অবশেষে মিলল সেন্সর বোর্ডের সম্মতি

    0
    31

    খোঁজখবর ওয়েব ডেস্ক :   ড়াইটা কাজে লাগল। এতদিনে ফল মিলল। কোনও কাট ছাড়াই পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্যর ‘পিউপা’কে শংসাপত্র দিতে সম্মত হল মুম্বই সিবিএফসি। শংসাপত্রটি এখনও অবশ্য হাতে এসে পৌঁছায়নি। তবে নতুন মুক্তির তারিখ পেল বহুচর্চিত বাংলা ছবিটি। জুন মাসের প্রথম দিনই মুক্তি পাচ্ছে ‘পিউপা’। তার আগে প্রকাশ্যে এল ছবির টিজার।একদিকে সুন্দর ভবিষ্যতের হাতছানি, অন্যদিকে শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতা- কোনটাকে বেছে নেবে মানুষ? এই প্রশ্নের উত্তরই নিজের ছবিতে খুঁজেছেন পরিচালক ইন্দ্রাশিস আচার্য। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ও প্রদীপ মুখোপাধ্যায়ের মতো তুখড় অভিনেতারা। এক সাক্ষাত্‍কারে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-কে পরিচালক জানিয়েছিলেন, ছবিতে একটি খুনের দৃশ্য রয়েছে। ইঞ্জেকশন দিয়ে খুনটি করা হচ্ছে। সে দৃশ্য নিয়েই আপত্তি তুলেছিল সেন্সর। ইঞ্জেকশনের লিক্যুইডের নাম পর্যন্ত দেখানো হয়নি অথচ পুরো দৃশ্যটি ছবি থেকে বাদ দিতে বলা হয়। কিন্তু ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম মেকার ইন্দ্রাশিস হাল ছাড়তে নারাজ ছিলেন। প্যাশন থেকেই ছবি তৈরি করেন। একটা অর্থবহ সিনেমা দর্শকদের উপহার দিতে চান। ওই একটা দৃশ্য বাদ দিলে সিনেমার কাহিনিতে ভীষণভাবে তার প্রভাব পড়বে। তাই কিছুতেই দৃশ্যটি বাদ দিতে রাজি হননি পরিচালক।

    সিবিএফসি-র মুম্বই বিভাগে পাঠানো হয় ছবি। সেখানে ছবিটি দেখেন সেন্সরের অন্যতম সদস্য বিদ্যা বালান। সিনেমাটি ভীষণ পছন্দ হয় তাঁর। কোনও দৃশ্য বাদ দিয়েই ছবিকে শংসাপত্র দেওয়ার কথা বলে তিনি। জানিয়ে দেন, এ ছবিতে বাদ দেওয়ার মতো কোনও দৃশ্যই নেই। কেবল ছবি শুরুর আগে একটি ডিসক্লেমার দিয়ে দিলেই হবে।

    ১৯ জানুয়ারি ‘পিউপা’র মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কলকাতা সিবিএফসির টালবাহানায় সে তারিখ পিছিয়ে দিতে হয়। এরই মধ্যে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবে ‘ইন্ডিয়ান ল্যাঙ্গোয়েজ ফিল্মস’-এর কম্পিটিশন বিভাগে মনোনীত হয় ইন্দ্রাশিসের ছবি। সেখানে ঘটে আরেক বিপত্তি। প্রদর্শনের সময়ই বন্ধ হয়ে যায় প্রজেক্টর। একরকম বিরক্ত হয়েই উঠে যান আন্তর্জাতিক জুরিরা। হতাশ হন উপস্থিত দর্শকরাও। বিরক্তি প্রকাশ করেন অভিনেতা রাহুল। হতাশা জাহির করেন পরিচালকও। তবে সে সব এখন অতীত। ‘মন শক্ত করে থাকলে গাছের সাথেও বাঁচা যায়’- এই মন্ত্রকে সঙ্গী করেই দর্শকের দরবারে আসার অপেক্ষায় ‘পিউপা’।

    LEAVE A REPLY