পঞ্চায়েতের আগে জেনে নিন কি উন্নয়ন হল নদীয়া জেলায়

    0
    36

    খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ রাজ্য ও অন্যান্য জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে নদীয়া জেলায়

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণঃ

    • নদীয়ায় গড়ে তোলা হচ্ছে নতুন মেডিকেল কলেজ।
    • এখানে গড়ে তোলা হচ্ছে All India Institute of Medical Science (AIIMS), Institute of Public Health.
    • এই জেলার কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, রানাঘাট, তেহট্টে গড়ে উঠেছে ৪টি নতুন মাল্টি সুপার হাসপাতাল।
    • কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, রানাঘাট, তেহট্ট, শান্তিপুর, নবদ্বীপ, গান্ধী মেমোরিয়াল, চাকদহ, চাপরা এবং করিমপুর হাসপাতালে ১০টি ন্যায্য মূল্যে ওষুধের দোকান চালু হয়ে গেছে। জেলার এই সকল ন্যায্য মূল্যে ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনার ফলে, ২২ লক্ষ
    • ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ, ৪৯ কোটি ৯ লক্ষ টাকারও বেশি ছাড় পেয়েছেন।
    • কৃষ্ণনগর এবং কল্যাণী হাসপাতালে ৪টি ডায়াগনস্টিক পরিষেবা চালু হয়ে গেছে।
    • এই জেলায় ১৬টি SNSU চালু হয়ে গেছে (রানাঘাট, তেহট্ট, চাকদহ, শান্তিপুর, নবদ্বীপ, করিমপুর, বগুলা, বেথুয়াডহরী, চাপরা, হরিণঘাটা, কৃষ্ণগঞ্জ, ধুবুলিয়া, যাদব দত্ত, মহেশগঞ্জ, প্রীতিময়ী ও কালীগঞ্জ)।
    • কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, রানাঘাট, তেহট্ট হাসপাতালে ৪টি SNCU চালু হয়ে গেছে।
    • কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, রানাঘাট, তেহট্ট হাসপাতালে ৪টি CCU/HDU চালু হয়ে গেছে। করিমপুর হাসপাতালে আরো একটি HDU এর কাজ চলছে।
    • কৃষ্ণনগর হাসপাতালে গড়ে তোলা হয়েছে ১টি Mother & Child Hub.
    • ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পে এই জেলায় প্রায় ২ লক্ষ ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নথিভুক্ত হয়েছেন।
    • ‘শিশু সাথী’ প্রকল্পে এই জেলার ৪৫০টিরও বেশি বাচ্চার সফল অস্ত্রোপচার করা হয়েছে
    • শিক্ষাঃ
    • কল্যাণীতে গড়ে তোলা হয়েছে রাজ্যের প্রথম India Institute of InformationTechnology (IIT).
    • ফুলিয়ায় গড়ে তোলা হয়েছে রাজ্যের প্রথম India Institute of HandloomTechnology (IHT).
    • হরিণঘাটায় চালু হয়েছে MAKAUT (Maulana Abul Kalam Azad University of Technology)-এর ক্যাম্পাস।
    • এই জেলার চাপরা, তেহট্ট, কালীগঞ্জ, মুড়াগাছাতে ৪টি নতুন সরকারি কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে।
    • কালীগঞ্জ, কৃষ্ণনগর-১, তেহট্ট-১, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট-২, কৃষ্ণগঞ্জ, চাপরা, কৃষ্ণনগর-২, হরিনঘাটা, করিমপুর ১-এ ১০টি নতুন আইটিআই কলেজ নির্মাণ করা হয়েছে।
    • ‘উৎকর্ষ বাংলা’ কর্মসূচিতে, জেলার ৪৮ হাজারেরও বেশি যুবক যুবতীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
    • এই জেলায়, ৪ লক্ষ ১৩ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে ‘সবুজসাথী’ প্রকল্পে সাইকেল প্রদান করা হয়েছে।
    • নাকাশিপাড়ায় ১টি নতুন মডেল স্কুল নির্মাণ করা হয়েছে।
    • সব স্কুলে মিড ডে মিল চলছে, যার ফলে পুষ্টি ও উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল-ছুট ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা কমেছে।
    • প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।
    • ভূমি সংস্কার, কৃষি ও পশুপালনঃ
    • জেলার ১৮ হাজার ৭০০ র বেশি যোগ্য ভূমিহীন পরিবারের হাতে ‘নিজ গৃহ নিজ ভূমি’ প্রকল্পে পাট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ৮ হাজারেরও বেশি কৃষি ও বনাধিকার পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।
    • এই জেলায় প্রায় ৯৯% কৃষক পরিবারকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। বাকিদেরও খুব দ্রুত কিষাণ ক্রেডিট কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।
    • এই জেলার হাঁসখালি, তেহট্ট-১, কৃষ্ণগঞ্জ, ফুলিয়া, রানাঘাট, বেথুয়াডহরি, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, কৃষ্ণনগর-১, করিমপুর-১ এ ১০টি ‘কিষাণ মাণ্ডি’ গড়ে তোলা হয়েছে।
    • জেলায় প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর, ১৮ লক্ষ ৭৯ হাজারেরও বেশি হাঁস ও মুরগীর বাচ্চা বিতরণ করেছে।

    পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নঃ

    • এই জেলায় ১০০ দিনের কাজে, ১৮৪২ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করে প্রায় ৮ কোটি ৯৭ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে।
    • জেলার প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ গ্রামীণ আবাসন যোজনায় উপকৃত হয়েছেন।
    • এই জেলার আরও প্রায় ২২ হাজার ৭৬২ জন উপভোক্তাকে বভারি তৈরির সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
    • জেলায় গ্রামীণ সড়ক যোজনায় প্রায় ৭৮০ কিমি রাস্তা নির্মাণ/সংস্কারের সূচনা করা হয়েছে।
    • ‘সমব্যাথী’ প্রকল্পে জেলার প্রায় ৬ হাজার ৫০১ জন উপকৃত হয়েছে।
    • নদীয়া দেশের প্রথম ‘নির্মল জেলা’। নদীয়া জেলা এর জন্য বিশ্ব ব্যাঙ্ক, United Nations এবং ইউনিসেফের পুরস্কার/প্রশংসা অর্জন করেছে। জেলায় ‘মিশন নির্মল বাংলা’ প্রকল্পে, প্রায় ৩ লক্ষ ১৫ হাজার শৌচালয় নির্মাণ করা হয়েছে – যা লক্ষ্যমাত্রার ১০০%।

    সংখ্যালঘু উন্নয়নঃ

    • বিগত সাড়ে ৬ বছরে, এই জেলার প্রায় ৯ লক্ষ ৯৯ হাজার সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীকে, প্রায় ১৯৭ কোটি টাকা স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া, স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের, প্রায় ৭৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে।
    • কৃষ্ণনগর মহকুমা পানীনালায় গড়ে তোলা হয়েছে ইংলিশ মিডিয়াম হাই মাদ্রাসায়।
    • MSDP-তে, প্রায় ২১৭ কোটি টাকা ব্যয় করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়িত করা হয়েছে।
    • এই প্রকল্পে জেলায় ৯ হাজারেরও বেশি হেল্‌থ সাব-সেন্টার, অতিরিক্ত শ্রেণী কক্ষ, অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র, বাসগৃহ ইত্যাদি গড়ে তোলা হয়েছে।
    • এর মধ্যে, এই জেলায় ২৬ টি ‘কর্মতীর্থ’ গড়ে তোলা হচ্ছে।

    অনগ্রসর কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়নঃ

    • বিগত সাড়ে ৬ বছরে, এই জেলায় ৩ লক্ষ ৯০ হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী ‘শিক্ষাশ্রী’ প্রকল্পে সহায়তা পেয়েছে।
    • জেলায় বিগত সাড়ে ৬ বছরে, ৪ লক্ষ ২৭ হাজারেরও বেশি SC/ST/OBC Certificate প্রদান করা হয়েছে।

    নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণঃ

    • এই জেলায়, ২ লক্ষ ৯০ হাজারেরও বেশি ছাত্রী ‘কন্যাশ্রী’র আওতায় এসেছে।
    • খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচী-‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পঃ
    • এই জেলায় ১০০% যোগ্য মানুষকে (প্রায় ৫১ লক্ষ ৫৯ হাজারেরও বেশি মানুষকে), ২/- টাকা কেজি দরে (অথবা বাজার দরের অর্ধেক দামে)খাদ্যশস্য দেওয়া হচ্ছে- যা জেলার জনসংখ্যার প্রায় ১০০%।

    শিল্পঃ

    • জেলায় ৪টি Industrial Park তৈরি করা হয়েছে (কল্যাণী ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ সেন্টার (ফেজ ১,২ এবং ৩), হরিনঘাটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক)।
    • জেলায় ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের ৬৯টি ক্লাস্টার গড়ে উঠেছে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
      · ১২টি MSME ক্লাস্টার
      · ৫৩টি Handloom ক্লাস্টার,
      · ৪ টি Khadi ক্লাস্টার প্রভৃতি।
    • কল্যাণিতে গড়ে তোলা হয়েছে একটি আইটি পার্ক। কৃষ্ণনগরে গড়ে তোলা হচ্ছে একটি আইটি পার্ক।
    • জেলার ঐতিহাসিক মসলীন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে কৃষ্ণনগর-১এর ঘূর্ণিতে খোলা হয়েছে গ্রামীণ বিপণন কেন্দ্র- ‘মসলীন তীর্থ’।
    • মসলীন শিল্পের সাথে যুক্ত কারিগরদের প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ইত্যাদির জন্য হাতে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৬৩ কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রকল্প।
    • ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে এই জেলায় ৪৪৮৭ কোটি টাকারও বেশি ব্যাঙ্ক ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

    পূর্ত ও পরিবহনঃ

    • বিগত সাড়ে ৬ বছরে, এই জেলার পূর্ত দপ্তর ২৫৭টির বেশি রাস্তাঘাট, ব্রীজ ইত্যাদি প্রকল্প রূপায়ণের কাজ হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে ১৮৩ টিরও বাশি প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যেই সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে, প্রচুর মানুষ উপকৃত হয়েছেন। বাকী প্রকল্পের কাজ খুব শীঘ্রই সমাপ্ত হবে।
    • বাজিতপুর-শিবনিবাস রাস্তায় চূর্ণী নদীর উপর সেতুর অবশিষ্ট অংশের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ
      · রাণাঘাট- কৃষ্ণনগর রাস্তা,
      · হরিণঘাটা- গাইঘাটা রাস্তা,
      · রৌতড়ি থেকে চকদহ-নিমতলা রাস্তা
      · তারাপুর- বলাগড় ঘাট রাস্তা প্রভৃতি।
    • বৈতরণী প্রকল্পে, ১৫টি শ্মশান-ঘাটের উন্নয়ন সহ ১টি বিদ্যুতের চুল্লি বসানোর কাজ চলছে।
    • এই জেলার প্রায় ১২৯০ জন যুবক-যুবতী গাড়ি কেনার ঋণ পেয়ে আত্মনির্ভর হয়েছেন।
      হাতে নেওয়া হয়েছে, Safe Drive Save Life এবং Slow Drive Save Life কর্মসূচী। ফলে, উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে দুর্ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা।
    • বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তিঃ
    • সমগ্র জেলায় ‘সবার ঘরে আল’ প্রকল্পে, ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
    • বীরনগরে নতুন ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন তৈরী হয়েছে।
    • সেচঃ
    • জেলায় প্রায় ৪০ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য কারিগরীঃ

    • বিগত সাড়ে ৬ বছরে, ১২৩ টি জলপ্রল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ১০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২১ টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর ফলে জেলার প্রচুর মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বাকি জলপ্রকল্পগুলির কাজ শীঘ্রই সমাপ্ত হবে।
    • নবদ্বীপ ব্লকে প্রায় ৮০ কোটি টাকার জল পরিশ্রুতাগার গড়ে তোলা হয়েছে।
      চাকদায় আর্সেনিক অধ্যুষিত মৌজায় পাণীয় জল সরবরাহের জন্য সারফেস ওয়াটার বেসড পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্প গড়ে তোলা হয়েছে।
    • কৃষ্ণনগর পৌরসভায় ভাগীরথী নদী থেকে দৈনিক ৩ কোটি লিটারেরও বেশি পানীয় জল সরবরাহে সক্ষম পরিশ্রুতাগার গড়ে তোলা হচ্ছে।

    বন ও পর্যটনঃ

    • ‘সবুজশ্রী’ প্রকল্পে, ৭৬ হাজার ৭০-রও বেশি সদ্যজাত শিশুকে মূল্যবান গাছের চারা দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছর উত্তীর্ণ হলে, গাছ বিক্রির টাকায় শিশুটির পড়াশোনা, বিয়ে ইত্যাদির খরচ মেটানো যাবে।
    • কৃষননগর-১ ব্লকের ঘূর্ণিতে গড়ে তোলা হয়েছে একটি কারু ও হস্তশিল্পের সংগ্রহশালা।
      পলাশী যুদ্ধক্ষেত্রে সৈনিক সমাধি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।
    • শ্রমঃ এই জেলায় ‘সামাজিক সুরক্ষা যোজনা’য়, প্রায় ৮ লক্ষ ৯৪ হাজার অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক নথিভুক্ত হয়েছেন। এখনো পর্যন্ত, প্রায় ২ লক্ষ ১৪ হাজার উপভোক্তা, ৭৮ কোটি টাকারও বেশি সহয়তা পেয়েছেন।
    • ‘যুবশ্রী’ প্রকল্পে, এই জেলার প্রায় ১৩ হাজার যুবক-যুবতী উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন

     

    স্বনির্ভর দল ও স্বনিযুক্তি কর্মসুচীঃ

    • ‘আনন্দধারা’ প্রকল্পে, প্রায় ৪৪ হাজার স্বনির্ভর দল গঠিত হয়েছে।
    • বিগত সাড়ে ৬ বছর, ‘স্বামী বিবেকানন্দ স্বনির্ভর কর্মসূচী প্রকল্পে’, প্রায় ১১ হাজার ৫০০ উদ্যোগকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৫৪ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

    পুর ও নগরোন্নয়নঃ

    • জেলায় ১১টি মিউনিসিপ্যালিটি, ২৬৪কোটি টাকারও বেশী পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে।
    • শহরাঞ্চলের গরীবদের জন্যে বাসস্থান প্রকল্পে, প্রায় ১১ হাজার ১৬৬ জন মানুষ উপকৃত হয়েছেন।
    • নবদ্বীপ ও মায়াপুরকে হেরিটেজ শহর হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    তথ্য ও সংস্কৃতিঃ

    • এই জেলায় ৯ হাজারেরও বেশী লোকশিল্পী, ‘লোকপ্রসার প্রকল্পে’ রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন।
    • কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট রবীন্দ্রভবনকে নবরূপে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

    আবাসনঃ

    • জেলায় আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষদের জন্যে গীতাঞ্জলী ও অন্যান্য প্রকল্পে প্রায় ১৯ হাজার মানুষ উপকৃত হয়েছেন।
    • ভ্রমনার্থীদের সুবিধা এবং স্থানীয় মান্নুশের কর্মসংস্থানের জন্য হরিণঘাটা, শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর-১, ঘটিগাছা (রানাঘাট-২) এবং দেবগ্রামে ৫টি ‘পথসাথী’-মোটেল গড়ে তোলা হয়েছে।

    ক্রীড়া ও যুব কল্যাণঃ

    • ক্রীড়ার মান উন্নয়নে জেলায় ১০৪৭টিরও বেশী ক্লাবকে ৩৭কোটি টাকারও বেশী অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।
    • জেলায় প্রায় ১৮৭টি মাল্টি জিম ২১টি মিনি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, প্রায় ৮ কোটি ৮৪লক্ষ টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয়েছে।
    • কৃষ্ণনগর জেলা ক্রীড়াঙ্গন ও নবদ্বীপ স্টেডিয়ামের সংস্কার করা হয়েছে। নবদ্বীপ ব্লকে যুব আবাস গড়ে তোলা হয়েছে।

    আইন শৃঙ্খলাঃ

    • এই জেলায় গড়ে তোলা হয়েছে কল্যাণী ও করিমপুরে ২টি মডেল থানা।
      স্থাপন করা হয়েছে নতুন ভীমপুর থানা ও কৃষ্ণনগর মহিলা থানা।
    • তেহট্ট থানার বিভাজন করে নতুন পলাশীপাড়া থানা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    ফাইল চিত্র 

    LEAVE A REPLY