এক নাগাড়ে হাঁচি?রইলো নিরাময়ের কিছু উপায়

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- ঠান্ডা লেগে হোক,অ্যালার্জি থেকে হোক বা কোনও গন্ধের কারণে, হাঁচি খুব সাধারণ একটা বিষয়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, একবার হাঁচি শুরু হলে আর থামতেই চায় না। গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা পাবলিক প্লেসে নাগাড়ে হেঁচে যাওয়াটা অস্বস্তিকর।তবে সাধারণ কয়েকটা ঘরোয়া টোটকায় এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

* হাঁচি যাদেরর এক নাগাড়ে চলতে থাকে, তাঁদের শরীরে জিংক-এর ঘাটতি রয়েছে। জিংক সাপ্লিমেন্ট খেলে সমস্যা মিটবে। বাদাম বা বিভিন্ন বীজ খেতে পারেন। এ সবে প্রচুর জিংক থাকে।

* নিয়মিত ভাবে আমলার খান। আমলা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সর্দি-কাশির প্রবণতা কমায়। দিনে তিনবার আমলার রস খান।

* সকালে উঠে আদা ও তুলসি পাতার রসও এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। ৩-৪টে তুলসি পাতা এক টুকরো ছোট আদা এক কাপ জলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই জলটাও খেতে পারেন।
* হাঁচির সমস্যা থাকলে উপকার পাবেন রসুনেও। অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রসুনের জবাব নেই। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বাডা়য় রসুন। ঘিয়ের সঙ্গে রসুন হালকা ভেজে সেটা দিয়ে গরম ভাত মেখে খান, উপকার পাবেন।

ওবেসিটি কমাতে খাদ্য তালিকায় রাখুন আদা !

খোঁজখবর, ওয়েব ডেস্ক : হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। এতে নিজের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয়, তেমন শরীরে বাসা বাধতে শুরু করে জটিল সব রোগ। আর ব্যস্ত জীবনে শরীরচর্চা ও সঠিকভাবে ডায়ের্ট চার্ট মেনে চলাও আপনার পক্ষে কষ্টকর।

ওজন কমাতে অনেকে অনেক রকম ডায়েট ফলো করে থাকেন। তবে আপনি জানেন কি; আদা খেয়ে ওজন কমানো যায়। এজন কমানোর জন্য আপনি খেতে পারেন আদা চা। আদা চা আপনার ওজন কমাবে।
আদা চা শুধু ওজন কমায় না; এর রয়েছে আরও অনেক গুণাগুণ। আদা চা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। বহু শতাব্দী ধরে আদাকে স্বাস্থ্যকর ও বহু গুণসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে ধরা হয়। আদার মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী, ভাইরাসরোধী, প্রদাহরোধী উপাদান।

এছাড়া আদা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম, বিভিন্ন মিনারেলের অন্যতম উৎস। আদা হজম পদ্ধতি ভালো করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, লিভার পরিষ্কার রাখে, অ্যাজমা ও হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

আসুন জেনে নেই আদা কীভাবে খাবেন?

আদার সঙ্গে লেবু

আদা চা বানানোর পর তাতে লেবুর রস মেশান। এছাড়া এক গ্লাস জলেতেও লেবুর রস ও আদার টুকরা মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমবে। ফলে ওজনও কমবে।

গ্রিন টি ও আদা

গ্রিন টির সঙ্গে আদা কুচি মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া সরাসরি আদার রস মিশিয়ে নিতে পারেন জলের সঙ্গে। অথবা আদা চিবিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

নিয়ম মেনে ডিম খান , নিয়ন্ত্রনে থাকবে ওজন !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : ” সানডে অর ইয়া মনডে, রোজ খাও আন্ডে” একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের ক্যাচলাইন ছিল এটি। ডিম প্রায় প্রতি দিন সব বাড়িতেই কম-বেশি আনা হয়। সুষম, পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় সবচেয়ে সহজলভ্য হল ডিম। বাড়িতে ছোট বাচ্চা থাকলে ডিমের প্রয়োজন আরও বেড়ে যায়। কিন্তু জানেন কি ওজন কমাতেও ডিম অত্যন্ত কার্যকরী! তিন রকম পদ্ধতিতে ডিম খেতে পারলে ওজন দ্রুত কমবে। আসুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক…

পদ্ধতি ১: ডিম আর নারকেল তেল

নারকেল তেল আমাদের বিপাকক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। তাই তেল বা মাখনের পরিবর্তে নারকেল তেল দিয়ে ডিমের ওমলেট তৈরি করে খেয়ে দেখুন। উপকার পাবেন।

পদ্ধতি ২: ডিম আর ওটমিল

ডিম আর ওটমিল একসঙ্গে খেয়ে দেখুন। এই দুই উপাদানের মিশেলে ঝটপট ওজন কমবে। খাবার ধীরে ধীরে হজম করায় ওটমিল। ওটমিল পাচক রস ক্ষরণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং একই সঙ্গে অতিরিক্ত অ্যাসিড ক্ষরণে বাধা দেয়। ডিম আর ওটমিল একসঙ্গে খেতে পারলে আমাদের বিপাক প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়ে ওঠে।

পদ্ধতি ৩: ডিম আর পালং শাক

ডিমের সঙ্গে খান পালং শাক। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। পালং শাক খেলে দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরা থাকে বা খিদে বোধ হয় না। তাই ডিমের সঙ্গে খান পালং শাক অবশ্যই একসঙ্গে পাতে রাখুন।

অন্যকে ভাল রাখতে নিজেকে ভালোবাসুন

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ-  এই দুনিয়ায় আমরা কাজ নিয়ে এত ব্যস্ত থাকি যে নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় পাইনা।শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে আমরা ক্রমাগত নিজেদের উপেক্ষা করে যাই।তাই শরীর এবং মনের জন্য নিজেকে বোঝা ও জানাটা খুবই জরুরী।সেইসঙ্গে প্রয়োজন আত্মতৃপ্তির।নিজেকে কখনও কোথাও উপেক্ষা করবেন না বা ছোট ভাববেন না। মনে রাখবেন আপনিই নিজের কাছে দেবতাতুল্য। নিজেকে এড়িয়ে গেলে অজান্তেই নিজের মন খারাপ হবে আপনি টেরও পাবেন না। তবে হ্যাঁ, কখনই নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবেন না। এতে নিজের উপরই অবিশ্বাস জন্মাবে।নিজেকে ভালো না রাখলে কিন্তু ডিপ্রেশন বাড়বে। মনে হবে চারপাশের সকলেই বুঝি খারাপ। এতে আপনার স্নায়ুতন্ত্রের উপর চাপ পড়বে। তাই নিজেকে কি করে ভালো রাখবেন তারই উপায় জানাচ্ছে খোঁজখবর-

ভালো করে ঘুমোন। ঘুম ভালো হওয়ার জন্য যা প্রয়োজন সেটাই করুন।

সুষম আহার করুন। জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন।

ওয়ার্কআউট করুন।

বই পড়ুন, গান শুনুন। পছন্দের রান্না করুন।

পার্লারে যান, স্পা করান।

কাছের বন্ধুদের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে আসুন।

পোষ্য থাকলে তার যত্ন নিন।

সোলো ট্রিপে যান।

নিয়মিত ঢেঁড়শ খেলে ডায়বেটিস হবে জব্দ !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : সুগার বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণ করা এখনকার সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের খাওয়া-দাওয়ায় অনেক বাধানিষেধ রয়েছে। অনেক ভেবেচিন্তে খেতে হয় তাদের। তবে একটি খাবার খুব নিশ্চিন্তে তারা খেতে পারেন। সেটি ঢেঁড়শ। ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পুষ্টি, ফাইবার, ভিটামিন বি-সিক্স, আর ফলিট। এছাড়া সুগারকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ঢেঁড়শ।

ঢেঁড়শের মধ্যে থাকা ভিটামি বি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই রোগ হওয়ার ঝুঁকিও কমায়। এর মধ্যে থাকা ফাইবারও একই ভাবে সুগার কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়া ঢেঁড়শে রয়েছে আরও নানা গুণ। উচ্চমাত্রার আঁশের কারণে এটি হজম শক্তি বাড়ায়। ঢেঁড়শের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন, যা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলকে কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এতে করে কার্ডিওভাস্কুলার সমস্যা ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ওজন কমান দাঁড়িয়ে

খোঁজ-খবর,ওয়েব-ডেস্কঃ- বসে থাকল যে ওজন বাড়ে তা আমরা সকলেই জানি।কিন্তু এর উল্টোটা করলে যে আবার ওজন কমতেও পারে তা কি জানেন?

বসে থাকার বদলে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একজন ব্যক্তি ০.১৫ ক্যালোরি বেশী খরচ করতে পারে।তাই হিসাব বলছে দিনে একজন ব্যক্তি ৬ ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলে ৫৪ ক্যালোরি পর্যন্ত কমতে পারে।ওজন কমানোর জন্য তো যোগব্যায়াম অবশ্যই করবেন,সাথে যদি কয়েক ঘন্টা দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারেন,তাহলেও কিন্তু মিলবে সুফল।

সুস্থ থাকুন চুমু খেয়ে

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ- চুমু হচ্ছে একটি মিষ্টি অনুভূতির নাম।দু’জন মানুষের পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতার সর্বোচ্চ প্রকাশ হচ্ছে চুমু।কারণ শারীরিক সম্ভোগের একটা জরুরী ধাপ হিসাবেও বিবেচিত হয় এটি।তবে সাম্প্রতিক কালের গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে চুমু খাওয়ার আরও কয়েকটি স্বাস্থ্যকর দিকও রয়েছে।যেমন-

১।চুমু খাওয়ার মূহূর্তেই মস্তিষ্কে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমে যায়।তাই প্রবল মানসিক অশান্তির মূহূর্তে চুমু খেলে অনেকটা শান্ত লাগে।

২।চুমু খেলে আপনার দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।সঙ্গীকে চুমু খাওয়ার সময় পরস্পরের লালা মিশে যায় এবং তাতেই দাঁত,মাড়ি ও মুখের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।

৩।চুমু খাওয়ার সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।শরীরের শিরা ও ধমনীগুলো প্রসারিত হয়।তাতে শরীরে স্বচ্ছন্দে রক্ত প্রবাহিত হত্যা পারে এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪।ভালবাসার মানুষকে চুমু খেলে মন তো ভাল থাকবেই।পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময় শরীরে একগুচ্ছ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়।এইসব হরমোন আপনাকে মানসিক দিক থেকে চাঙ্গা করে তোলে।

৫।ডিপ কিসের সময় পার্টনারের মুখের লালার সঙ্গে আপনার মুখের লালা মিশে যায়।ফলে আপনার শরীর নতুন ধরণের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে পরিচিত হয়।কাজেই স্বাভাবিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

৬।চুমু খাওয়ার সময় আপনার মেখের ৩০টি পেশী সচল হয়ে ওঠে।ফলে মুখের একধরণের ব্যায়াম হয়ে যায়।পাশাপাশি চুমু খেলে প্রতি মিনিটে ২৬ ক্যালোরি পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

৭।চুমু খেলে মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।ফলে মুখের ত্বক টানটান ও সতেজ থাকে।

কাজেই বুঝতে পারছেন যে সুস্থ থাকার জন্য জীবনে চুমু খাওয়াটা কতখানি আবশ্যক।সুতরাং সুস্থ থাকতে হলে সঙ্গীকে নির্দ্বিধায় চুমু খান।

চোখের জল কমাবে ওজন !

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক: মানুষ সাধারণ দুঃখ-কষ্ট পেলে কান্না করে। তবে এবার ওজন কমানো নিয়ে যারা চিন্তিত তারাও একটু কান্না করতে পারেন, কেননা কান্না করলে ওজন কমবে!

বিষয়টি শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও তা আসলে সত্যিই। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনটিই উঠে এসেছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান লস আল্ট্রোস অপটোমেট্রিক।

তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে অনুযায়ী, আবেগ থেকে কান্নার কারণে অতিরিক্ত ওজন কমে যায়। প্রতিষ্ঠানের গবেষক ড.আরন নিউফেল্ড কান্নাকে মোট তিনভাগে ভাগ করেন- মৌলিক কান্না, প্রতিবিম্বধর্মী কান্না এবং আরেকটি হলো মানসিক কান্না।

গবেষণায় দেখা যায়, কান্নায় শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়; যা মানব দেহের জন্য উপকারী। এর ফলে কমে মানসিক চাপও। কান্নায় শরীর থেকে এক ধরনের হরমোন নিঃস্বরণ হয়; এতে ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী চর্বিও বের হয়ে হয়ে যায় বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

তবে এক্ষেত্রে শর্ত আছে; কান্না হতে হবে প্রকৃত কান্না। প্রকৃত আবেগ থেকে যে কান্না আসে এতেই ওজন কমানোর মতো উপকার হবে, অন্যথায় নয়।

অনিদ্রা দূর করবে যে খাদ্যাভ্যাস

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : এমন অনেকবারই হয়েছে যে দিনের মধ্যভাগে আপনার মনে হচ্ছে যে আপনি ঘুমে ঢলে পড়ে যাবেন। কখনো কখনো এমন অবস্থা হয় যে ঘুমিয়ে পড়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। অনিদ্রা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, এই ব্যাপারগুলি নিয়ে কিন্তু সেরকম ভাবে এখনো পর্যন্ত কেউ মাথা ঘামায়নি। এমনকি না ঘুমিয়ে অন্য কাজ করাকে বেশ বাহবাই দেওয়া হয়।

কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে ৮ ঘন্টার কম ঘুম আমাদের শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপের ওপরে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। শরীরের ক্লান্তি এবং অবসাদ দূর করার জন্য ন্যূনতম ৮ ঘন্টার ঘুম দরকার। অনেকেই জানেন না যে ঘুম আমাদের হার্ট এবং ধমনীর নিরাময় এবং মেরামতির কাজ করে। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে দেখা দেয় খিটখিটে ভাব, মনোসংযোগের অভাব, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস, ওজন বৃদ্ধি এবং সবথেকে খারাপ ব্যাপার হলো এটি বিষন্নতার একটি বড় কারণ।

অনিদ্রা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে আমাদের উচিত তাড়াতাড়ি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া কিন্তু তার আগে ঘরোয়া পদ্ধতিতেও এর মোকাবিলা আমরা করতে পারি। অনেক খাবার আছে যা পর্যাপ্ত ঘুমের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। এরকম সাতটি খাবার হলো-

কলা

ভালো ঘুমের জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করে কলা। কলাতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম পেশী এবং স্নায়ুকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট আপনাকে প্রাকৃতিক উপায়ে ঘুম পাড়িয়ে দেবে।

গরম দুধ

আয়ুর্বেদ বলে একগ্লাস গরম দুধ ভালো ঘুমের জন্য উপকারী। বিজ্ঞানও এই মতকে সমর্থন করে। দুধে থাকে ট্রিপ্টোফ্যান নামক এমিনো এসিড যা রূপান্তরিত হয় সেরোটোনিনে। সেরোটোনিন মস্তিষ্কে আরামদায়ক অনুভূতির সৃষ্টি করে যা ঘুমের জন্য ভালো। দুধের সঙ্গে সামান্য এক চিমটি জায়ফল গুঁড়ো, এক চিমটি এলাচের গুঁড়ো এবং গুঁড়ো করা কাজু বাদাম মিশিয়ে নিলে শুধু দুধেরই স্বাদ বাড়ে না, এগুলি ভালো ঘুমেও সাহায্য করে। এমনকি রসুনযুক্ত দুধও ঘুমের জন্য খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ দুধের সঙ্গে ১/৪ কাপ জল এবং ১ কোয়া রসুন মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন এবং গরম গরম খেয়ে ফেলুন।

চেরি

চেরিতে থাকে মেলাটোনিন। এটি মস্তিষ্কের পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে তৈরি হয় এবং আমাদের ঘুম এবং জাগরণের অবর্তনটি নিয়ন্ত্রণ করে। ‘দ্য কমপ্লিট বুক অফ হোম রেমেডিস’ বই অনুসারে, চেরি মানসিক ক্লান্তি এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। দিনে ১০১২টি চেরি খেলে ভালো ঘুম হবে।

কাঠ বাদাম বা আমন্ড

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমন্ড গাঢ় ঘুমেও সাহায্য করে। দুধের মতোই এতে থাকে ট্রিপ্টোফ্যান যা মস্তিষ্কে এবং স্নায়ুতে আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেয়। অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম আমাদের হার্টের ছন্দকে ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট

হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন। ডার্ক চকলেট সেরা নিদ্রা উদ্রেককারী খাবারগুলোর মধ্যে একটি। সেরোটোনিন থাকায় এটি মস্তিষ্ককে এবং মনকে শান্ত করে। তার মানে এই নয় যে আপনি যত খুশি ডার্ক চকলেটই খাবেন। সবসময় মনে রাখা উচিত পরিমিত আহার সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ।

চ্যামোমিল চা

এটি খুবই সুগন্ধুযুক্ত, উদ্দীপক এবং সতেজতা প্রদানকারী পানীয়। স্নায়ুকে অবশ করে এটি ভালো নিদ্রার উদ্রেক করে। আয়ুর্বেদের মতে এটি হালকা অবশকারী পদার্থ হিসাবে কাজ করে। এটিতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড, এপিজেনিন যেটি মস্তিষ্কের বেনজোডায়াজেপিন রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিদ্রার উদ্রেক করে।

ওটস

ওটস খেলে কেবল পেটই ভরে না, এটি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে এবং এটি সেরা নিদ্রা উদ্রেক খাবারগুলির মধ্যে একটি। ওটসের সঙ্গে যোগ করুন অল্প বেরি, মধু এবং খেয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমান।

অ্যাসিডিটি দূর করার ঘরোয়া উপায়

খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক : অম্লতা বা অ্যাসিডিটি এমন একটি সাধারণ সমস্যা অনেকেই প্রায় দৈনিক ভোগ করেন। অনেকেই পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা, গ্যাসের সমস্যা থেকে চটজলদি মুক্তি পেতে অ্যান্ট্যাসিড বা অ্যাসিডিটির ওষুধ খেয়ে নেন। কিন্তু এটি শুধুমাত্র কিছুক্ষণের জন্যই উপসর্গগুলি কমাতে পারে এবং অম্লতা থেকে অস্থায়ী মুক্তি দিতে পারে।

পুষ্টিবিদরা অ্যাসিডিটি কমানোর বিষয়ে বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। , অম্লতা হল শরীরের অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা। খাবারের পাচনের জন্য শরীরের অ্যাসিডের প্রয়োজন হলেও অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে গ্যাস, অম্লতা, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং আরও অনেক সমস্যাই দেখা যায়।

বিভিন্ন কারণেই অম্লতা হতে পারে। খাওয়ার ভুল অভ্যাস, মসলাযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবারের অত্যধিক ব্যবহার, শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব, চাপ এবং শরীরে জলের অভাব এর কিছু সাধারণ কারণ।

অম্লতা, পেট ফাঁপা এবং অন্যান্য অন্যান্য উপসর্গগুলি হ্রাস করার জন্য কয়েকটি সহজ এবং ঘরোয়া উপায় হলো-

খাবার ভালো করে চিবিয়ে খান:

আপনি কি জানেন যে হজমের প্রক্রিয়া শুরু হয় মুখের মধ্যে থেকেই? সঠিক হজমের জন্য খাদ্য সঠিকভাবে চিবানো গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে খাদ্য চিবানো না হলে মুখের মধ্যে উৎসেচকের কাজ কমে যেতে পারে। যার ফলে অম্লতার সমস্যা হতে পারে।

এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ:

ঠান্ডা দুধ অম্লতা নিয়ন্ত্রণ করার একটি চমৎকার উপায়। দুধ প্রকৃতিতে ক্ষারীয় এবং এইভাবেই তা পেটের মধ্যে পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে।

জোয়ান:

বাবা-মা এবং ঠাকুমা দিদাদের আমলেরও আগে থেকে এই একটা প্রতিকার বারেবারেই সুপারিশ করা হয়েছে। যখনই গ্যাস, অম্লতা বা পেট ফাঁপার সমস্যা অনুভব করবেন এক গ্লাস জলে আধা চা চামচ জোয়ান দিয়ে ফুটিয়ে নিন, তারপর ছেঁকে নিন, একটু লেবু ও লবন দিন এবং খেয়ে ফেলুন। জোয়ানের অ্যান্টি অ্যাসিডিক বৈশিষ্ট্য অম্লতা এবং এর লক্ষণগুলি কার্যকরভাবে হ্রাস করতে সহায়তা করে।

মিন্ট ছাঁচ বা পুদিনা বাটার মিল্ক:

পেটের অ্যাসিড হ্রাস করার জন্য মিন্ট ছাঁচ বা বাটারমিল্ক আরেকটি চমৎকার প্রতিকার। পুদিনা চমৎকারভাবে অ্যাসিড কমিয়ে ফেলে।

উপরোক্ত প্রতিকারগুলির পাশাপাশি সুস্থ থাকা, প্রাকৃতিক এবং ঘরে তৈরি খাবার খাওয়াও অম্লতা কমাতে সহায়তা করতে পারে। অ্যান্টাসিড বা এ জাতীয় ওষুধের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে অ্যাসিড রিবাউন্ড হতে পারে। এটি আপনার সমগ্র গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টকেও প্রভাবিত করে।