স্বাস্থ্য দফতরের গাফিলতিতে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরল শিশু

    0
    204

    খোঁজখবর, ওয়েবডেস্ক:   স্বাস্থ্য দপ্তরের চরম গাফিলতির কারণে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এলো চার বছরের শিশু কন্যা রাজন্যা দেওয়ান।মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধের বিষক্রিয়ায় এখনো বিপদমুক্ত নয় শিশু কন্যাটি।বহিরাগত চিকিৎসককে দিয়ে তার চিকিৎসা চলছে।গভীর উৎকণ্ঠায় হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের যোগেশগঞ্জের দেওয়ান পরিবার।অভিযোগের তীর যোগেশগঞ্জ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিরুদ্ধে‌।যদিও অভিযোগ মেনে নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জোগেশগঞ্জ নিবাসী রাজেশ দেওয়ান এর মেয়ে চার বছরের রাজন্য দেওয়ান, গত ৬ই নভেম্বর ,মঙ্গলবার সাইকেলে তার পা কেটে যায়, এই অবস্থায় তাকে জোগেশগঞ্জ প্রাথমিক সাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, চিকিৎসক পঙ্কজ মন্ডল রোগী দেখে প্রেসক্রিপশন করে দেন, সেই প্রেসক্রিপশন দেখে,মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ দেন কর্তব্যরত নার্স অঞ্জলি নস্কর।  ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে এমনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই বাচ্চাটির পরিবার। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা:অভিষেক দাঁ সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকে বিষয়টি প্রথম জানতে পারেন এবং বলেন এটা গুরুতর অপরাধ।মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ হাসপাতালে থাকার কথা নয় যদিও ওই নার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি, ভুল স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার ভুল হয়ে গেছে, আমি তারিখ না দেখেই ঔষধ দিয়েছিলাম, তিনি আরো বলেন, আমি বাচ্চাটার বাড়ি গিয়েছিলাম বাচ্চাটি এখন সুস্থ আছে।

    মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ 

    বাচাটির পরিবার থেকে মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ গৌতম মন্ডল জানান, “বাচ্চার পা কেটে যাওয়ার পর, আমরা জোগেশগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়, ওখানে চিকিৎসক দেখে পা সেলাই করে দেন, এবং ঔষধ লিখে দেন, সেই প্রেসক্রিপশন দেখে কর্তব্যরত নার্স আমাদের ঔষধ দেন। বাড়িতে এনে খাওয়ানোর পরে বমি করে, আমরা ততোটা গুরুত্ব দেইনি। তারপর আবার রাতে বমি করে, সকালে আবার ঔসুধ খাওয়াতে গেলে আমাদের ঔষধের তারিখ নজরে আসে। আমরা তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দিই। এখন হাসপাতালের ঔসুধ আর খাওয়াচ্ছি না, বাইরে থেকে কিনে খাওয়াচ্ছি”।অন্যদিকে বসিরহাট মহকুমার সাস্থ্য আধিকারিক দেবব্রত মুখার্জি বলেন, “আমার কাছে সেই রকম একটা অভিযোগ এসেছে, আমরা ভালো করে ঘটনাটি দেখছি। এখন বাচ্চাটি সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন তিনি”।প্রশ্ন উঠছে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত একটি গ্রামীণ হাসপাতালের  দায়িত্বজ্ঞানহীনতার নিয়ে। পরিবারের অভিযোগ,ফার্মাসিস্ট ‘ল’অনুয়ায়ী মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বাতিল বলে চিহ্নিত করার পরেও কী ভাবে রোগীদের হাতে যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হোক।

    LEAVE A REPLY