বর্ষার মোকাবিলা করতে উপযুক্ত হেয়ার স্টাইল

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ-  খাতায় কলমে বর্ষা এসে গেলেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ যথেষ্ট বেশী।ফলে ঘাম হচ্ছে সারাক্ষণ,বাতাসে একটা গুমোট অস্বস্তির ভাব।এর প্রভাবটা প্রথম পড়ে আমাদের চুলের ওপরে। চুলের গোড়ায় ঘাম জমে, চুল চটচটে, রুক্ষ হয়ে যায়। এরকম সময়ে নিয়মিত শ্যাম্পু আর কন্ডিশনিং করে চুল পরিষ্কার তো রাখতেই হবে, তার সঙ্গে দরকার সঠিক হেয়ারস্টাইল।তাই আপনাদের সুবিধার জন্য এরকমই কিছু হেয়ার স্টাইলের খোঁজ দিচ্ছে খোঁজখবর।

১।অর্ধেকটা চুল দিয়ে এলোমেলো হাফ টপ নট বেঁধে নিন। মুখে চুল পড়বে না, অল্প চুল খোলা থাকলে দেখতেও ভালো লাগবে।

২।গোটা চুলটা জড়ো করে পনিটেলে বেঁধে নিন। ইচ্ছে করলে চুলের নিচের দিকটা হালকা কার্ল করেও নিতে পারেন।

৩। আপনার চুল কি কোঁকড়া? হালকা সিরাম মেখে নিন চুলে যাতে চুল খুব রুক্ষ না দেখায়, তারপর পিছনে টেনে খোঁপা বা পনিটেলে বেঁধে নিন। সামনের দিকের চুলটা ভালো করে আঁচড়ে নেবেন।

৪।বৃষ্টির দিনের আদর্শ হেয়ারস্টাইল। চুলটা আঁচড়ে পনিটেল করে নিন, তারপর গুটিয়ে খোঁপা করে নিলেই হল!

৫।চুল খুব তেলতেলে হয়ে গেছে? অল্প সিরাম দিয়ে চুলটা উঁচু করে টপ নটে বেঁধে নিন। তারপর সামনের দিকে দু’পাশ দিয়ে একটা দুটো চুলের গুছি আলগা করে ফেলে রাখুন। এলোমেলো অথচ পরিপাটি লুকের কম্বিনেশন দেখতে দারুণ লাগবে!

প্রাকৃতিক উপায়ে হেয়ার স্ট্রেটনিং

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্কঃ-  রেশমের মতো সোজা ও মসৃণ চুল পাওয়া অনেক মেয়েরই স্বপ্ন।কিন্তু তার সাথে জড়িয়ে থাকে পার্লারের কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট।তার চেয়ে যদি আপনি বাড়ীতে বসে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায়ে সাময়িকভাবে চুল স্ট্রেট করে নিতে পারেন,সেটা আপনার চুলের জন্য বেশী উপকারী হয় না কি?এর জন্য রইলো ৫টি টিপস-

১। একটি বাটিতে দুটো পাতিলেবু চিপে তার সবটুকু রস নিয়ে নিন।তার সাথে মেশান নারকেল তেল।মিশ্রণটা কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিলে ক্রীমের মতো ঘন হয়ে আসবে।এবার মিশ্রণটা চুলে ও স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করে মোটা দাঁতের চিরুণি দিয়ে চুলটা আঁচড়ে নিন,যাতে ক্রিমটা সমানভাবে পুরো চুলে ছড়িয়ে পরে।আধঘন্টা রেখে কোন মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুলটা ধুয়ে ফেলুন।

২।দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েলের সাথে এক টেবিল চামচ সয়াবিন তেল মিশিয়ে মিশ্রণটা আঁচে গরম করুন।গরম হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে পুরো চুল ও স্ক্যাল্পে মাখুন।আধঘন্টা রাখার পরে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৩।একটা ডিম ভেঙে ভাল করে ফেটিয়ে নিন।তাতে কিছুটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগান।এক ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

৪। এক কাপ জলে দুই টেবিল চামচ অ্যা পেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নেড়ে নিন।মিশ্রণটা পুরো চুলে লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন।

৫। সিকি কাপ দুধ স্প্রে বটলে ভরে শ্যাম্পু করা চুলে ভাল করে ছিটিয়ে নিন।মোটা দাঁতের চিরুণি দিয়ে চুলটা আঁচড়ান যাতে দুধটা গোটা চুলে ছড়িয়ে যেতে পারে।আধঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

কানের দুলের সাতকাহন

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্ক :- নিত্যদিনের অফিস যাওয়া থেকে শুরু করে বিয়েবাড়ী হোক বা কোনো ছোটখাটো আউটিং-কানের দুল ছাড়া সমস্ত সাজটাই থেকে যায় বেমানান।তবে উপলক্ষ বদলানোর সাথে সাথে এর আকার,আয়তন,ডিজাইন সবই বদলে যায়।ক্যাজুয়াল সাজের সাথে ছোট স্টাড মানিয়ে গেলেও এথনিক সাজের সাথে কিন্তু বড় দুল-ই ভাল লাগে।আবার বিয়েবাড়ীর ক্ষেত্রে ভারী অ্যান্টিক ডিজাইনের দুলও সাজের সাথে মানিয়ে যায়।মাঝে নকশাদার গলার অলঙ্কারের ভিড়ে কানের দুল একটু পিছিয়ে পরলেও এখন আবার সে নিজের স্বমহিমায় বর্তমান।

সোনার দুলের অপশন তো সবসময় আছেই।কিন্তু সন্ধেবেলা বিয়েবাড়ীতে যদি শাড়ির ম্যাচিং পাথর সেটিং-এর একটা জড়োয়া কানের দুল পান,পরার লোভ সামলাতে পারবেন তো?

বা ধরুন বিয়েবাড়ীর মতো জমকালো সাজ নয়,কিন্তু সকালবেলার কোন অনুষ্ঠানে আপনাকে যেতে হবে।আপনি যদি সুন্দর করে সেজেগুজে সাথে একটা ঝুমকো পরে নেন,আপনার রূপ কিন্তু তাতে খুলবেই খুলবে।

আবার বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে বা মুভি ডেটে যাওয়ার সময় যদি ড্রেসের ম্যাচিং করে কানে একটা হুপস বা রিং পরে নিতে পারেন,তাহলে তা যেমন আরামদায়কও হয়,আবার আড্ডার মুডের সাথে মানিয়েও যায়।

বিয়েবাড়ীতে এথনিক পোষাক পরলেও সান্ধ্য পার্টিতে আপনার একটা ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরার ইচ্ছা হতেই পারে।ড্রেসের সাথে আকদম সাদামাটা দুলও যেমন ভালো লাগে না,তেমন খুব ভারী দুলও পরা যায় না।সেক্ষেত্রে আপনার জন্য অপশন আছে লম্বা জড়োয়ার দুল ট্রাই করার।

তবে অফিসে কাজে যাওয়ার সময়টুকুর জন্য সোনা,হীরে বা অন্য কোন স্টোন সেটিং-য়ের একটা ছোট স্টাড পরে নিলে আর কোন চিন্তা করার দরকার হয়না।

নুপূর পরা এখন কতটা ফ্যাশনে ইন?

খোঁজ-খবর,ওয়েবডেস্ক :- আজ থেকে দুই জেনারেশন আগেও অর্থাৎ আমাদের ঠাকুমা-দিদিমাদের সময়কালে সদ্য বিয়ে হয়ে আ্স নতুন বউয়ের আলতা পায়ে নুপূর পরে ঘুরে বেড়ানোর চল থাকলেও আজকাল এইসব চল বিশেষ চোখে পরে না।সময়ের সাথে সাথে মানুষ যত আধুনিক হয়েছে তাকে অঙ্গ থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয়েছে অনেক কিছুই।

তবে ইদানীং দেখা যাচ্ছে বেশকিছু পুরনো পোষাক বা গয়নাকে মানুষ আবার নিজের শখের বশেই ফিরিয়ে আনছেন।তার মধ্যে একটা হল পায়ের নুপূর বা অ্যাঙ্কলেট।ক্রপড প্যান্ট,গোড়ালির একটু ওপরে শেষ হওয়া ইন্দো-ওয়েস্টার্ন পোষাক বা বিচওয়্যারের সাথে অ্যাঙ্কলেট পরলে ভালো লাগে।

একেবারে ট্রাডিশনাল নকশার ভারতীয় নুপূর পরতে পারেন শাড়ি,পাতিয়ালা বা লং স্কার্টের সঙ্গে।

যাদের স্কিনটোন একটু সাদাটে,তাদের পায়ে রুপোর গয়না বেশী ভালো লাগে।হলদেটে টোনের গায়ের রঙে বিডেড বা সোনালী অ্যাঙ্কলেট পরতে পারেন।কনফিডেন্সের সঙ্গে ক্যারি করতে পারলে একাধিক বিডেড অ্যাঙ্কলেট বা আদিবাসীদের স্টাইলে মোটা পাঁয়জোর-ও পরতে পারেন।থং স্যান্ডাল বা ফ্লিপফ্লপের সাথে অ্যাঙ্কলেট ভালো মানায়।তবে অ্যাঙ্কলেট পরলে সবার নজর যেহেতু পায়ের দিকেই যায়,তাই আগে একবার অবশ্যই পেডিকিওর করিয়ে নেবেন।

লিপস্টিকের লেটেস্ট ট্রেন্ড

খোঁজখবর,ওয়েব ডেস্ক :  কাজ হোক বা ঘুরতে যাওয়া,কিছু কিছু লিপস্টিকের শেড থাকে কম্পালসারি।আবার কিছু কিছু কেনা হয় পোষাকের রঙের সাথে ম্যাচ করে। দ্বিতীয়টির জন্য না হলেও প্রথমটির জন্য কিন্তু ফ্যাশনিস্তাদের লিপস্টিকের লেটেস্ট ট্রেন্ড সম্পর্কে আপডেট থাকতে হবে।

লিপস্টিকের কালেকশানে একটা গোলাপী লিপস্টিক না থাকলে জাস্ট চলে না।আপনার ত্বকের সাথে গোলাপীর কোন শেডটি জাবে,সেটা প্রথমবার কেনার সময় দোকানে ট্রায়াল দিয়ে দেখে কেনাই ভালো।

গত বছর অরেঞ্জ লিপস্টিকের ট্রেন্ড থাকলেও এবছর আবার নিজ মহিমায় ফিরে এসেছে টুকটুকে লাল লিপস্টিক।মিনিম্যাল ড্রেস কোড হোক বা বিয়েবাড়ীর সাজ-সাথে যদি ক্যারি করতে পারেন লাল লিপস্টিক,তাতেই মাত করে দিতে পারেন আপনি।খুব উজ্জ্বল লাল ক্যারি করতে না পারলে স্বচ্ছন্দে লালের ম্যাট শেড ট্রাই করতে পারেন।এখন ম্যাট শেডও বাজারে অ্যাভেলেবল।

অন্যদিকে আবার দিনের বেলার সাজে ন্যুড শেড লিপস্টিকের কোনও বিকল্প নেই।হালকা রঙের পোশাকের সাথে পিচ বা পিঙ্ক ঘেঁষা ন্যুড খুব ভালো দেখায়।তবে আপনার ঠোঁট যদি খুব শুকনো হয়,তবে ন্যুড শেড লাগানোর আগের রাতে অবশ্যই ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ-বাম লাগাতে ভুলবেন না।নতুবা আপনার ঠোঁটের শুকনো ভাব ন্যুড লিপস্টিকে বেশি করে চোখে পড়বে।

হাল-ফ্যাশনের ফ্রেমে ট্রেন্ডি এবার আপনিও

খোঁজখবর,ওয়েব ডেস্ক : যারা চশমা পরেন তাদের মনে সবসময়ই সাজগোজ নিয়ে একটা খুঁতখুঁতানি থেকে যায়।রোজকার পোষাকের সাথে যদিও বা তারা চশমাটা ভালভাবে ক্যারি করে নেয়,কিন্তু শাড়ি গয়নায় সাজতে গেলেই মনটা খারাপ হয়ে যায়।মনে হয় চশমার জন্য পুরো লুকটাই মাঠে মারা যাবে।তারা মন খুলে চোখের মেক-আপ ও করে না,কারণ সবটাই তো চাপা পরে যাবে মোটা কাঁচের আড়ালে।

তবে লেটেস্ট ফ্যাশন ট্রেন্ড বলছে আপনার এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।আপনি মানুষটা আসলে কেমন সেটাতেই ফুটে উঠবে আপনার সৌন্দর্য্য।তাই আর শুধু শুধু মন খারাপ করে আপনার বিশেষ দিনগুলোর সাজগোজ মাটি করবেন না। না পোষালে কনট্যাক্ট লেন্স-ও পরবেন না। বরং এই বছর আবার যে সেই আগের পুরনো ফ্যাশনের চওড়া,ওভারসাইজ ফ্রেম ফিরে এসেছে-ট্রাই করতে পারেন সেইগুলো।কালো,বাদামী,খয়েরী,চকোলেট এই শেডগুলিও মোটামুটি সব স্কিন-টোনের সাথেই মানিয়ে যায়। আর ভারী চশমার কাঁচকে লেটেস্ট টেকনোলজিতে ফিনফিনে করে তোলার পদ্ধতি তো আগেই বেরিয়ে গেছিল।

সুতরাং একটুও না ভেবে চশমা পরেই হয়ে উঠুন হাল-ফ্যাশন ট্রেন্ডি আর সোনম কাপুর বা মিমি চক্রবর্ত্তীর মতো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করতে থাকুন নিজের চশমা পরা লুকের ছবি।

মুখের সঙ্গে মানানসই টিপ

খোঁজখবর,ওয়েব ডেস্ক :     ভারতীয় পোষাক বিশেষত শাড়ি পরলে সঙ্গে কপালে একটা টিপ সব মেয়েই পরতে চায়।কিন্তু কোন শেপের মুখে কোন টিপ ভালো মানাবে তা অনেক সময়েই অনেক মেয়েরা বুঝতে পারে না।ভারতীয়দের মুখের গড়ন অনুযায়ী গোল টিপ সবধরনের মুখের সাথেই যায়।

তবে সমস্যাটা হয় লম্বা বা তিনকোণা টিপ হলেই। যাদের মুখ গোল বা ডিম্বাকৃতি তারা অনায়াসেই লম্বা টিপ পরতে পারেন কারণ লম্বা টিপে মুখের শেপটা লম্বাটে দেখায়।

গোল মুখের সাথে গোল টিপ ভালো গেলেও মুখ যদি ছোট হয় বা কপাল যদি বেশী বড়ো হয়,তাহলে বড় বা বেশী লম্বা টিপ না পরাই ভালো, এতে চোখটা বেশী করে কপালের দিকেই পরে।যাদের মুখ পানপাতার মতো তারা অনায়াসেই যে কোনও আকার বা আয়তনের টিপ পরতে পারেন।

মুখের আকৃতি চৌকো বা ত্রিকোণ হলে চোয়াল রেখা সুস্পষ্ট হয়,চিবুকের কাছটা সরু হয়ে যায়।যেমনটা আছে নায়িকা শুভশ্রীর।তাই জন্য এদের মুখে মাঝারি আকারের গোল টিপ সবথেকে বেশী ভালো মানায়।

আর আপনি যদি লিপস্টিকের সঙ্গে টিপের রঙ ম্যাচ করে পরেন,তাহলে মুখের মেকআপে একটা ব্যালেন্সিং বজায় থাকে।

সেজে উঠুন মরশুমের সব চেয়ে ফ্যাশনেবল রংএ

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  রঙের দিক দিয়ে এই বছর পাল্লাটা বেশি ভারী গোলাপি আর হলুদের নানা শেডের দিকে, সেই সঙ্গে আছে মস আর কোরালের মতো রংও৷ সোজা কথায়, প্রকৃতির দিকে চোখ মেলে চাইলে যে ধরনের শেড আপনি সবচেয়ে বেশি দেখতে পাবেন, সেগুলিই ২০১৯-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রং৷ জেনে নিন আর কোন কোন রং ফ্যাশনেবল৷

এ বছর খুব নরম, ফেমিনিন রংগুলিই রয়েছে ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে৷ গোলাপের মতো নরম ‘ব্লাশ পিঙ্ক’ শেডের পোশাক তৈরি করছেন নামকরা ডিজ়াইনাররা৷তাছারা লাইলাক আর ল্যাভেন্ডার রং দু’টির মধ্যে আছে খুব মোলায়েম ভাব, দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়৷

কোরাল শেডটা গোলাপি আর কমলার মাঝামাঝি৷ মোনোক্রোম বা প্রিন্টেড, কোরাল সবেতেই দারুণ দেখায়৷ ক্রিম আর কোরালের কম্বিনেশনটাও খুব সুন্দর৷ ম্যাজেন্টার মতো সাহসী রংও ফিরে এসেছে আবার, আছে লাল, বার্গান্ডির মতো শেডও৷ টারমারিক ইয়েলো, লেমন ইয়েলো, ম্যাঙ্গো মোহিতো বা এগ-ইয়োক প্যাস্টেল ইয়েলোর মতো রং এগিয়ে আছে৷ চলবে শ্যাওলা সবুজ আর গাছের কান্ডের মতো সবুজের শেডও৷ কদর আছে নিওন গ্রিনেরও৷ হালকা নীল আর প্রিন্সেস ব্লু রংও চলছে৷ মেটালিক্স পছন্দ? বাছুন রুপোলি৷ তাছাড়া টফি আর গ্র্যানাইট ব্রাউনরঙা পোশাকও পরতে পারেন৷

লিপস্টিকের লেটেস্ট ট্রেন্ডে সেজে উঠতে চান ! তাহলে…

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ  লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজ অসম্পূর্ণ, তাই তো ! সে অফিসে হোক বা পার্টিতে ।কিছু কিছু লিপস্টিকের শেড মনের কোণে পাকাপাকি জায়গা করে নেয়, সেগুলি প্রায় সব সময়েই হাতের কাছে থাকে। কিছু কেনা হয় পোশাকের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করিয়ে। কিন্তু জানেন তো, বছর ভেদে লিপস্টিকের ট্রেন্ডও বদলে যায়? আর ফ্যাশনেবল থাকতে গেলে সে সম্পর্কে একটু হলেও ধারণা থাকাটা খুব জরুরি।আসুন জেনে নিই সেগুল কি কি

 

গোলাপি লিপস্টিক ছাড়া কিন্তু জাস্ট চলবেই না! আপনার ত্বকে গোলাপির কোন শেডটি মানায়, তা বোঝার জন্য আগে ট্রায়াল দিন। প্রথমবার গোলাপি লিপস্টিক কেনার জন্য দোকানে যাওয়াই ভালো, একবার নিশ্চিত হয়ে গেলে কিন্তু নিশ্চিন্ত অনলাইনে অর্ডার করতে পারবেন!

গত বছরেও অরেঞ্জ শেডের লিপস্টিক খুব চলছিল। এবার কিন্তু ফের স্বমহিমায় ফিরে এসেছে টুকটুকে লাল। যেদিন সাজগোজ করতে বিশেষ ইচ্ছে করছে না, একটা ঢিলেঢালা বয়ফ্রেন্ড জিনস আর সাদা শার্ট চাপিয়ে অফিসে বেরিয়ে পড়েছেন, সেদিনের সাজে লাল লিপস্টিক যোগ করে দেখুন তো কী খুনখারাপি কান্ড হয়!  ইদানীং বাজারে লাল লিপস্টিকের ম্যাট শেডও পাওয়া যায়, যাঁদের মনে হচ্ছে খুব উজ্জ্বল লাল ক্যারি করতে পারবেন না, তাঁরা স্বচ্ছন্দে ম্যাট শেড ট্রাই করে দেখতে পারেন।

দিনের বেলার সাজে ন্যুড লিপস্টিকের কোনও বিকল্প নেই। কোথাও বেড়াতে যাওয়ার থাকলেও সাইডব্যাগে অবশ্যই ন্যুড লিপস্টিকটি রাখবেন। যদি পোশাক হালকা রঙের হয়, তা হলেও পিচ বা পিঙ্কঘেঁষা ন্যুড খুব ভালো দেখায়।

তবে মনে রাখবেন, আপনার ঠোঁট যদি খুব শুকনো হয়, তা হলে কিন্তু ন্যুড লিপস্টিক লাগানোর পরে তা বেশ পরিষ্কার চোখে পড়বে। তাই ন্যুড শেড লাগানোর আগের রাতে অবশ্যই ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ বামের পরত লাগাতে ভুলবেন না। লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে সম্ভব হলে পুরোনো, নেতিয়ে যাওয়া টুথব্রাশ ঠোঁটে বুলিয়ে নিন। চিনি বা নুন আর সামান্য মধু দিয়ে তৈরি স্ক্রাব লাগিয়ে এক্সফোলিয়েট করে নিয়ে তার পর লাগালে সেরা এফেক্ট পাবেন। ব্যাস এবার ঠোঁটে বুলিয়ে নিন এমন কালার যা আপনাকে মানায় এবং আপনার পছন্দের, এবং হয়ে উঠুন সেরার সেরা।

 

হেয়ার অ্যাকসেসরিজে সাজিয়ে তুলুন নিজেকে

খোঁজখবর ওয়েবডেস্ক ঃ   বেশ কিছু বছর আগে মেয়েরা মাথার খোঁপায় হিরে-মানিক খচিত সোনার কাঁটা গুঁজতেন, বহুমূল্য বাগান, টায়রা পরারও চল ছিল। হাতির দাঁত বা মোষের শিং থেকে তৈরি হত দারুণ সুন্দর চিরুনি, তার উপর থাকত সোনা-রুপোর কারুকাজ। ইদানীং খুব জমকালো সাজে কোনও বিয়েবাড়ি বা অনুষ্ঠানে যাওয়ার থাকলেও অত দামী গয়নাপত্র পরার কথা মাথায় আসে না। তা ছাড়া লম্বা চুলের ঝক্কি সামলাতেও চান না বেশিরভাগ মেয়েই। খোঁপা বা বিনুনিই যদি না থাকে, তা হলে আর হেয়ার অ্যাকসেসরিজ়ই বা কে ব্যবহার করবেন। তবে ইদানিং খোঁপা বা এলো চুল সবেতেই হেয়ার অ্যাকসেসরিজ় ব্যবহার করা হচ্ছে।

 

এখানেই ভুলটা হচ্ছে। খোঁপায় কাঁটা না হয় না-ই বা গুঁজলেন, সুন্দর সুন্দর ক্লিপ, হেয়ারব্যান্ড, রিং ইত্যাদি ব্যবহার করতে তো কোনও বাধা থাকার কথা নয়!  বিশেষ করে যেদিন লম্বা কোনও ড্রাইভে যাওয়ার প্ল্যান আছে বা কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন, সেদিন হেয়ারব্যান্ড স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায়। স্পোর্টি লুকও বজায় থাকবে, সাজও হবে!

মাথার একদিকে সিঁথে করে ক্লিপ লাগালেও ভালো লাগবে দেখতে। কোনও ওয়েস্টার্ন ড্রেস বা ফেমিনিন টপের সঙ্গে তা দারুণ মানাবে। ক্লিপের নানা রকমফের হয়, মুক্তোর মতো চকচকে উজ্জ্বল দেখতে পুতি দেওয়া ক্লিপ একসঙ্গে অনেকগুলো পরতে পারেন, ভারী সুন্দর দেখাবে। যাঁদের চুল একটু লম্বা, তাঁরা রিভার্স ক্রাউন পরুন, চমৎকার দেখাবে।

ক্রাউন বা মুকুট মাথার সামনের দিকে থাকে, রিভার্স ক্রাউন পরা হয় পিছনে। দু’পাশ থেকে চুল তুলে মাথার পিছনে নিয়ে গিয়ে রিভার্স ক্রাউন লাগিয়ে নিলেই হবে! চিরুনি, হেয়ারচেন বা হেডব্যান্ডও খুব সুন্দর হয়। তবে হেয়ার অ্যাকসেসরিজ় যেদিন ব্যবহার করবেন, সেদিন চুল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। চুল যদি ঝলমলে না থাকে, তা হলে কিন্তু দেখতে ভালো লাগবে না একেবারেই !