অভিনব পর্যটন আকর্ষণ ট্রি-হাউস

    0
    150

    খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  দিগন্ত বিস্তৃত গভীর জঙ্গল৷ যে দিকে দু’চোখ যায় শুধু শাল, মহুয়া, পলাশ আর নাম না জানা অসংখ্য গাছেদের সারি৷ এমনই অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ঘেরা বাঁকুড়ার রানিবাঁধের ঝিলিমিলিকে আরও মোহময়ী রুপ দিতে ইকো ট্যুরিজমের উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন৷বাঁকুড়ার খাতড়া মহকুমা প্রশাসন সূত্রে খবর, এখানে তৈরী হচ্ছে ‘ট্রি হাউস’ থেকে ‘সুইস টেন্ট’৷ এখানে আসা পর্যটকরা প্রকৃতির মাঝে থেকেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবেন৷ঝিলিমিলিকে নতুন রুপে সাজিয়ে তুলতে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের তরফে তৈরী করা হচ্ছে দু’টি ‘ট্রি হাউস’, দু’টি সুদৃশ্য ‘কটেজ’ ও দু’টি ‘সুইস টেন্ট’৷ গাছের উপরে তৈরী বাড়ি ‘ট্রি হাউস’ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দেদের পাশাপাশি এখানে আসা পর্যটকদের মধ্যে বিপুল আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে৷ আগামী এক মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে৷২০১১ সালের আগে মাওবাদীদের ভয়ে এখানে পর্যটকের সংখ্যা শূন্যতে নেমেছিল৷ সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই মাও-যৌথ বাহিনীর গুলির লড়াইয়ের শব্দে জঙ্গলের আকাশ বাতাস কেঁপে উঠত৷ পর্যটক আসা তো দূরের কথা নিজেদের জীবন নিয়েও সংশয়ে ছিলেন এলাকার মানুষ৷ সময় বদলেছে৷ থেমেছে গুলির লড়াই৷ জঙ্গলমহল এখন সেই আগের ছন্দে ফিরেছে৷বাঁকুড়ার রানি মুকুটমনিপুর-সহ ঝিলিমিলি-সুতানে বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা৷ আর ঠিক সেই কারণেই এই এলাকায় আরও বেশি পর্যটক টানতে ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার৷ মুকুটমনিপুরে আসা পর্যটকরা একই সঙ্গে এখানে এসেও ছুটির আনন্দ নিতে পারবেন৷পাশাপাশি এই জায়গা থেকে পর্যটকরা সহজেই পৌঁছে টেতে পারবেন সুতান আর তালবেড়িয়া জলাধারে৷ বাইরে থেকে যত বেশি মানুষ এখানে বেড়াতে আসবেন তত বেশি এলাকার মানুষ কাজ পাবেন৷ আর্থিকভাবে লাভবান হবেন জঙ্গল মহলের মানুষ৷

    LEAVE A REPLY