লিপস্টিকের লেটেস্ট ট্রেন্ডে সেজে উঠতে চান ! তাহলে…

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজ অসম্পূর্ণ, তাই তো ! সে অফিসে হোক বা পার্টিতে ।কিছু কিছু লিপস্টিকের শেড মনের কোণে পাকাপাকি জায়গা করে নেয়, সেগুলি প্রায় সব সময়েই হাতের কাছে থাকে। কিছু কেনা হয় পোশাকের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করিয়ে। কিন্তু জানেন তো, বছর ভেদে লিপস্টিকের ট্রেন্ডও বদলে যায়? আর ফ্যাশনেবল থাকতে গেলে সে সম্পর্কে একটু হলেও ধারণা থাকাটা খুব জরুরি।আসুন জেনে নিই সেগুল কি কি

 

গোলাপি লিপস্টিক ছাড়া কিন্তু জাস্ট চলবেই না! আপনার ত্বকে গোলাপির কোন শেডটি মানায়, তা বোঝার জন্য আগে ট্রায়াল দিন। প্রথমবার গোলাপি লিপস্টিক কেনার জন্য দোকানে যাওয়াই ভালো, একবার নিশ্চিত হয়ে গেলে কিন্তু নিশ্চিন্ত অনলাইনে অর্ডার করতে পারবেন!

গত বছরেও অরেঞ্জ শেডের লিপস্টিক খুব চলছিল। এবার কিন্তু ফের স্বমহিমায় ফিরে এসেছে টুকটুকে লাল। যেদিন সাজগোজ করতে বিশেষ ইচ্ছে করছে না, একটা ঢিলেঢালা বয়ফ্রেন্ড জিনস আর সাদা শার্ট চাপিয়ে অফিসে বেরিয়ে পড়েছেন, সেদিনের সাজে লাল লিপস্টিক যোগ করে দেখুন তো কী খুনখারাপি কান্ড হয়!  ইদানীং বাজারে লাল লিপস্টিকের ম্যাট শেডও পাওয়া যায়, যাঁদের মনে হচ্ছে খুব উজ্জ্বল লাল ক্যারি করতে পারবেন না, তাঁরা স্বচ্ছন্দে ম্যাট শেড ট্রাই করে দেখতে পারেন।

দিনের বেলার সাজে ন্যুড লিপস্টিকের কোনও বিকল্প নেই। কোথাও বেড়াতে যাওয়ার থাকলেও সাইডব্যাগে অবশ্যই ন্যুড লিপস্টিকটি রাখবেন। যদি পোশাক হালকা রঙের হয়, তা হলেও পিচ বা পিঙ্কঘেঁষা ন্যুড খুব ভালো দেখায়।

তবে মনে রাখবেন, আপনার ঠোঁট যদি খুব শুকনো হয়, তা হলে কিন্তু ন্যুড লিপস্টিক লাগানোর পরে তা বেশ পরিষ্কার চোখে পড়বে। তাই ন্যুড শেড লাগানোর আগের রাতে অবশ্যই ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ বামের পরত লাগাতে ভুলবেন না। লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে সম্ভব হলে পুরোনো, নেতিয়ে যাওয়া টুথব্রাশ ঠোঁটে বুলিয়ে নিন। চিনি বা নুন আর সামান্য মধু দিয়ে তৈরি স্ক্রাব লাগিয়ে এক্সফোলিয়েট করে নিয়ে তার পর লাগালে সেরা এফেক্ট পাবেন। ব্যাস এবার ঠোঁটে বুলিয়ে নিন এমন কালার যা আপনাকে মানায় এবং আপনার পছন্দের, এবং হয়ে উঠুন সেরার সেরা।