পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূণ্য হলো বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমা

    0
    81

    ইন্দ্রানী সেন, বাঁকুড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী শূণ্য হলো  বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমা। পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ইতিমধ্যেই কোন বিরোধী  প্রার্থী না থাকায় সবকটি আসনেই এগিয়ে ছিল শাসক দল। শুধুমাত্র  জেলা পরিষদের  বিরোধী প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেস থেকে ইন্দাসের ৪১নং ও বিষ্ণুপুরের ৩৪ নং আসনে কংগ্রেস প্রার্থী দেওয়ায় হয়।

    সূত্রের খবর,  জেলা পরিষদের ২ জন বিরোধী প্রার্থী থাকার কারনে ভোট অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছিল এই দুই কেন্দ্রে কিন্ত বিরোধী প্রার্থীরা এই  দুই কেন্দ্র থেকে আজ  সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সেই আশা আর থাকল না। বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় জিতে গেল শাসক দল।ইন্দাসের ৪১ নম্বর জেলা পরিষদে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র দেন  সভাধিপতি অরুপ চক্রবর্ত্তী। তার বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন বাসুদেব বিশ্বাস। অন্য দিকে বিষ্ণুপুরে তৃণমূলের মথুর কাউড়ি মনোনয়ন পত্র জমাদেন । তার বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন গহ্বর বায়েন। দু’জন কংগ্রেস প্রার্থীই আজ বিষ্ণুপুর মহাকুমা শাসকের কার্যালয় থেকে  মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।

    উল্লেখ্য, মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা কয়েক দিন আগেই জানিয়েছিলেন যে বিষ্ণুপুর মহাকুমার ৬টি ব্লকই বিরোধীশূন্য হয়েছে পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির আসনে। যে দুটি আসনে ভোট হবার কথা ছিল বিরোধী প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য আর ভোট হবার কোন সম্ভাবনাই থাকছে না বিষ্ণুপুর মহাকুমাতে। ইন্দাসের ৪১ আসনে বাঁকুড়ার  সভাধিপতি অরুপ চক্রবর্ত্তী সংরক্ষণের কারনে  তার পুরোনো কেন্দ্র বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন পুয়াবাগানে প্রার্থী হতে পারেননি। তাই ইন্দাস থেকেই জেলা পরিষদের প্রার্থী হওয়ার মনোনয়ন পত্র জমাদেন । বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকায় মোট গ্রাম পঞ্চায়েত আসন সংখ্যা ৭৫৩, পঞ্চায়েত সমিতি ১৫৭ ও জেলা পরিষদে ১৩ টি আসন রয়েছে। তার কোনটিতেই বিরোধীরা প্রার্থী দিতে না পারায় শাসক দল এখানে অনেকটাই শক্তি শালী হয়ে গেলো।

    মনোনয়নপত্র জমা দিয়েও কি কারণে তা প্রত্যাহার এই নিয়ে ইন্দাস ৪১নং বিরোধী প্রার্থী  বাসুদেব বিশ্বাস
    টেলিফোন এ বলেন, পুরো বিষ্ণুপুর মহাকুমাতে কোন বিরোধী প্রার্থী না থাকায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। তিনি আরও বলেন, বিধান সভা ভোটে জোট করে কংগ্রেস দলের ক্ষতি হয়েছে। আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করলে ও ২২ বছর ধরে ইন্দাসে কংগ্রেসের সভাপতি আছি থাকবো ।  এবিষয়ে জেলা কংগ্রেস সভাপতি নীলমাধব গুপ্ত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শাসক দল চায়না বিরোধীরা ভোটের লড়াইয়ে থাকুক। তাই ভয় দেখিয়ে জোর করে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। দিলেও তুলতে বাধ্য করা হয়েছে। পরাজয় অবশ্যাম্ভাবী জেনেই এই কাজ করছে শাসক দল। ইন্দাস ও বিষ্ণুপুর তারই নবতম সংযোজন বলে তার দাবী। শেষ পাওয়া খবরে বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক মানস মন্ডল বলেন, শুধুমাত্র বিষ্ণুপুরের উলিয়াড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসক দলের দু জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দিয়েছেন। বাকি সমস্ত আসনে এগিয়ে শাসক দল ।

    LEAVE A REPLY