের ছবিতে)। প্যারিস সাঁ জারমাঁ-র বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম পর্বের প্রথমার্ধে পিছিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে জিদান রণনীতি পরিবর্তন করতেই অন্য ছবি। দুর্দান্ত ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচটা ৪-১ জেতেন রোনাল্ডোরা। মঙ্গলবার রাতে তুরিনে দুই চাণক্যের মস্তিষ্কের লড়াই কে জিতবেন, সেটাই এখন দেখার।