নারি দের নিয়ে গবেষণায় কি তথ্য প্রকাশ পেল ?

    0
    236
    গবেষণায় জানা গেছে, মেয়েদের সম্ভাব্য আয়ু ছেলেদের তুলনায় অনেক বেশি। কোনও কোনও দেশে মেয়েদের আয়ুর পার্থক্য ১০ বছরের বেশি। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, অ্যামেরিকায় মেয়েদের সম্ভাব্য আয়ু ৮১। ছেলেদের ৭৬ বছর। জাপানে ছেলে ও মেয়েদের সম্ভাব্য আয়ু সবচেয়ে বেশি। মেয়েদের বয়স ৮৬ ও ছেলেদের ৮০ বছর। এই আয়ু পার্থক্যের বিষয়টি নতুন নয়। এবার বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে নতুন তথ্য। যেখানে জানা গেছে, অস্তিত্বের লড়াইয়ে ছেলেদের  তুলনায় অনেক এগিয়ে মেয়েরা। যে কোনও কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করে বেঁচে থাকার ক্ষমতায় এগিয়ে মেয়েরা।প্রসেডিং অফ দা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স নামক একটি সায়েন্টেফিক জার্নালে এই নতুন গবেষণা সামনে এসেছে। বিজ্ঞানীরা ২৫০ বছরের একটি সময়কাল নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই সময়কালে সংকটময় পরিস্থিতি, যেমন দুর্ভিক্ষ, মহামারীগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে মানুষের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। জানা গেছে, মেয়েদের সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে মেয়েরা অনেক বেশি এগিয়ে। গবেষকদের বিশ্বাস, “কঠিন পরিস্থিতিতে অস্তিত্বের লড়াইয়ে অনেক এগিয়ে মেয়েরা।”জনসংখ্যার উপর গবেষণা করে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। সদ্যোজাতদের বেঁচে থাকার হারের নিরিখে এগিয়ে মেয়েরা। জন্মের সময় পুত্রসন্তানের থেকে অনেক বেশি বাঁচার সম্ভাবনা থাকে সদ্যোজাত কন্যাসন্তানের। এই তথ্য থেকে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন, মেয়েদের সম্ভাব্য আয়ু বেশি হওয়ায় কঠিন পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও বেশি। তবে সদ্যোজাত কন্যাসন্তানদের অস্তিত্বের লড়াই করার ক্ষমতা কেন বেশি, তা গবেষণায় স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য আয়ু পার্থক্য নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, বেঁচে থাকার হার নির্ভর করে জৈবিক, সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাবগুলো নিয়ে। মেয়েদের শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপের সঙ্গে জৈবিক প্রভাবগুলো অনেকটাই মেলে। যার ফলে অস্তিত্ব সংকটে মোকাবিলায় ও আয়ুপার্থক্যে ছেলেদের তুলনায় অনেক এগিয়ে মেয়েরা।

    LEAVE A REPLY